যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর জলপথে ‘নিরাপদ যাতায়াত’ নিশ্চিত করার কথা থাকলেও হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন করে সতর্কবার্তা দিয়েছে ইরান।
শিপিং ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান এসএসওয়াই ‘বিবিসি ভেরিফাই’কে নিশ্চিত করেছে, পারস্য উপসাগরে অবস্থানরত জাহাজগুলো ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর কাছ থেকে একটি কড়া বার্তা পেয়েছে।
বেতারে প্রচারিত ওই বার্তায় বলা হয়েছে: “পারস্য উপসাগর এবং ওমান সাগরে অবস্থানরত সব জাহাজের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে। এটি আইআরজিসি নৌ বাহিনীর স্টেশন। হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াত এখনও বন্ধ রয়েছে। এই পথ দিয়ে যাওয়ার আগে আপনাদের অবশ্যই আইআরজিসি’র অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি ছাড়া কোনও জাহাজ চলাচলের চেষ্টা করলে তাকে হামলার লক্ষ্যবস্তু করা হবে এবং ধ্বংস করে দেওয়া হবে।”
এসএসওয়াই-এর ট্যাংকার গবেষণা বিভাগের প্রধান জানান, আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সতর্কবার্তার জন্য ব্যবহৃত রেডিও চ্যানেলে জাহাজের কর্মীরা এই ঘোষণা শুনতে পেয়েছেন।
বিবিসি লিখেছে, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ‘নিরাপদ যাতায়াত’ নিশ্চিত করার শর্তে যুদ্ধবিরতি হলেও এখন পর্যন্ত খুব অল্প সংখ্যক জাহাজ এই জলপথ অতিক্রম করেছে।
যুদ্ধবিরতির খবরে তেলের দাম কিছুটা কমলেও শিপিং বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, এই মুহূর্তে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম।
শিপিং বিশ্লেষকদের মতে, নিরাপদ যাতায়াতের সুনির্দিষ্ট তথ্য ও নিশ্চয়তা না পাওয়ায় বেশিরভাগ কোম্পানি এখনও জাহাজ পাঠাতে দ্বিধাগ্রস্ত।
‘মেরিন ট্রাফিক’-এর তথ্যানুযায়ী, যুদ্ধবিরতির পর মাত্র তিনটি জাহাজ এই পথ অতিক্রম করেছে; অথচ যুদ্ধ শুরুর আগে এ পথে দৈনিক গড়ে ১৩৮টি জাহাজ চলাচল করত।
তিন জাহাজের হরমুজ প্রণালি অতিক্রম যুদ্ধবিরতির ফলে সম্ভব হয়েছে, নাকি তাদের যাত্রার অনুমতি আগে থেকেই ছিল- তা জানা নেই বলে জানিয়েছেন শিপিং বিশ্লেষক কোম্পানি কেপলারের এক কর্মকর্তা।
শিপিং নিউজ প্লাটফর্ম ‘লয়েডস লিস্ট’-এর প্রধান সম্পাদক রিচার্ড মিডও বর্তমান পরিস্থিতিকে জাহাজ মালিকদের জন্য ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক’ ও অনিশ্চিত বলে অভিহিত করেছেন।
সূত্র: বিবিসি ও এএফপি
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
শিপিং ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান এসএসওয়াই ‘বিবিসি ভেরিফাই’কে নিশ্চিত করেছে, পারস্য উপসাগরে অবস্থানরত জাহাজগুলো ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর কাছ থেকে একটি কড়া বার্তা পেয়েছে।
বেতারে প্রচারিত ওই বার্তায় বলা হয়েছে: “পারস্য উপসাগর এবং ওমান সাগরে অবস্থানরত সব জাহাজের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে। এটি আইআরজিসি নৌ বাহিনীর স্টেশন। হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াত এখনও বন্ধ রয়েছে। এই পথ দিয়ে যাওয়ার আগে আপনাদের অবশ্যই আইআরজিসি’র অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি ছাড়া কোনও জাহাজ চলাচলের চেষ্টা করলে তাকে হামলার লক্ষ্যবস্তু করা হবে এবং ধ্বংস করে দেওয়া হবে।”
এসএসওয়াই-এর ট্যাংকার গবেষণা বিভাগের প্রধান জানান, আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সতর্কবার্তার জন্য ব্যবহৃত রেডিও চ্যানেলে জাহাজের কর্মীরা এই ঘোষণা শুনতে পেয়েছেন।
বিবিসি লিখেছে, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ‘নিরাপদ যাতায়াত’ নিশ্চিত করার শর্তে যুদ্ধবিরতি হলেও এখন পর্যন্ত খুব অল্প সংখ্যক জাহাজ এই জলপথ অতিক্রম করেছে।
যুদ্ধবিরতির খবরে তেলের দাম কিছুটা কমলেও শিপিং বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, এই মুহূর্তে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম।
শিপিং বিশ্লেষকদের মতে, নিরাপদ যাতায়াতের সুনির্দিষ্ট তথ্য ও নিশ্চয়তা না পাওয়ায় বেশিরভাগ কোম্পানি এখনও জাহাজ পাঠাতে দ্বিধাগ্রস্ত।
‘মেরিন ট্রাফিক’-এর তথ্যানুযায়ী, যুদ্ধবিরতির পর মাত্র তিনটি জাহাজ এই পথ অতিক্রম করেছে; অথচ যুদ্ধ শুরুর আগে এ পথে দৈনিক গড়ে ১৩৮টি জাহাজ চলাচল করত।
তিন জাহাজের হরমুজ প্রণালি অতিক্রম যুদ্ধবিরতির ফলে সম্ভব হয়েছে, নাকি তাদের যাত্রার অনুমতি আগে থেকেই ছিল- তা জানা নেই বলে জানিয়েছেন শিপিং বিশ্লেষক কোম্পানি কেপলারের এক কর্মকর্তা।
শিপিং নিউজ প্লাটফর্ম ‘লয়েডস লিস্ট’-এর প্রধান সম্পাদক রিচার্ড মিডও বর্তমান পরিস্থিতিকে জাহাজ মালিকদের জন্য ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক’ ও অনিশ্চিত বলে অভিহিত করেছেন।
সূত্র: বিবিসি ও এএফপি
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে