ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সংঘাতের প্রেক্ষাপটে রাশিয়া ঘনিষ্ঠ চেচেন বাহিনীর কিছু বক্তব্য ও অবস্থান নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে।
রাশিয়ার স্বায়ত্তশাসিত চেচনিয়া অঞ্চলের নেতা রমজান কাদিরভের অনুসারী হিসেবে পরিচিত চেচেন আধাসামরিক ইউনিটগুলো অতীতে বিভিন্ন সংঘাতে রাশিয়ার পক্ষে অংশ নিয়েছে। বিশেষ করে ইউক্রেন যুদ্ধেও তারা সক্রিয় ভূমিকা রাখছে বলে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই বাহিনীর একটি অংশ, ‘কাদিরোভতসি’ নামে পরিচিত, আরবান যুদ্ধ, ড্রোন অপারেশন ও স্নাইপার কৌশলে দক্ষ হিসেবে পরিচিত। তাদের কার্যক্রম ও বক্তব্য প্রায়ই আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনার জন্ম দেয়।
সম্প্রতি চেচেন স্পেশাল ফোর্স ‘আখমত’-এর কমান্ডার আপতি আলাউদিনভ এক ভিডিও বার্তায় দাবি করেন, রাশিয়ার অনুমোদন পেলে তাদের যোদ্ধারা ইরানে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত। তবে এ ধরনের বক্তব্য এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের প্রতিফলন কি না, তা স্পষ্ট নয়।
বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের বক্তব্যকে সরাসরি সামরিক পদক্ষেপ হিসেবে না দেখে রাজনৈতিক ও কৌশলগত বার্তা হিসেবেও বিবেচনা করা হতে পারে। কারণ, রাশিয়া সরাসরি যুদ্ধে জড়ানোর পরিবর্তে মিত্রপক্ষকে বিভিন্নভাবে সমর্থন দেওয়ার কৌশল গ্রহণ করতে পারে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যসহ কিছু বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা যাচাই–বাছাই ছাড়া প্রচারিত হচ্ছে বলে সতর্ক করছেন বিশ্লেষকেরা।
তারা বলছেন, চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে বিভিন্ন পক্ষের প্রচারমূলক বক্তব্য, তথ্যযুদ্ধ ও বিভ্রান্তিকর তথ্যও বাড়তে পারে। তাই এ ধরনের সংবাদের ক্ষেত্রে সতর্কতা ও যাচাই জরুরি।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
রাশিয়ার স্বায়ত্তশাসিত চেচনিয়া অঞ্চলের নেতা রমজান কাদিরভের অনুসারী হিসেবে পরিচিত চেচেন আধাসামরিক ইউনিটগুলো অতীতে বিভিন্ন সংঘাতে রাশিয়ার পক্ষে অংশ নিয়েছে। বিশেষ করে ইউক্রেন যুদ্ধেও তারা সক্রিয় ভূমিকা রাখছে বলে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই বাহিনীর একটি অংশ, ‘কাদিরোভতসি’ নামে পরিচিত, আরবান যুদ্ধ, ড্রোন অপারেশন ও স্নাইপার কৌশলে দক্ষ হিসেবে পরিচিত। তাদের কার্যক্রম ও বক্তব্য প্রায়ই আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনার জন্ম দেয়।
সম্প্রতি চেচেন স্পেশাল ফোর্স ‘আখমত’-এর কমান্ডার আপতি আলাউদিনভ এক ভিডিও বার্তায় দাবি করেন, রাশিয়ার অনুমোদন পেলে তাদের যোদ্ধারা ইরানে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত। তবে এ ধরনের বক্তব্য এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের প্রতিফলন কি না, তা স্পষ্ট নয়।
বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের বক্তব্যকে সরাসরি সামরিক পদক্ষেপ হিসেবে না দেখে রাজনৈতিক ও কৌশলগত বার্তা হিসেবেও বিবেচনা করা হতে পারে। কারণ, রাশিয়া সরাসরি যুদ্ধে জড়ানোর পরিবর্তে মিত্রপক্ষকে বিভিন্নভাবে সমর্থন দেওয়ার কৌশল গ্রহণ করতে পারে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যসহ কিছু বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা যাচাই–বাছাই ছাড়া প্রচারিত হচ্ছে বলে সতর্ক করছেন বিশ্লেষকেরা।
তারা বলছেন, চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে বিভিন্ন পক্ষের প্রচারমূলক বক্তব্য, তথ্যযুদ্ধ ও বিভ্রান্তিকর তথ্যও বাড়তে পারে। তাই এ ধরনের সংবাদের ক্ষেত্রে সতর্কতা ও যাচাই জরুরি।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে