আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগেই পটুয়াখালী ১৩২০ মেগাওয়াট (আরপিসিএল-নোরিনকো) তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে । কয়লাভিত্তিক এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ২০২৫ সালের ১৮ জানুয়ারি পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম ইউনিট (৬৬০ মেগাওয়াট) উৎপাদন শুরু করে। উৎপাদনের পরই উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করে আসছিল। পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয় ২০২৫ সালের জুন মাসে। কিন্তু আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়নি। উল্টো প্রায় দুই মাস আগে এই বিদ্যুৎ প্লান্টের চালু হওয়া প্রথম ইউনিটটি বন্ধ হয়ে গেছে। কয়লা সংকটের পাশাপাশি বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের জটিলতার কারনে পাওয়ার প্লান্টটি বন্ধের আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।
এনিয়ে পাওয়ার প্লান্টের দায়িত্বশীল পর্যায়ের কেউ মুখ খুলতে রাজি হননি। তবে পায়রা বন্দরসূত্রে জানা গেছে, সর্বশেষ এই পাওয়ার প্লান্টের জন্য ১৯ মার্চ কয়লাবাহী একটি মাদার ভেসেল (ডেজার্ট ভিক্টোরি) চট্টগ্রামে এসে পৌছেছে। সেখান থেকে লাইটারিং করে কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পৌছানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এরপরও কবে নাগাদ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ফের উৎপাদনে ফিরবে তা কেউ নিশ্চিত করে জানাতে পারেননি। এনিয়ে এক ধরনের ধুম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে।
অন্তত ২৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ১৩২০ মেগাওয়াট বিদুৎ উৎপাদনের সক্ষমতার এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পটুয়াখালীর কলাপাড়ার ধানখালীতে নির্মিত হয়। ২০২৪ সালের ৩ মে এই বিদ্যুৎ প্লান্টে প্রথম কয়লাবাহী জাহাজ পৌছেছিল। এটি পুরোদমে চালু হলে জাতীয় গ্রিডে বড় অবদান রাখার কথা বলেছিলেন এখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। কিন্ত্র প্রথম ইউনিট পরীক্ষামূলকভাবে চালুর পরেই আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগেই বন্ধ হয়ে গেলো। তবে এটি সাময়িক কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এটি পুর্নাক্সগভাবে চারুর জহন্য বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের এশাধিক টিম পরিদর্শন করেছেন।
রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (আরপিসিএল) এবং চীনের নোরিনকো ইন্টারন্যাশনাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (নোরিনকো)-এর যৌথ উদ্যোগে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মিত হয়। আল্ট্রা সুপারক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই পাওয়ার প্লান্টটি নির্মিত হয়। উৎপাদিত বিদ্যুৎ ৪৪০ কেভি সঞ্চালন লাইনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ শুরু করেছিল। কর্তৃপক্ষের দাবি, কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলেও আলট্রা-সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি এবং ইএসপি ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।
বর্তমানে বিদ্যুৎ প্লান্টের প্রথম ইফনিটটি বন্ধের ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে পটুয়াখালী ১৩২০ মেগাওয়াট (আরপিএল-নোরিনকো) এর প্রকল্প পরিচালক তৌফিক ইসলামকে একাধিকবার মোবাইল করলেও তিনি রিসিভ করেননি। ধানখালী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিন তালুকদার জানান, এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি এখন বন্ধ রয়েছে। চুল্লিতে ধোয়া উড়তে দেখেন না। তবে কবে নাগাদ বন্ধ হয়ে আছে তা নিশ্চিত করে জানাতে পারেননি। স্থানীয় লোকজন জানান, বিদ্যুতের চলমান সংকটে এই বিদ্যুৎ প্লান্টটি দ্রুত সচল করা হোক।
বাংলাস্কুপ/মেজবাহউদ্দিন মাননু/এনআইএন
এনিয়ে পাওয়ার প্লান্টের দায়িত্বশীল পর্যায়ের কেউ মুখ খুলতে রাজি হননি। তবে পায়রা বন্দরসূত্রে জানা গেছে, সর্বশেষ এই পাওয়ার প্লান্টের জন্য ১৯ মার্চ কয়লাবাহী একটি মাদার ভেসেল (ডেজার্ট ভিক্টোরি) চট্টগ্রামে এসে পৌছেছে। সেখান থেকে লাইটারিং করে কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পৌছানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এরপরও কবে নাগাদ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ফের উৎপাদনে ফিরবে তা কেউ নিশ্চিত করে জানাতে পারেননি। এনিয়ে এক ধরনের ধুম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে।
অন্তত ২৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ১৩২০ মেগাওয়াট বিদুৎ উৎপাদনের সক্ষমতার এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পটুয়াখালীর কলাপাড়ার ধানখালীতে নির্মিত হয়। ২০২৪ সালের ৩ মে এই বিদ্যুৎ প্লান্টে প্রথম কয়লাবাহী জাহাজ পৌছেছিল। এটি পুরোদমে চালু হলে জাতীয় গ্রিডে বড় অবদান রাখার কথা বলেছিলেন এখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। কিন্ত্র প্রথম ইউনিট পরীক্ষামূলকভাবে চালুর পরেই আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগেই বন্ধ হয়ে গেলো। তবে এটি সাময়িক কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এটি পুর্নাক্সগভাবে চারুর জহন্য বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের এশাধিক টিম পরিদর্শন করেছেন।
রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (আরপিসিএল) এবং চীনের নোরিনকো ইন্টারন্যাশনাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (নোরিনকো)-এর যৌথ উদ্যোগে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মিত হয়। আল্ট্রা সুপারক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই পাওয়ার প্লান্টটি নির্মিত হয়। উৎপাদিত বিদ্যুৎ ৪৪০ কেভি সঞ্চালন লাইনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ শুরু করেছিল। কর্তৃপক্ষের দাবি, কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলেও আলট্রা-সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি এবং ইএসপি ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।
বর্তমানে বিদ্যুৎ প্লান্টের প্রথম ইফনিটটি বন্ধের ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে পটুয়াখালী ১৩২০ মেগাওয়াট (আরপিএল-নোরিনকো) এর প্রকল্প পরিচালক তৌফিক ইসলামকে একাধিকবার মোবাইল করলেও তিনি রিসিভ করেননি। ধানখালী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিন তালুকদার জানান, এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি এখন বন্ধ রয়েছে। চুল্লিতে ধোয়া উড়তে দেখেন না। তবে কবে নাগাদ বন্ধ হয়ে আছে তা নিশ্চিত করে জানাতে পারেননি। স্থানীয় লোকজন জানান, বিদ্যুতের চলমান সংকটে এই বিদ্যুৎ প্লান্টটি দ্রুত সচল করা হোক।
বাংলাস্কুপ/মেজবাহউদ্দিন মাননু/এনআইএন