দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগেই পাকিস্তান থেকে কিছুটা আশার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক পাকিস্তানি সূত্র বিবিসিকে জানায়, আলোচনা ‘দ্রুতগতিতে চলছে’ এবং পাকিস্তান ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে।
সূত্রটি জানায়, পাকিস্তানের পক্ষ থেকে খুব ছোট একটি দল এই আলোচনায় অংশ নিচ্ছিল এবং পরিবেশ ছিল ‘গম্ভীর ও সংযত, তবে এখনও আশা ছিল যে সংঘর্ষ বন্ধ হতে পারে।’
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পাকিস্তান ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যমে মধ্যস্থতা করে আসছে। ইরানের সঙ্গে পাকিস্তানের ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে, তাদের মধ্যে যৌথ সীমান্ত আছে, এবং প্রায়ই তারা ‘ভ্রাতৃত্বপূর্ণ’ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনীরকে ‘প্রিয় ফিল্ড মার্শাল’ বলে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন যে তিনি ইরানকে ‘অনেকের চেয়ে ভালো বোঝেন’।
তবে কোনো চুক্তি তখনও নিশ্চিত ছিল না। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে পার্লামেন্টে বক্তব্য দিতে গিয়ে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার বলেন, সোমবার পর্যন্ত আমরা খুব আশাবাদী ছিলাম যে পরিস্থিতি ইতিবাচক দিকে এগোচ্ছে।
কিন্তু সোমবার ইরানের ওপর ইসরায়েলের হামলা এবং সৌদি আরবে তেহরানের আক্রমণের পর পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। তিনি আরও বলেন, পাকিস্তান ‘যতটা সম্ভব পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে।’
এদিকে আসিম মুনীর আরও কঠোর ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, সৌদি আরবের ওপর হামলা ‘শান্তিপূর্ণ উপায়ে সংকট সমাধানের আন্তরিক প্রচেষ্টাকে নষ্ট করছে।’
সংঘাত শুরুর পর থেকে ইরানের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের এটি অন্যতম কঠোর মন্তব্য।
কিছু বিশ্লেষক তখন মত দিয়েছিলেন, এতে ইরানের ওপর চাপ বাড়তে পারে। পাকিস্তানের সঙ্গে সৌদির একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি রয়েছে। যদিও দেশটিতে একাধিক হামলার পরও সেটি এখনও কার্যকর করা হয়নি।
মধ্যরাতের পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সামাজিক মাধ্যমে জানান যে, কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ‘স্থিতিশীল, শক্তিশালীভাবে এগোচ্ছে’ এবং দ্রুত ফলাফল আসতে পারে। তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে দুই সপ্তাহ সময় বাড়ানোর অনুরোধ করেন এবং একই সময়ের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়ার আহ্বান জানান।
পাকিস্তানে ইরানের রাষ্ট্রদূত রেজা আমিরি মোঘাদাম রাত প্রায় ৩টার দিকে জানান যে, পরিস্থিতি ‘সংকটপূর্ণ ও সংবেদনশীল অবস্থা থেকে এক ধাপ এগিয়েছে।’
ভোর ৫টার কিছু আগে, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ঘোষণা করেন যে যুদ্ধবিরতি হয়েছে এবং দুই পক্ষকে ১০ এপ্রিল শুক্রবার ইসলামাবাদে বৈঠকের আমন্ত্রণ জানান, যাতে একটি চূড়ান্ত চুক্তির দিকে এগোনো যায়।
তবে পাকিস্তানি সূত্রটি সতর্ক করে দিয়ে জানায়, পরিস্থিতি এখনও ‘ভঙ্গুর’ এবং দুই পক্ষের মধ্যে এখনও আস্থার ঘাটতি রয়েছে, অবস্থানও বেশ কঠোর। সূত্র: বিবিসি
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
ইসলামাবাদে শুরু হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা
‘আমাদের সম্পূর্ণ ও সর্বাত্মক বিজয় হয়েছে,’ দাবি ট্রাম্পের
সূত্রটি জানায়, পাকিস্তানের পক্ষ থেকে খুব ছোট একটি দল এই আলোচনায় অংশ নিচ্ছিল এবং পরিবেশ ছিল ‘গম্ভীর ও সংযত, তবে এখনও আশা ছিল যে সংঘর্ষ বন্ধ হতে পারে।’
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পাকিস্তান ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যমে মধ্যস্থতা করে আসছে। ইরানের সঙ্গে পাকিস্তানের ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে, তাদের মধ্যে যৌথ সীমান্ত আছে, এবং প্রায়ই তারা ‘ভ্রাতৃত্বপূর্ণ’ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনীরকে ‘প্রিয় ফিল্ড মার্শাল’ বলে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন যে তিনি ইরানকে ‘অনেকের চেয়ে ভালো বোঝেন’।
তবে কোনো চুক্তি তখনও নিশ্চিত ছিল না। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে পার্লামেন্টে বক্তব্য দিতে গিয়ে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার বলেন, সোমবার পর্যন্ত আমরা খুব আশাবাদী ছিলাম যে পরিস্থিতি ইতিবাচক দিকে এগোচ্ছে।
কিন্তু সোমবার ইরানের ওপর ইসরায়েলের হামলা এবং সৌদি আরবে তেহরানের আক্রমণের পর পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। তিনি আরও বলেন, পাকিস্তান ‘যতটা সম্ভব পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে।’
এদিকে আসিম মুনীর আরও কঠোর ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, সৌদি আরবের ওপর হামলা ‘শান্তিপূর্ণ উপায়ে সংকট সমাধানের আন্তরিক প্রচেষ্টাকে নষ্ট করছে।’
সংঘাত শুরুর পর থেকে ইরানের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের এটি অন্যতম কঠোর মন্তব্য।
কিছু বিশ্লেষক তখন মত দিয়েছিলেন, এতে ইরানের ওপর চাপ বাড়তে পারে। পাকিস্তানের সঙ্গে সৌদির একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি রয়েছে। যদিও দেশটিতে একাধিক হামলার পরও সেটি এখনও কার্যকর করা হয়নি।
মধ্যরাতের পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সামাজিক মাধ্যমে জানান যে, কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ‘স্থিতিশীল, শক্তিশালীভাবে এগোচ্ছে’ এবং দ্রুত ফলাফল আসতে পারে। তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে দুই সপ্তাহ সময় বাড়ানোর অনুরোধ করেন এবং একই সময়ের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়ার আহ্বান জানান।
পাকিস্তানে ইরানের রাষ্ট্রদূত রেজা আমিরি মোঘাদাম রাত প্রায় ৩টার দিকে জানান যে, পরিস্থিতি ‘সংকটপূর্ণ ও সংবেদনশীল অবস্থা থেকে এক ধাপ এগিয়েছে।’
ভোর ৫টার কিছু আগে, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ঘোষণা করেন যে যুদ্ধবিরতি হয়েছে এবং দুই পক্ষকে ১০ এপ্রিল শুক্রবার ইসলামাবাদে বৈঠকের আমন্ত্রণ জানান, যাতে একটি চূড়ান্ত চুক্তির দিকে এগোনো যায়।
তবে পাকিস্তানি সূত্রটি সতর্ক করে দিয়ে জানায়, পরিস্থিতি এখনও ‘ভঙ্গুর’ এবং দুই পক্ষের মধ্যে এখনও আস্থার ঘাটতি রয়েছে, অবস্থানও বেশ কঠোর। সূত্র: বিবিসি
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
ইসলামাবাদে শুরু হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা
‘আমাদের সম্পূর্ণ ও সর্বাত্মক বিজয় হয়েছে,’ দাবি ট্রাম্পের