অবৈধ প্রক্রিয়ায় সাব-রেজিস্ট্রার বদলি করে শতকোটি টাকার ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ও তার ব্যক্তিগত সচিবের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আবেদন করা হয়েছে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দুদকের কার্যালয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসেন এ আবেদন জমা দেন। এতে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন যুক্ত করা হয়েছে, যেখানে আট মাসে ব্যাপক বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ উঠে এসেছে।
আবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সময়কালে নিবন্ধন অধিদপ্তরের বিপুলসংখ্যক সাব-রেজিস্ট্রারকে বদলি করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, এর বড় অংশই হয়েছে ঘুষের বিনিময়ে। জনপ্রতি ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকার বিনিময়ে পছন্দের কর্মস্থলে বদলির সুযোগ পেয়েছেন অনেক কর্মকর্তা।
নীতিমালা অনুযায়ী নির্দিষ্ট গ্রেড অনুযায়ী বদলির কথা থাকলেও তা মানা হয়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘুষ না দিলে উচ্চগ্রেডের কর্মকর্তাদের নিম্নগ্রেডের অফিসে বদলি করা হয়েছে, আবার অনেকে একাধিকবার বদলির শিকার হয়েছেন।
আবেদনে আরও বলা হয়, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, গেল বছরের ১ জুন আইন মন্ত্রণালয় বদলি ও পদায়নে আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি জারি করে। তবে তার আগেই বড় অঙ্কের ঘুষ লেনদেন হয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে দুদকের পক্ষ থেকে তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে
বুধবার (৮ এপ্রিল) দুদকের কার্যালয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসেন এ আবেদন জমা দেন। এতে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন যুক্ত করা হয়েছে, যেখানে আট মাসে ব্যাপক বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ উঠে এসেছে।
আবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সময়কালে নিবন্ধন অধিদপ্তরের বিপুলসংখ্যক সাব-রেজিস্ট্রারকে বদলি করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, এর বড় অংশই হয়েছে ঘুষের বিনিময়ে। জনপ্রতি ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকার বিনিময়ে পছন্দের কর্মস্থলে বদলির সুযোগ পেয়েছেন অনেক কর্মকর্তা।
নীতিমালা অনুযায়ী নির্দিষ্ট গ্রেড অনুযায়ী বদলির কথা থাকলেও তা মানা হয়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘুষ না দিলে উচ্চগ্রেডের কর্মকর্তাদের নিম্নগ্রেডের অফিসে বদলি করা হয়েছে, আবার অনেকে একাধিকবার বদলির শিকার হয়েছেন।
আবেদনে আরও বলা হয়, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, গেল বছরের ১ জুন আইন মন্ত্রণালয় বদলি ও পদায়নে আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি জারি করে। তবে তার আগেই বড় অঙ্কের ঘুষ লেনদেন হয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে দুদকের পক্ষ থেকে তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে