জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা এবার সরাসরি ভোক্তাদের ঘরে পৌঁছে গেছে। এলপি গ্যাসের দাম কেজিতে ৩২ টাকার বেশি বাড়ানোর পরও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ১২ কেজির সিলিন্ডার অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বিক্রেতারা এই পরিস্থিতির দায় ডিলারদের কাঁধে চাপালেও, ডিলাররা বলছেন তারা সরকার নির্ধারিত দামে বিক্রি করছেন।
মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে জ্বালানি তেলের বিশ্ববাজারের অস্থিরতা এলপি গ্যাস তৈরির উপাদান প্রোপেন-বিউটেনের দামও বাড়িয়ে দিয়েছে। এর প্রভাব হিসাব করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ১২ কেজির একটি সিলিন্ডারের দাম ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১৭২৮ টাকা নির্ধারণ করেছে।
তবে নতুন দাম কার্যকর হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অতিরিক্ত দাম বাড়ার প্রভাব দেখা গেছে। কারওয়ানবাজারে ১২ কেজির সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার টাকায়, আফতাবনগরে আরও ২০০ টাকা বেশি, আর মোহাম্মদপুর-বসিলায় বিক্রি হচ্ছে ১৮৫০ থেকে ১৯০০ টাকায়।
সরকার দাম বাড়ানোর পরও অতিরিক্ত মূল্যে কিনতে বাধ্য হওয়ায় ক্ষুব্ধ ক্রেতারা। কারওয়ানবাজারে এলপি গ্যাস কেনার জন্য আসা হাসান বলেন, সরকার দাম বাড়ালেও সেই দামে কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না গ্যাস। অতিরিক্ত টাকা দিতে হচ্ছে। এতে বোঝা শুধুই ভোক্তাদের কাঁধেই পড়েছে। বিক্রেতাদের অভিযোগ, ডিলারদের থেকে বেশি দামে গ্যাস কিনতে হচ্ছে, তাই বিক্রেতারাও বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। খুচরা বিক্রেতা নাজমুল বলেন, ডিলাররা বেশি দামে সিলিন্ডার নিতে বাধ্য করছে, তাই আমাদেরও বিক্রি করতে হচ্ছে কিছুটা বেশিতে।
অন্যদিকে, ডিলাররা বলছেন, তারা সরকার নির্ধারিত দামেই সিলিন্ডার বিক্রি করছেন। অতিরিক্ত দাম নেয়ার কোনো ঘটনা নেই। এই পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগীরা সরকারের কার্যকর নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন, যাতে অতিরিক্ত ব্যয়ের বোঝা কমানো যায় এবং বাজার স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হয়।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে জ্বালানি তেলের বিশ্ববাজারের অস্থিরতা এলপি গ্যাস তৈরির উপাদান প্রোপেন-বিউটেনের দামও বাড়িয়ে দিয়েছে। এর প্রভাব হিসাব করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ১২ কেজির একটি সিলিন্ডারের দাম ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১৭২৮ টাকা নির্ধারণ করেছে।
তবে নতুন দাম কার্যকর হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অতিরিক্ত দাম বাড়ার প্রভাব দেখা গেছে। কারওয়ানবাজারে ১২ কেজির সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার টাকায়, আফতাবনগরে আরও ২০০ টাকা বেশি, আর মোহাম্মদপুর-বসিলায় বিক্রি হচ্ছে ১৮৫০ থেকে ১৯০০ টাকায়।
সরকার দাম বাড়ানোর পরও অতিরিক্ত মূল্যে কিনতে বাধ্য হওয়ায় ক্ষুব্ধ ক্রেতারা। কারওয়ানবাজারে এলপি গ্যাস কেনার জন্য আসা হাসান বলেন, সরকার দাম বাড়ালেও সেই দামে কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না গ্যাস। অতিরিক্ত টাকা দিতে হচ্ছে। এতে বোঝা শুধুই ভোক্তাদের কাঁধেই পড়েছে। বিক্রেতাদের অভিযোগ, ডিলারদের থেকে বেশি দামে গ্যাস কিনতে হচ্ছে, তাই বিক্রেতারাও বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। খুচরা বিক্রেতা নাজমুল বলেন, ডিলাররা বেশি দামে সিলিন্ডার নিতে বাধ্য করছে, তাই আমাদেরও বিক্রি করতে হচ্ছে কিছুটা বেশিতে।
অন্যদিকে, ডিলাররা বলছেন, তারা সরকার নির্ধারিত দামেই সিলিন্ডার বিক্রি করছেন। অতিরিক্ত দাম নেয়ার কোনো ঘটনা নেই। এই পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগীরা সরকারের কার্যকর নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন, যাতে অতিরিক্ত ব্যয়ের বোঝা কমানো যায় এবং বাজার স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হয়।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন