নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় একটি বসতবাড়ির নলকূপ দিয়ে পানির সঙ্গে গ্যাস বের হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। নলকূপের মুখে দিয়াশলাই ধরতেই দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে ওঠায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম কৌতূহল ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার রামনারায়ণপুর ইউনিয়নের বৈকুণ্ঠপুর গ্রামে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৈকুণ্ঠপুর গ্রামের সুরের বাড়ির আব্দুল মতিন প্রায় এক মাস আগে তার বসতঘরের পাশে ৬০ ফুট গভীর একটি নতুন নলকূপ স্থাপন করেন। স্থাপনের পর থেকেই নলকূপটি দিয়ে পানির সঙ্গে গ্যাসের তীব্র গন্ধ আসছিল। গন্ধে পানি পানের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় বিষয়টি নিয়ে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। গত শুক্রবার পরীক্ষা করতে আব্দুল মতিন নলকূপের মুখে লাইটার জ্বালালে মুহূর্তেই আগুন জ্বলে ওঠে। এরপর খবরটি ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং উৎসুক জনতা সেখানে ভিড় জমাতে শুরু করেন।
গৃহকর্তা আব্দুল মতিন জানান, নলকূপটি বসানোর পর থেকেই পানির সঙ্গে অদ্ভুত গন্ধ পাচ্ছিলাম। পানি মুখে নেওয়া যাচ্ছিল না। পরে সন্দিহান হয়ে লাইটার জ্বালিয়ে পরীক্ষা করতেই দেখি আগুন জ্বলছে। বিষয়টি বেশ আতঙ্কজনক। প্রশাসনের কাছে আমাদের অনুরোধ, তারা যেন দ্রুত কারিগরি বিশেষজ্ঞ দিয়ে পরীক্ষা করে দেখেন এখানে আসলে খনিজ গ্যাসের মজুত আছে কি না।
এ বিষয়ে চাটখিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজানুর রহমান জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। তবে যথাযথ পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। আমরা সংশ্লিষ্ট ভূতাত্ত্বিক বিভাগ বা যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৈকুণ্ঠপুর গ্রামের সুরের বাড়ির আব্দুল মতিন প্রায় এক মাস আগে তার বসতঘরের পাশে ৬০ ফুট গভীর একটি নতুন নলকূপ স্থাপন করেন। স্থাপনের পর থেকেই নলকূপটি দিয়ে পানির সঙ্গে গ্যাসের তীব্র গন্ধ আসছিল। গন্ধে পানি পানের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় বিষয়টি নিয়ে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। গত শুক্রবার পরীক্ষা করতে আব্দুল মতিন নলকূপের মুখে লাইটার জ্বালালে মুহূর্তেই আগুন জ্বলে ওঠে। এরপর খবরটি ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং উৎসুক জনতা সেখানে ভিড় জমাতে শুরু করেন।
গৃহকর্তা আব্দুল মতিন জানান, নলকূপটি বসানোর পর থেকেই পানির সঙ্গে অদ্ভুত গন্ধ পাচ্ছিলাম। পানি মুখে নেওয়া যাচ্ছিল না। পরে সন্দিহান হয়ে লাইটার জ্বালিয়ে পরীক্ষা করতেই দেখি আগুন জ্বলছে। বিষয়টি বেশ আতঙ্কজনক। প্রশাসনের কাছে আমাদের অনুরোধ, তারা যেন দ্রুত কারিগরি বিশেষজ্ঞ দিয়ে পরীক্ষা করে দেখেন এখানে আসলে খনিজ গ্যাসের মজুত আছে কি না।
এ বিষয়ে চাটখিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজানুর রহমান জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। তবে যথাযথ পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। আমরা সংশ্লিষ্ট ভূতাত্ত্বিক বিভাগ বা যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন