লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে আলী হোসেন (৪৯) নামে এক বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন। বুধবার (৮ মার্চ) ভোররাতে উপজেলার জোংড়া ইউনিয়নের ধবলগুড়ি সীমান্তের পানিয়ার টারি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আলী হোসেন ওই এলাকারই বাসিন্দা।
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রাত ২টা ৫০ মিনিট ও ভোর ৪টা ৫০ মিনিটে তিস্তা ব্যাটালিয়ন (৬১ বিজিবি) এর অধীন ধবলগুড়ি বিওপির ৮৭৪/৫-এস সীমান্ত পিলারের কাছে ভারতীয় ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে দুই দফা গুলির শব্দ শোনা যায়।
সূত্র আরও জানায়, ৭-৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক ভারতীয় সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া কাটার চেষ্টা করলে তারা প্রথমে সতর্কতামূলক গুলি ছোড়ে। এক পর্যায়ে বিএসএফ সদস্যদের সাথে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটলে বিএসএফ গুলি চালায়। এতে আলী হোসেন গুলিবিদ্ধ হন। গুরুতর আহত অবস্থায় বিএসএফ সদস্যরা তাকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে ভারতীয় হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর সকাল সাড়ে ৬টার দিকে বিজিবি ও বিএসএফের ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক পর্যায়ে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ হয়েছে। ৬১ বিজিবির তিস্তা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্নেল সৈয়দ ফজলে মুনিম সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনার বিস্তারিত যাচাই-বাছাই ও তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে ব্যাটালিয়ন ও সেক্টর কমান্ডার পর্যায়ে স্পট মিটিংয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রাত ২টা ৫০ মিনিট ও ভোর ৪টা ৫০ মিনিটে তিস্তা ব্যাটালিয়ন (৬১ বিজিবি) এর অধীন ধবলগুড়ি বিওপির ৮৭৪/৫-এস সীমান্ত পিলারের কাছে ভারতীয় ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে দুই দফা গুলির শব্দ শোনা যায়।
সূত্র আরও জানায়, ৭-৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক ভারতীয় সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া কাটার চেষ্টা করলে তারা প্রথমে সতর্কতামূলক গুলি ছোড়ে। এক পর্যায়ে বিএসএফ সদস্যদের সাথে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটলে বিএসএফ গুলি চালায়। এতে আলী হোসেন গুলিবিদ্ধ হন। গুরুতর আহত অবস্থায় বিএসএফ সদস্যরা তাকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে ভারতীয় হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর সকাল সাড়ে ৬টার দিকে বিজিবি ও বিএসএফের ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক পর্যায়ে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ হয়েছে। ৬১ বিজিবির তিস্তা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্নেল সৈয়দ ফজলে মুনিম সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনার বিস্তারিত যাচাই-বাছাই ও তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে ব্যাটালিয়ন ও সেক্টর কমান্ডার পর্যায়ে স্পট মিটিংয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন