নতুন অধ্যায় শুরু করলেন টালিউড অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। পা রাখলেন রাজনীতির অঙ্গনে। জল্পনার অবসান ঘটিয়ে সোমবার (৬ এপ্রিল) ভারতের রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে শপথ নিলেন কোয়েল।
শপথ উপলক্ষে কোয়েলের সঙ্গে সংসদে হাজির ছিলেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। তাঁর এই নতুন যাত্রায় শুভেচ্ছা জানাতে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক জগতের বেশ কিছু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন।
নিজের আসল নাম রুক্মিণী মল্লিক হিসেবেই শপথ নিয়েছেন তিনি। বাংলা ভাষায় কোয়েলের শপথ গ্রহণের মুহূর্ত ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেখানে মিশ্র প্রতিক্রিয়া উঠে আসতে দেখা যাচ্ছে। কেউ কেউ তাঁর রাজনীতিতে আসার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন, কেউ আবার সমালোচনাও করছেন।
পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি তামিলনাড়ু, ওড়িশা, মহারাষ্ট্রের মোট ১৯ জন সাংসদ শপথ গ্রহণ করেন আজ। পশ্চিমবঙ্গ থেকে ৫ জন, তামিলনাড়ু থেকে ৬ জন, ওড়িশা থেকে ৩ জন ও মহারাষ্ট্র থেকে ৫ জন সাংসদ শপথ নিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গ থেকে কোয়েলসহ নির্বাচিত ৫ জনই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন। তাঁদের শপথ বাক্য পাঠ করান দেশের উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সিপি রাধাকৃষ্ণন।
শপথ গ্রহণের পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে কোয়েল মল্লিক জানান, এটি তাঁর জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি দায়িত্ব। তিনি বলেন, ‘অভিনয়ের মাধ্যমে আমি মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি। এখন সংসদ সদস্য হিসেবে সেই ভালোবাসার প্রতিদান দেওয়ার সুযোগ এসেছে। শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং নারী ও শিশুদের উন্নয়নের বিষয়গুলো আমি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সংসদে তুলে ধরতে চাই।’
বাবা রঞ্জিত মল্লিকের পদাঙ্ক অনুসরণ করে জনসেবায় আগে থেকেই আগ্রহী ছিলেন কোয়েল। তবে সরাসরি সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দিয়ে সংসদের উচ্চকক্ষে যাওয়ার সিদ্ধান্তটি ভক্তদের জন্য বড় চমক ছিল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কোয়েলের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে তাঁর আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা তাঁকে আগামী দিনে একজন প্রভাবশালী নেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করবে।
কোয়েল মল্লিক জানিয়েছেন, রাজনীতিতে পা রাখলেও তিনি অভিনয় থেকে পুরোপুরি বিদায় নিচ্ছেন না। ভালো চিত্রনাট্য পেলে অবশ্যই কাজ করবেন। তবে এখন থেকে তাঁর সময়ের বড় একটি অংশ বরাদ্দ থাকবে সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধান এবং সংসদীয় কাজের জন্য। চলতি অধিবেশন থেকেই কোয়েল মল্লিক রাজ্যসভার বিতর্কে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
শপথ উপলক্ষে কোয়েলের সঙ্গে সংসদে হাজির ছিলেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। তাঁর এই নতুন যাত্রায় শুভেচ্ছা জানাতে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক জগতের বেশ কিছু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন।
নিজের আসল নাম রুক্মিণী মল্লিক হিসেবেই শপথ নিয়েছেন তিনি। বাংলা ভাষায় কোয়েলের শপথ গ্রহণের মুহূর্ত ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেখানে মিশ্র প্রতিক্রিয়া উঠে আসতে দেখা যাচ্ছে। কেউ কেউ তাঁর রাজনীতিতে আসার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন, কেউ আবার সমালোচনাও করছেন।
পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি তামিলনাড়ু, ওড়িশা, মহারাষ্ট্রের মোট ১৯ জন সাংসদ শপথ গ্রহণ করেন আজ। পশ্চিমবঙ্গ থেকে ৫ জন, তামিলনাড়ু থেকে ৬ জন, ওড়িশা থেকে ৩ জন ও মহারাষ্ট্র থেকে ৫ জন সাংসদ শপথ নিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গ থেকে কোয়েলসহ নির্বাচিত ৫ জনই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন। তাঁদের শপথ বাক্য পাঠ করান দেশের উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সিপি রাধাকৃষ্ণন।
শপথ গ্রহণের পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে কোয়েল মল্লিক জানান, এটি তাঁর জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি দায়িত্ব। তিনি বলেন, ‘অভিনয়ের মাধ্যমে আমি মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি। এখন সংসদ সদস্য হিসেবে সেই ভালোবাসার প্রতিদান দেওয়ার সুযোগ এসেছে। শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং নারী ও শিশুদের উন্নয়নের বিষয়গুলো আমি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সংসদে তুলে ধরতে চাই।’
বাবা রঞ্জিত মল্লিকের পদাঙ্ক অনুসরণ করে জনসেবায় আগে থেকেই আগ্রহী ছিলেন কোয়েল। তবে সরাসরি সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দিয়ে সংসদের উচ্চকক্ষে যাওয়ার সিদ্ধান্তটি ভক্তদের জন্য বড় চমক ছিল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কোয়েলের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে তাঁর আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা তাঁকে আগামী দিনে একজন প্রভাবশালী নেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করবে।
কোয়েল মল্লিক জানিয়েছেন, রাজনীতিতে পা রাখলেও তিনি অভিনয় থেকে পুরোপুরি বিদায় নিচ্ছেন না। ভালো চিত্রনাট্য পেলে অবশ্যই কাজ করবেন। তবে এখন থেকে তাঁর সময়ের বড় একটি অংশ বরাদ্দ থাকবে সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধান এবং সংসদীয় কাজের জন্য। চলতি অধিবেশন থেকেই কোয়েল মল্লিক রাজ্যসভার বিতর্কে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে