চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড় ও ভারী বৃষ্টিপাতে আলুচাষিদের স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে গেছে। উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামের কৃষক সোলায়মানের (সলু) প্রায় ৫০০ শতক জমির আলু ক্ষেত পানিতে তলিয়ে পচে নষ্ট হয়ে গেছে। ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে এখন দিশেহারা এই কৃষক।
জানা গেছে, বাহাদুরপুর গ্রামের মরহুম বাদশা মিয়ার ছেলে সোলায়মান চলতি মৌসুমে বিভিন্ন এনজিও ও ব্যক্তির কাছ থেকে ঋণ নিয়ে বড় পরিসরে আলু চাষ করেছিলেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলনও হয়েছিল আশাতীত। কিন্তু গত ২৫ মার্চ সন্ধ্যায় আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড় ও ভারী বর্ষণে তার ক্ষেতে পানি জমে যায়। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় কয়েক দিনের ব্যবধানে মাঠের সব আলু পচে নষ্ট হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক সোলায়মান বলেন, গত বছরও আলু চাষ করে বড় লোকসান হয়েছিল। এবার দেনা করে আবারও চাষ করেছিলাম। ফলন দেখে বুক আশায় বেধেছিলাম, কিন্তু এক রাতের ঝড় সব শেষ করে দিল। এখন পাওনাদারের টাকা দেব কীভাবে আর কিস্তিই বা কীভাবে চালাব? আমি এখন পথে বসে গেছি।
তিনি আর্থিক ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছে জরুরি সহায়তা প্রার্থনা করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, আকস্মিক এই দুর্যোগে কেবল সোলায়মানই নন, আশপাশের আরও অনেক কৃষকের আলু ও অন্যান্য ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। দ্রুত সরকারি সহায়তা না পেলে অনেক পরিবার দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক সংকটে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ উপজেলার ১৯টি ইউনিয়ন ও ৩টি পৌরসভায় ব্যাপক হারে আলুর আবাদ হয়েছে। এরমধ্যে মতলব উত্তরে ৫৯৫ হেক্টর এবং মতলব দক্ষিণে ১,৯০৭ হেক্টর জমিতে আলুর চাষ হয়েছে। এবার প্রতি হেক্টরে গড়ে ২৮ টন করে ফলন হয়েছিল।
মতলব উত্তর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফয়সাল মোহাম্মদ আলী বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি। মাঠ পর্যায়ে তদন্ত করে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হচ্ছে। সরকারি কোনো প্রণোদনা বা বিশেষ সহায়তা এলে তা দ্রুত কৃষকদের হাতে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
জানা গেছে, বাহাদুরপুর গ্রামের মরহুম বাদশা মিয়ার ছেলে সোলায়মান চলতি মৌসুমে বিভিন্ন এনজিও ও ব্যক্তির কাছ থেকে ঋণ নিয়ে বড় পরিসরে আলু চাষ করেছিলেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলনও হয়েছিল আশাতীত। কিন্তু গত ২৫ মার্চ সন্ধ্যায় আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড় ও ভারী বর্ষণে তার ক্ষেতে পানি জমে যায়। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় কয়েক দিনের ব্যবধানে মাঠের সব আলু পচে নষ্ট হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক সোলায়মান বলেন, গত বছরও আলু চাষ করে বড় লোকসান হয়েছিল। এবার দেনা করে আবারও চাষ করেছিলাম। ফলন দেখে বুক আশায় বেধেছিলাম, কিন্তু এক রাতের ঝড় সব শেষ করে দিল। এখন পাওনাদারের টাকা দেব কীভাবে আর কিস্তিই বা কীভাবে চালাব? আমি এখন পথে বসে গেছি।
তিনি আর্থিক ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছে জরুরি সহায়তা প্রার্থনা করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, আকস্মিক এই দুর্যোগে কেবল সোলায়মানই নন, আশপাশের আরও অনেক কৃষকের আলু ও অন্যান্য ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। দ্রুত সরকারি সহায়তা না পেলে অনেক পরিবার দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক সংকটে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ উপজেলার ১৯টি ইউনিয়ন ও ৩টি পৌরসভায় ব্যাপক হারে আলুর আবাদ হয়েছে। এরমধ্যে মতলব উত্তরে ৫৯৫ হেক্টর এবং মতলব দক্ষিণে ১,৯০৭ হেক্টর জমিতে আলুর চাষ হয়েছে। এবার প্রতি হেক্টরে গড়ে ২৮ টন করে ফলন হয়েছিল।
মতলব উত্তর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফয়সাল মোহাম্মদ আলী বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি। মাঠ পর্যায়ে তদন্ত করে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হচ্ছে। সরকারি কোনো প্রণোদনা বা বিশেষ সহায়তা এলে তা দ্রুত কৃষকদের হাতে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন