পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আন্ধারমানিক সেতুর ফুটপাতের অনেগুলো স্লাব ভেঙ্গে জরাজীর্ণ হয়ে গেছে। পথচারীদের ঝুঁকি নিয়ে মূল সড়কে চলাচল করতে হয়। ফলে দ্রুত গতির যানবাহন চলাচলে দুর্ঘটনার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। পথচারীরা বিশেষ করে রাতের বেলা চলছে নিরাপত্তাহীনভাবে। তারা দ্রুত বিধ্বস্ত স্লাব মেরামতের দাবি করেছেন। কুয়াকাটাগামী এই সড়কের গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুর ভাঙা স্লাবগুলো প্রায় দুই বছর ধরে এমন বিধ্বস্ত দশায় রয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুটির ফুটপাতের বেশ কিছু স্লাব বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। দুই পাশেই একই অবস্থা। ইতিপূর্বে কয়েকটি স্লাব বিধ্বস্ত হলে তা মেরামত করা হয়। কিন্তু ফের নতুন করে অসংখ্য স্লাব অন্তত এক বছর ধরে বিধ্বস্ত হয়ে আছে। ফলে পথচারীরা ফুটপাত বাদ দিয়ে সাধারণ মানুষ চলাচল করছে। এছাড়া ওই সেতুতে সন্ধ্যার পরে বহু ভ্রমণকারীর আনাগোনা থাকে। অনেকে হেঁটে চলাচল করেন। পায়চারী করতে যায়। দর্শনার্থীরাও সন্ধ্যার পরে সেতুতে জড়ো হন। প্রতিদিন এই সেতু হয়ে কুয়াকাটাগামী শত শত দুরপাল্লার দ্রুতগামী যাত্রীবাহী বাসসহ পণ্যবাহী ট্রাক-ট্রলি চলাচল করছে। মানুষ চলাচল করতে ঝুঁকির সম্মুখীন হয়।
পথচারী আলতাফ হোসেন জানান, আমি প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা এই সেতু পেরিয়ে যাওয়া আসা করছি। ফুটপাতের স্লাব ভাঙ্গা থাকায় চলাচলে খুব সমস্যায় পড়তে হয়। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আমরা কলাপাড়াবাসীর সভাপতি নাজমুস সাকিব বলেন, জনস্বার্থে দ্রুত এই স্লাবগুলো মেরামত করা প্রয়োজন। স্থানীয়রা একই দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রায় দেড় বছর আগে জানিয়েছিলেন, তিনি দ্রুত ভাঙা স্লাবগুলো ঠিক করে দিবেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত কিছুই করা হয়নি। বর্তমানে তাঁকে কয়েকদফা মোবাইল করা হয়েছে, কিন্তু রিসিভ করেননি। কলাপাড়ার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. ইয়াসীন সাদেক জানান, তিনি বিষয়টি নিরসনে পটুয়াখালী জেলা সমন্বয় সভায় উপস্থাপন করবেন। এছাড়া সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীকে অবগত করবেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুটির ফুটপাতের বেশ কিছু স্লাব বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। দুই পাশেই একই অবস্থা। ইতিপূর্বে কয়েকটি স্লাব বিধ্বস্ত হলে তা মেরামত করা হয়। কিন্তু ফের নতুন করে অসংখ্য স্লাব অন্তত এক বছর ধরে বিধ্বস্ত হয়ে আছে। ফলে পথচারীরা ফুটপাত বাদ দিয়ে সাধারণ মানুষ চলাচল করছে। এছাড়া ওই সেতুতে সন্ধ্যার পরে বহু ভ্রমণকারীর আনাগোনা থাকে। অনেকে হেঁটে চলাচল করেন। পায়চারী করতে যায়। দর্শনার্থীরাও সন্ধ্যার পরে সেতুতে জড়ো হন। প্রতিদিন এই সেতু হয়ে কুয়াকাটাগামী শত শত দুরপাল্লার দ্রুতগামী যাত্রীবাহী বাসসহ পণ্যবাহী ট্রাক-ট্রলি চলাচল করছে। মানুষ চলাচল করতে ঝুঁকির সম্মুখীন হয়।
পথচারী আলতাফ হোসেন জানান, আমি প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা এই সেতু পেরিয়ে যাওয়া আসা করছি। ফুটপাতের স্লাব ভাঙ্গা থাকায় চলাচলে খুব সমস্যায় পড়তে হয়। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আমরা কলাপাড়াবাসীর সভাপতি নাজমুস সাকিব বলেন, জনস্বার্থে দ্রুত এই স্লাবগুলো মেরামত করা প্রয়োজন। স্থানীয়রা একই দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রায় দেড় বছর আগে জানিয়েছিলেন, তিনি দ্রুত ভাঙা স্লাবগুলো ঠিক করে দিবেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত কিছুই করা হয়নি। বর্তমানে তাঁকে কয়েকদফা মোবাইল করা হয়েছে, কিন্তু রিসিভ করেননি। কলাপাড়ার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. ইয়াসীন সাদেক জানান, তিনি বিষয়টি নিরসনে পটুয়াখালী জেলা সমন্বয় সভায় উপস্থাপন করবেন। এছাড়া সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীকে অবগত করবেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন