নড়াইলে বসানো পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কোটি টাকা মূল্যের দুটি সেচ পাম্প কৃষকের কোনো কাজেই আসছে না। আট বছর ধরে পাম্প বন্ধ থাকায় প্রতি বছর জেলার ১ হাজার ৩৭ হেক্টর জমি সেচ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, ২০১৮ সালে পাম্প দুটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের ফসল উৎপাদন খরচ বেড়েছে দ্বিগুণ।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পানিসম্পদ পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় ১৯৮৫ সালে নড়াইল সদর উপজেলার কমলাপুর ও গন্ধব্যখালী গ্রামে দুটি সেচ পাম্প স্থাপন করা হয়। প্রকল্পের আওতায় কমলাপুর এলাকায় সাড়ে আট কিলোমিটার এবং গন্ধব্যখালী এলাকায় ৯ কিলোমিটার সেচখাল খনন করা হয়। খাল দুটি দিয়ে পানি প্রবাহ সরাসরি কৃষকদের জমিতে পৌঁছাতো। ৫ কোটি ১২ লাখ ৭০ হাজার টাকা ব্যয়ে পরিচালিত প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল ১ হাজার ৩৭ হেক্টর জমিতে কম খরচে কৃষককে সেচ সুবিধা দেওয়া। ২০১৮ সালে সেচ পাম্প দুটি বন্ধ হয়ে যায়।
শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে কমলাপুর সেচ এলাকা সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে সেখানকার সেচ পাম্পটি। দীর্ঘদিন ধরে পাম্প বন্ধ থাকায় এখানে কোনো কর্মকর্তা আসেন না। কমলাপুর গ্রামের কৃষক অপূর্ব সিকদার বলেন, “সেচ পাম্প দুটি ছিল কম খরচে তাদের জন্য সহজ পানির উৎস। চিত্রা নদী থেকে সরাসরি জমিতে পানি সরবরাহ করা হতো পাম্পের মাধ্যমে। ফলে তারা কম খরচে তিনটি ফসল উৎপাদন করার সুযোগ পেতেন। কয়েক বছর চলার পর গত আট বছর ধরে সেচ পাম্প দুটি বন্ধ রয়েছে। ফলে জমিতে সেচের জন্য এখন ডিজেল চালিত শ্যালো মেশিনের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে কৃষকদের। ফসল উৎপাদন খরচ বেড়েছে দ্বিগুণ।”
নড়াইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী অভিজিৎ কুমার সাহা বলেন, “প্রকল্পটির অধীনে দুইটি সেচ পাম্প ছিল। ২০১৯ সালে সেচ পাম্প মেরামতের জন্য ৩৫ কোটি টাকার একটি উন্নয়ন প্রকল্পের প্রস্তাবনা পাঠানো হয়। নানা জটিলতার কারণে সেটি বাস্তাবায়িত হয়নি। প্রকল্পটি অতি গুরুত্বপূর্ণ। এটি পুনরায় চালু করতে পারলে কৃষকরা তাদের জমিতে কম খরচে সেচ সুবিধা পাবেন।”
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পানিসম্পদ পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় ১৯৮৫ সালে নড়াইল সদর উপজেলার কমলাপুর ও গন্ধব্যখালী গ্রামে দুটি সেচ পাম্প স্থাপন করা হয়। প্রকল্পের আওতায় কমলাপুর এলাকায় সাড়ে আট কিলোমিটার এবং গন্ধব্যখালী এলাকায় ৯ কিলোমিটার সেচখাল খনন করা হয়। খাল দুটি দিয়ে পানি প্রবাহ সরাসরি কৃষকদের জমিতে পৌঁছাতো। ৫ কোটি ১২ লাখ ৭০ হাজার টাকা ব্যয়ে পরিচালিত প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল ১ হাজার ৩৭ হেক্টর জমিতে কম খরচে কৃষককে সেচ সুবিধা দেওয়া। ২০১৮ সালে সেচ পাম্প দুটি বন্ধ হয়ে যায়।
শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে কমলাপুর সেচ এলাকা সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে সেখানকার সেচ পাম্পটি। দীর্ঘদিন ধরে পাম্প বন্ধ থাকায় এখানে কোনো কর্মকর্তা আসেন না। কমলাপুর গ্রামের কৃষক অপূর্ব সিকদার বলেন, “সেচ পাম্প দুটি ছিল কম খরচে তাদের জন্য সহজ পানির উৎস। চিত্রা নদী থেকে সরাসরি জমিতে পানি সরবরাহ করা হতো পাম্পের মাধ্যমে। ফলে তারা কম খরচে তিনটি ফসল উৎপাদন করার সুযোগ পেতেন। কয়েক বছর চলার পর গত আট বছর ধরে সেচ পাম্প দুটি বন্ধ রয়েছে। ফলে জমিতে সেচের জন্য এখন ডিজেল চালিত শ্যালো মেশিনের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে কৃষকদের। ফসল উৎপাদন খরচ বেড়েছে দ্বিগুণ।”
নড়াইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী অভিজিৎ কুমার সাহা বলেন, “প্রকল্পটির অধীনে দুইটি সেচ পাম্প ছিল। ২০১৯ সালে সেচ পাম্প মেরামতের জন্য ৩৫ কোটি টাকার একটি উন্নয়ন প্রকল্পের প্রস্তাবনা পাঠানো হয়। নানা জটিলতার কারণে সেটি বাস্তাবায়িত হয়নি। প্রকল্পটি অতি গুরুত্বপূর্ণ। এটি পুনরায় চালু করতে পারলে কৃষকরা তাদের জমিতে কম খরচে সেচ সুবিধা পাবেন।”
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন