অস্ট্রেলিয়ায় বক্তৃতা দেয়ার সময় হিটলারের প্রশংসা করার অভিযোগে বাংলাদেশের জনপ্রিয় ধর্মীয় বক্তা মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারির ভিসা বাতিল করা হয়েছে। মিজানুর রহমান আজহারীর ঘটনাটি সর্বপ্রথম ডেইলি মেইল প্রকাশ করেছে। যার অনলাইনে ১০ মিলিয়ন অনুসারী রয়েছে এবং যিনি এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও পশ্চিমা প্রবাসী সম্প্রদায়গুলোতে বক্তৃতা দিয়ে থাকেন।
বাংলাদেশি এই বক্তা তার ‘বিশ্বাসের উত্তরাধিকার’ সিরিজের অংশ হিসেবে ইস্টার উপলক্ষে অস্ট্রেলিয়া সফর করছিলেন, যার মধ্যে ব্রিসবেন, মেলবোর্ন, সিডনি ও ক্যানবেরায় যাত্রাবিরতি ছিল। জানা গেছে, মঙ্গলবার আজহারির ভিসা বাতিল করা হয়। তিনি এখন প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায় আছেন। এদিকে, আজহারি হিটলারকে ইহুদিদের জন্য ‘ঐশ্বরিক শাস্তি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ঘোষণা করেছেন যে ‘ইহুদিরা বিশ্বের সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী’ এবং তাদেরকে ‘বিষাক্ত কলঙ্ক’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি আরও দাবি করেন যে, ‘এইডস সহ বিশ্বের বিভিন্ন সমস্যার’ জন্য ইহুদিরাই দায়ী এবং অভিযোগ করেন যে, তারাই এই রোগটি আবিষ্কার করেছে।
এদিকে, লিবারেল সিনেটর জোনাথন ডুনিয়াম বুধবার সকালে জানান, আজহারির আগমন সম্পর্কে তাকে এবং অন্যান্য সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন গোষ্ঠী সতর্ক করেছিল। ‘আমি জানি, মন্ত্রী নিজেসহ বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য বাংলাদেশে অবস্থিত অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেশন ফর এথনিক অ্যান্ড রিলিজিয়াস মাইনরিটিজ-সহ বিভিন্ন গোষ্ঠীর কাছ থেকে যোগাযোগ পেয়েছেন।’ তিনি বুধবার সিনেটে বলেন। তার বক্তৃতা সফর সোমবার রাতে ব্রিসবেনে শুরু হয়েছে এবং এটি ৩ এপ্রিল মেলবোর্ন, ৪ এপ্রিল সিডনি এবং ৬ এপ্রিল ক্যানবেরায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
বাংলাদেশি এই বক্তা তার ‘বিশ্বাসের উত্তরাধিকার’ সিরিজের অংশ হিসেবে ইস্টার উপলক্ষে অস্ট্রেলিয়া সফর করছিলেন, যার মধ্যে ব্রিসবেন, মেলবোর্ন, সিডনি ও ক্যানবেরায় যাত্রাবিরতি ছিল। জানা গেছে, মঙ্গলবার আজহারির ভিসা বাতিল করা হয়। তিনি এখন প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায় আছেন। এদিকে, আজহারি হিটলারকে ইহুদিদের জন্য ‘ঐশ্বরিক শাস্তি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ঘোষণা করেছেন যে ‘ইহুদিরা বিশ্বের সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী’ এবং তাদেরকে ‘বিষাক্ত কলঙ্ক’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি আরও দাবি করেন যে, ‘এইডস সহ বিশ্বের বিভিন্ন সমস্যার’ জন্য ইহুদিরাই দায়ী এবং অভিযোগ করেন যে, তারাই এই রোগটি আবিষ্কার করেছে।
এদিকে, লিবারেল সিনেটর জোনাথন ডুনিয়াম বুধবার সকালে জানান, আজহারির আগমন সম্পর্কে তাকে এবং অন্যান্য সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন গোষ্ঠী সতর্ক করেছিল। ‘আমি জানি, মন্ত্রী নিজেসহ বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য বাংলাদেশে অবস্থিত অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেশন ফর এথনিক অ্যান্ড রিলিজিয়াস মাইনরিটিজ-সহ বিভিন্ন গোষ্ঠীর কাছ থেকে যোগাযোগ পেয়েছেন।’ তিনি বুধবার সিনেটে বলেন। তার বক্তৃতা সফর সোমবার রাতে ব্রিসবেনে শুরু হয়েছে এবং এটি ৩ এপ্রিল মেলবোর্ন, ৪ এপ্রিল সিডনি এবং ৬ এপ্রিল ক্যানবেরায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন