চট্টগ্রামে দুই শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। হামের উপসর্গ নিয়ে তিনটি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে আরও ২৫ শিশু। চট্টগ্রাম স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
সোমবার (৩০ মার্চ) চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল এবং চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে সর্দি, কাশি ও জ্বরসহ হামের উপসর্গ নিয়ে ২৫ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম মহানগরী ও জেলার ১৫টি উপজেলা থেকে এখন পর্যন্ত ৪০ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৩৮ জনের ফলাফল নেগেটিভ এসেছে এবং দুই শিশুর শরীরে হাম পজিটিভ হয়েছে।
হাম আক্রান্ত দুই শিশুর মধ্যে একজন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এবং অন্যজন আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা সিভিল সার্জন।
এদিকে, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৮ শিশুর মধ্যে ১৭ জনই নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত। মাত্র একজন শিশুর শরীরে হাম এবং একজনের রুবেলা শনাক্ত হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে।
সোমবার সকালে হাসপাতালের শিশুস্বাস্থ্য বিভাগের মিজেলস ব্লক পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
পরিদর্শন শেষে মেয়র বলেন, সারাদেশে শিশুদের মধ্যে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলেও চট্টগ্রামে এখনও উদ্বেগজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি। সম্প্রতি যে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তারা মূলত সেকেন্ডারি নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতায় মারা গেছে, সরাসরি হামের কারণে নয়।
তিনি বলেন, জ্বর বা শরীরে র্যাশ দেখা দিলেই সেটিকে হাম বলে ধরে নেয়া ঠিক নয়। বর্তমানে অধিকাংশ শিশু শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়া নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
গুরুতর অসুস্থ শিশুদের চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ২০ বেডের নিউনেটাল আইসিইউ এবং পেডিয়াট্রিক আইসিইউ সুবিধা রয়েছে বলেও মেয়র জানান।
চসিক মেয়র আরও বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নিয়মিত ইপিআই টিকার পাশাপাশি ১০ বছর বয়সী মেয়েদের জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকা এবং ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী প্রায় ১০ লাখ শিশুকে টাইফয়েড টিকা দিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে টিকার পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং কোনও ঘাটতি নেই।
এর আগে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ের এক বার্তায় জানানো হয়, ২৯ মার্চ রাত ১০টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে দুই জন, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১১ জন এবং চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে চার জন রোগী সন্দেহজনক হাম উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এসব রোগীর নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এখন পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যুর কোনও তথ্য নথিভুক্ত হয়নি।
সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম জানান, জেলা হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হামের রোগীদের জন্য আলাদা বিশেষ কর্নারও খোলা হয়েছে।
চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিশুস্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান ডা. মোহাম্মদ মুছা মিঞা বলেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা কাশি ও হাঁচির মাধ্যমে দ্রুত ছড়ায়। সাধারণত জ্বর, সর্দি, কাশি ও চোখ লাল হওয়ার পর শরীরে লালচে ফুসকুড়ি দেখা দেয়। শিশুদের মধ্যে এ রোগের ঝুঁকি বেশি এবং জটিলতা হলে নিউমোনিয়াসহ অন্য সমস্যা দেখা দিতে পারে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে
সোমবার (৩০ মার্চ) চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল এবং চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে সর্দি, কাশি ও জ্বরসহ হামের উপসর্গ নিয়ে ২৫ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম মহানগরী ও জেলার ১৫টি উপজেলা থেকে এখন পর্যন্ত ৪০ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৩৮ জনের ফলাফল নেগেটিভ এসেছে এবং দুই শিশুর শরীরে হাম পজিটিভ হয়েছে।
হাম আক্রান্ত দুই শিশুর মধ্যে একজন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এবং অন্যজন আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা সিভিল সার্জন।
এদিকে, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৮ শিশুর মধ্যে ১৭ জনই নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত। মাত্র একজন শিশুর শরীরে হাম এবং একজনের রুবেলা শনাক্ত হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে।
সোমবার সকালে হাসপাতালের শিশুস্বাস্থ্য বিভাগের মিজেলস ব্লক পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
পরিদর্শন শেষে মেয়র বলেন, সারাদেশে শিশুদের মধ্যে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলেও চট্টগ্রামে এখনও উদ্বেগজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি। সম্প্রতি যে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তারা মূলত সেকেন্ডারি নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতায় মারা গেছে, সরাসরি হামের কারণে নয়।
তিনি বলেন, জ্বর বা শরীরে র্যাশ দেখা দিলেই সেটিকে হাম বলে ধরে নেয়া ঠিক নয়। বর্তমানে অধিকাংশ শিশু শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়া নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
গুরুতর অসুস্থ শিশুদের চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ২০ বেডের নিউনেটাল আইসিইউ এবং পেডিয়াট্রিক আইসিইউ সুবিধা রয়েছে বলেও মেয়র জানান।
চসিক মেয়র আরও বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নিয়মিত ইপিআই টিকার পাশাপাশি ১০ বছর বয়সী মেয়েদের জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকা এবং ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী প্রায় ১০ লাখ শিশুকে টাইফয়েড টিকা দিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে টিকার পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং কোনও ঘাটতি নেই।
এর আগে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ের এক বার্তায় জানানো হয়, ২৯ মার্চ রাত ১০টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে দুই জন, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১১ জন এবং চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে চার জন রোগী সন্দেহজনক হাম উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এসব রোগীর নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এখন পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যুর কোনও তথ্য নথিভুক্ত হয়নি।
সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম জানান, জেলা হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হামের রোগীদের জন্য আলাদা বিশেষ কর্নারও খোলা হয়েছে।
চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিশুস্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান ডা. মোহাম্মদ মুছা মিঞা বলেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা কাশি ও হাঁচির মাধ্যমে দ্রুত ছড়ায়। সাধারণত জ্বর, সর্দি, কাশি ও চোখ লাল হওয়ার পর শরীরে লালচে ফুসকুড়ি দেখা দেয়। শিশুদের মধ্যে এ রোগের ঝুঁকি বেশি এবং জটিলতা হলে নিউমোনিয়াসহ অন্য সমস্যা দেখা দিতে পারে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে