স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রমের স্ত্রীর জানাযায় অংশ নিতে সংসদ ভবনে প্রবেশের সময় এক ব্যক্তি মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ উদ্দীন আহমাদ হানজালাকে জঙ্গি সম্বোধন করেছেন বলে অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, সেই ব্যক্তি তাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “ওই যে জঙ্গি এমপি যাচ্ছে।” বিষয়টি নিয়ে স্পিকারের কাছে তদন্ত চেয়েছেন হানজালা।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে ৭১ বিধিতে দাঁড়িয়ে স্পিকারের কাছে এই তদন্ত চান তিনি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের সপ্তম দিনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম।
পয়েন্ট অফ অর্ডার দাঁড়িয়ে মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ উদ্দীন আহমাদ হানজালা বলেন, “আমি প্রথমবার দাঁড়িয়ে কথা বলছি— আসলে এভাবে কথা বলতে চাইনি। চেয়েছিলাম যখন আমার সময় আসবে আনুষ্ঠানিকভাবে একটু সুন্দরভাবে কথা বলবো। কিন্তু দুঃখের সঙ্গে বলতে হচ্ছে— গত ২৩ মার্চ আপনার সহধর্মিনীর জানাযায় আমি গিয়েছিলাম এবং উপস্থিত হয়েছিলাম। দক্ষিণ প্লাজা থেকে যখন আমি ভেতরে ঢুকবো একদম কাছাকাছি, পেছন থেকে কেউ একজন আমাকে সম্বোধন করছিল— ‘ওই যে জঙ্গি এমপি যাচ্ছে’।”
ঘটনার উল্লেখ করে হানজালা স্পিকারকে বলেন, “একটু পর সোশ্যাল মিডিয়াতে দেখলাম যে, এই বিষয়ে খুব লেখালেখি এবং আলোচনা চলছে। জাতীয় সংসদের একজন রানিং এমপিকে সংসদের কাছে যখন জঙ্গি বলে সম্বোধন করা হয়, এটার জন্যে এই সংসদের মান ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলে আমি মনে করছি।”
স্পিকারকে অনুরোধ করে তিনি বলেন, “এজন্য আমি আপনার কাছে একটি অনুরোধ করবো, আমাকে জঙ্গি বলার কারণ আমার মাথায় একটি পাগড়ি রয়েছে এবং আমার চলায় সাদা পাঞ্জাবি সুন্নতে রাসূল রয়েছে— এর জন্য হয়তো তিনি আমাকে ওইভাবে ‘জঙ্গি’ বলে সম্বোধন করেছেন। আমি মনে করি, আল্লাহর নবীর সুন্নত এবং এই পোশাক কোনোদিন জঙ্গির সিম্বল হতে পারে না। এজন্য আমি আপনার কাছে একটি অনুরোধ করতে চাই— আপনি সিসি ফুটেজ দেখে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সংসদের নিরাপত্তা বাহিনীকে অনুরোধ করবেন বা নির্দেশ দিন কারা এই কাজটি করেছে, (তা খুঁজে বের করতে)?” এই প্রেক্ষিতে তিনি বিষয়টি পরিষ্কার করার জন্য স্পিকারের মাধ্যমে তদন্তের দাবি জানান।
এর জবাবে স্পিকার বিষয়টিকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে অভিহিত করেন এবং সেই সংসদ সদস্যকে একটি নোটিশ দেওয়ার আহ্বান জানান। বিষয়টি বিবেচনা করা হবে বলেও জানান স্পিকার।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে ৭১ বিধিতে দাঁড়িয়ে স্পিকারের কাছে এই তদন্ত চান তিনি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের সপ্তম দিনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম।
পয়েন্ট অফ অর্ডার দাঁড়িয়ে মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ উদ্দীন আহমাদ হানজালা বলেন, “আমি প্রথমবার দাঁড়িয়ে কথা বলছি— আসলে এভাবে কথা বলতে চাইনি। চেয়েছিলাম যখন আমার সময় আসবে আনুষ্ঠানিকভাবে একটু সুন্দরভাবে কথা বলবো। কিন্তু দুঃখের সঙ্গে বলতে হচ্ছে— গত ২৩ মার্চ আপনার সহধর্মিনীর জানাযায় আমি গিয়েছিলাম এবং উপস্থিত হয়েছিলাম। দক্ষিণ প্লাজা থেকে যখন আমি ভেতরে ঢুকবো একদম কাছাকাছি, পেছন থেকে কেউ একজন আমাকে সম্বোধন করছিল— ‘ওই যে জঙ্গি এমপি যাচ্ছে’।”
ঘটনার উল্লেখ করে হানজালা স্পিকারকে বলেন, “একটু পর সোশ্যাল মিডিয়াতে দেখলাম যে, এই বিষয়ে খুব লেখালেখি এবং আলোচনা চলছে। জাতীয় সংসদের একজন রানিং এমপিকে সংসদের কাছে যখন জঙ্গি বলে সম্বোধন করা হয়, এটার জন্যে এই সংসদের মান ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলে আমি মনে করছি।”
স্পিকারকে অনুরোধ করে তিনি বলেন, “এজন্য আমি আপনার কাছে একটি অনুরোধ করবো, আমাকে জঙ্গি বলার কারণ আমার মাথায় একটি পাগড়ি রয়েছে এবং আমার চলায় সাদা পাঞ্জাবি সুন্নতে রাসূল রয়েছে— এর জন্য হয়তো তিনি আমাকে ওইভাবে ‘জঙ্গি’ বলে সম্বোধন করেছেন। আমি মনে করি, আল্লাহর নবীর সুন্নত এবং এই পোশাক কোনোদিন জঙ্গির সিম্বল হতে পারে না। এজন্য আমি আপনার কাছে একটি অনুরোধ করতে চাই— আপনি সিসি ফুটেজ দেখে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সংসদের নিরাপত্তা বাহিনীকে অনুরোধ করবেন বা নির্দেশ দিন কারা এই কাজটি করেছে, (তা খুঁজে বের করতে)?” এই প্রেক্ষিতে তিনি বিষয়টি পরিষ্কার করার জন্য স্পিকারের মাধ্যমে তদন্তের দাবি জানান।
এর জবাবে স্পিকার বিষয়টিকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে অভিহিত করেন এবং সেই সংসদ সদস্যকে একটি নোটিশ দেওয়ার আহ্বান জানান। বিষয়টি বিবেচনা করা হবে বলেও জানান স্পিকার।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে