মানব মহাকাশ অভিযানে নতুন মাইলফলক ছুঁয়েছে আর্টেমিস-২। এ মিশনের নভোচারীরা চাঁদের ‘প্রভাব বলয়ে’ প্রবেশ করেছেন।
সোমবার (০৬ এপ্রিল) রাত ১২টা ৪১ মিনিটে (ইটি) ওরিয়ন মহাকাশযানটি চাঁদের প্রভাব বলয় বা ‘লুনার স্ফিয়ার অব ইনফ্লুয়েন্স’-এ প্রবেশ করে। ১০ দিনের যাত্রাপথে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
নাসার ফ্লাইট ডিরেক্টর রিক হেনফ্লিং জানান, এ অঞ্চলে প্রবেশের পর থেকে মহাকাশযানের ওপর চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাব পৃথিবীর তুলনায় বেশি হয়ে যায়।
‘চাঁদের প্রভাব বলয়’ কোনো দৃশ্যমান সীমারেখা নয়। এটি একটি গাণিতিক সীমানা। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, মহাকাশযান চাঁদের নিকটবর্তী অঞ্চলে প্রবেশ করেছে।
এ সীমানা অতিক্রম করা নাসার জন্য বড় সাফল্য। অ্যাপোলো-১৭ এর পর প্রায় অর্ধশতাব্দী পর আবারও নভোচারীরা চাঁদের প্রভাব বলয়ে পৌঁছালেন। এর আগে রোববার মহাকাশ থেকে পৃথিবীর উচ্চমানের ছবি পাঠান নভোচারীরা। এসব ছবি প্রকাশ করেছে নাসা।
মিশনের কমান্ডার রিড ওয়াইজম্যান এ ছবিগুলো তুলেছেন। চাঁদের পথে যাত্রার শেষ ধাপে ইঞ্জিন সফলভাবে প্রজ্বলনের পর ছবিগুলো ধারণ করা হয়।
প্রথম ছবিটির নাম দেয়া হয়েছে ‘হ্যালো ওয়ার্ল্ড’। এতে দেখা গেছে নীল জলরাশির আটলান্টিক মহাসাগর। সূর্যের আলো আংশিক আড়াল হওয়ায় বায়ুমণ্ডলের উজ্জ্বল একটি রেখা দৃশ্যমান হয়।
ছবিতে পৃথিবীর দুই মেরুতে সবুজ আভায় মেরুজ্যোতি বা অরোরাও দেখা যায়। পাশাপাশি বাম দিকে সাহারা মরুভূমি ও আইবেরীয় উপদ্বীপ এবং ডান দিকে দক্ষিণ আমেরিকার পূর্বাংশ দেখা গেছে। ছবির নিচের ডান পাশে উজ্জ্বল একটি গ্রহও শনাক্ত করা হয়েছে, যা শুক্র।
বুধবার (০১ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল থেকে শক্তিশালী এস.এল.এস রকেটের পিঠে যাত্রা শুরু করে আর্টেমিস-২। অ্যাপোলো যুগের পর এ প্রথম কোনো মানববাহী মহাকাশযান আবার চাঁদের উদ্দেশ্যে রওনা হলো।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
সোমবার (০৬ এপ্রিল) রাত ১২টা ৪১ মিনিটে (ইটি) ওরিয়ন মহাকাশযানটি চাঁদের প্রভাব বলয় বা ‘লুনার স্ফিয়ার অব ইনফ্লুয়েন্স’-এ প্রবেশ করে। ১০ দিনের যাত্রাপথে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
নাসার ফ্লাইট ডিরেক্টর রিক হেনফ্লিং জানান, এ অঞ্চলে প্রবেশের পর থেকে মহাকাশযানের ওপর চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাব পৃথিবীর তুলনায় বেশি হয়ে যায়।
‘চাঁদের প্রভাব বলয়’ কোনো দৃশ্যমান সীমারেখা নয়। এটি একটি গাণিতিক সীমানা। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, মহাকাশযান চাঁদের নিকটবর্তী অঞ্চলে প্রবেশ করেছে।
এ সীমানা অতিক্রম করা নাসার জন্য বড় সাফল্য। অ্যাপোলো-১৭ এর পর প্রায় অর্ধশতাব্দী পর আবারও নভোচারীরা চাঁদের প্রভাব বলয়ে পৌঁছালেন। এর আগে রোববার মহাকাশ থেকে পৃথিবীর উচ্চমানের ছবি পাঠান নভোচারীরা। এসব ছবি প্রকাশ করেছে নাসা।
মিশনের কমান্ডার রিড ওয়াইজম্যান এ ছবিগুলো তুলেছেন। চাঁদের পথে যাত্রার শেষ ধাপে ইঞ্জিন সফলভাবে প্রজ্বলনের পর ছবিগুলো ধারণ করা হয়।
প্রথম ছবিটির নাম দেয়া হয়েছে ‘হ্যালো ওয়ার্ল্ড’। এতে দেখা গেছে নীল জলরাশির আটলান্টিক মহাসাগর। সূর্যের আলো আংশিক আড়াল হওয়ায় বায়ুমণ্ডলের উজ্জ্বল একটি রেখা দৃশ্যমান হয়।
ছবিতে পৃথিবীর দুই মেরুতে সবুজ আভায় মেরুজ্যোতি বা অরোরাও দেখা যায়। পাশাপাশি বাম দিকে সাহারা মরুভূমি ও আইবেরীয় উপদ্বীপ এবং ডান দিকে দক্ষিণ আমেরিকার পূর্বাংশ দেখা গেছে। ছবির নিচের ডান পাশে উজ্জ্বল একটি গ্রহও শনাক্ত করা হয়েছে, যা শুক্র।
বুধবার (০১ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল থেকে শক্তিশালী এস.এল.এস রকেটের পিঠে যাত্রা শুরু করে আর্টেমিস-২। অ্যাপোলো যুগের পর এ প্রথম কোনো মানববাহী মহাকাশযান আবার চাঁদের উদ্দেশ্যে রওনা হলো।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে