মাদারীপুরে হাম-রোবেলায় আক্রান্ত হয়ে এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় জেলাজুড়ে ছড়িয়েছে আতঙ্ক। উদ্যোগজনকভাবে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। তবে চিকিৎসকরা বলছেন, আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হতে হবে। সংক্রমণ রোধে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ তাদের।
সাম্প্রতিক সময়ে হামের প্রকোপ আশঙ্কাজনক হারে বেড়েই চলেছে। জেলার ৪টি উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিনই হাসপাতালগুলোতে আসছে নতুন নতুন রোগী। তথ্যমতে, জেলায় এখন পর্যন্ত ২৪ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ১২ জন শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। চিকিৎসা শেষে ৭ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছে আরও ৮ জন। এতে করে সন্তানদের নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন অভিভাবকরা। এদিকে, তিন দিন আগে আদিবা নামের এক শিশুর মৃত্যুতে পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে শোক ও আতঙ্ক।
পুর্ব মহিষেরচর সাহিন বেপারীর ৬ মাসের শিশু জায়েদ বেপারী গত ৫ দিন ধরে সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।তিনি জানান, "আমরা খুব ভয় পাচ্ছি, বাচ্চাদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। ঘরে ঘরে এই অসুখ দেখা দিচ্ছে, আমরা বুঝতে পারছি না কী করবো।" সদর হাসপাতালের সিনিয়র শিশু কনসালটেন্ট ডা.জহিরুল ইসলাম ফিরোজ বলেন, এ রোগে আতঙ্ক না হয়ে সচেতনতা হওয়া জরুরী। বাড়িতে কবিরাজি ঝাড় ফুক নাদিয়ে হাসপাতালে আসার আহবান জানান। বিশেষ করে যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতার পরামর্শ তাদের। সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা:অখিল সরকার জানান, "হাম নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে যেসব শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাদের ক্ষেত্রে জটিলতা হতে পারে। তাই দ্রুত হাসপাতালে আসতে হবে।"
রোগীর চাপ বাড়ায় এবং জনবল সংকটে সেবা দিতে কিছুটা হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবে আক্রান্ত শিশুদের জন্য চালু করা হয়েছে আলাদা ওয়ার্ড। মাদারীপুরের সিভিল সার্জন ডা:মোহাম্মদশরীফুল আবেদীন কম জানান,মাদারীপুর জেলায় বর্তমানে ৫ হাজার ৩১২ ডোজ টিকা মজুদ রয়েছে। যা দিয়ে প্রায় আড়াই হাজার শিশুকে হামের সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব। সময়মতো টিকা নিশ্চিত করা এবং আক্রান্ত শিশুদের পুষ্টিকর খাবার ও সঠিক চিকিৎসা দিলে দ্রুতই এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
সাম্প্রতিক সময়ে হামের প্রকোপ আশঙ্কাজনক হারে বেড়েই চলেছে। জেলার ৪টি উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিনই হাসপাতালগুলোতে আসছে নতুন নতুন রোগী। তথ্যমতে, জেলায় এখন পর্যন্ত ২৪ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ১২ জন শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। চিকিৎসা শেষে ৭ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছে আরও ৮ জন। এতে করে সন্তানদের নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন অভিভাবকরা। এদিকে, তিন দিন আগে আদিবা নামের এক শিশুর মৃত্যুতে পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে শোক ও আতঙ্ক।
পুর্ব মহিষেরচর সাহিন বেপারীর ৬ মাসের শিশু জায়েদ বেপারী গত ৫ দিন ধরে সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।তিনি জানান, "আমরা খুব ভয় পাচ্ছি, বাচ্চাদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। ঘরে ঘরে এই অসুখ দেখা দিচ্ছে, আমরা বুঝতে পারছি না কী করবো।" সদর হাসপাতালের সিনিয়র শিশু কনসালটেন্ট ডা.জহিরুল ইসলাম ফিরোজ বলেন, এ রোগে আতঙ্ক না হয়ে সচেতনতা হওয়া জরুরী। বাড়িতে কবিরাজি ঝাড় ফুক নাদিয়ে হাসপাতালে আসার আহবান জানান। বিশেষ করে যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতার পরামর্শ তাদের। সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা:অখিল সরকার জানান, "হাম নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে যেসব শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাদের ক্ষেত্রে জটিলতা হতে পারে। তাই দ্রুত হাসপাতালে আসতে হবে।"
রোগীর চাপ বাড়ায় এবং জনবল সংকটে সেবা দিতে কিছুটা হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবে আক্রান্ত শিশুদের জন্য চালু করা হয়েছে আলাদা ওয়ার্ড। মাদারীপুরের সিভিল সার্জন ডা:মোহাম্মদশরীফুল আবেদীন কম জানান,মাদারীপুর জেলায় বর্তমানে ৫ হাজার ৩১২ ডোজ টিকা মজুদ রয়েছে। যা দিয়ে প্রায় আড়াই হাজার শিশুকে হামের সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব। সময়মতো টিকা নিশ্চিত করা এবং আক্রান্ত শিশুদের পুষ্টিকর খাবার ও সঠিক চিকিৎসা দিলে দ্রুতই এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন