বরিশালের চরমোনাইয়ে দেশের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় সমাবেশ তিন দিনব্যাপী ফাল্গুনের বার্ষিক মাহফিল আজ বুধবার (১ এপ্রিল) থেকে শুরু হচ্ছে। প্রতি বছরের মতো এবারও লাখো মুসল্লির উপস্থিতিতে জমজমাট এই মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।
পহেলা এপ্রিল জোহর নামাজের পর পীর সাহেব চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করিমের উদ্বোধনী বয়ানের মধ্য দিয়ে মাহফিলের আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে। তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে তিনি ফজর ও মাগরিবের পর গুরুত্বপূর্ণ বয়ান পেশ করবেন। পাশাপাশি নায়েবে আমিরুল মুজাহিদীন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করিম বিভিন্ন সময়ে ধর্মীয় দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখবেন। মাহফিলে দেশের শীর্ষস্থানীয় ওলামায়ে কেরাম, পীর-মাশায়েখ ও ইসলামী চিন্তাবিদরা অংশ নিয়ে কোরআন-হাদিসের আলোকে সমসাময়িক নানা বিষয়ে আলোচনা করবেন।
আয়োজকরা জানান, এবারের মাহফিলকে কেন্দ্র করে ছয়টি বিশাল মাঠ প্রস্তুত করা হয়েছে। যাতে বিপুলসংখ্যক মুসল্লির উপস্থিতি সামাল দেওয়া যায়। ইতোমধ্যে মাঠগুলোতে মাইকিং, উন্নত সাউন্ড সিস্টেম, পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা সম্পন্ন হয়েছে। নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্বেচ্ছাসেবক টিম কাজ করবে। এছাড়া জরুরি চিকিৎসা সেবার জন্য ১৫০ শয্যার একটি অস্থায়ী হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যেখানে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন।
মাহফিলের দ্বিতীয় দিনে জাতীয় ওলামা-মাশায়েখ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত আলেমরা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও দিকনির্দেশনা দেবেন। তৃতীয় দিনে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ, ইসলামী যুব, ছাত্র ও শ্রমিক আন্দোলনের উদ্যোগে বৃহৎ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজকরা আরও জানান, দূর-দূরান্ত থেকে আগত মুসল্লিদের জন্য থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা ও যানবাহন নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
আজ বুধবার (১ এপ্রিল) শুরু হয়ে ৪ এপ্রিল শনিবার ফজর নামাজের পর আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে মাহফিলের সমাপ্তি ঘটবে। এ সময় দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
পহেলা এপ্রিল জোহর নামাজের পর পীর সাহেব চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করিমের উদ্বোধনী বয়ানের মধ্য দিয়ে মাহফিলের আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে। তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে তিনি ফজর ও মাগরিবের পর গুরুত্বপূর্ণ বয়ান পেশ করবেন। পাশাপাশি নায়েবে আমিরুল মুজাহিদীন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করিম বিভিন্ন সময়ে ধর্মীয় দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখবেন। মাহফিলে দেশের শীর্ষস্থানীয় ওলামায়ে কেরাম, পীর-মাশায়েখ ও ইসলামী চিন্তাবিদরা অংশ নিয়ে কোরআন-হাদিসের আলোকে সমসাময়িক নানা বিষয়ে আলোচনা করবেন।
আয়োজকরা জানান, এবারের মাহফিলকে কেন্দ্র করে ছয়টি বিশাল মাঠ প্রস্তুত করা হয়েছে। যাতে বিপুলসংখ্যক মুসল্লির উপস্থিতি সামাল দেওয়া যায়। ইতোমধ্যে মাঠগুলোতে মাইকিং, উন্নত সাউন্ড সিস্টেম, পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা সম্পন্ন হয়েছে। নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্বেচ্ছাসেবক টিম কাজ করবে। এছাড়া জরুরি চিকিৎসা সেবার জন্য ১৫০ শয্যার একটি অস্থায়ী হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যেখানে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন।
মাহফিলের দ্বিতীয় দিনে জাতীয় ওলামা-মাশায়েখ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত আলেমরা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও দিকনির্দেশনা দেবেন। তৃতীয় দিনে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ, ইসলামী যুব, ছাত্র ও শ্রমিক আন্দোলনের উদ্যোগে বৃহৎ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজকরা আরও জানান, দূর-দূরান্ত থেকে আগত মুসল্লিদের জন্য থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা ও যানবাহন নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
আজ বুধবার (১ এপ্রিল) শুরু হয়ে ৪ এপ্রিল শনিবার ফজর নামাজের পর আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে মাহফিলের সমাপ্তি ঘটবে। এ সময় দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন