মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ভেতরে সামরিক অভিযান চালিয়ে ১ হাজার পাউন্ড ইউরেনিয়াম বের করে আনার পরিকল্পনা করছেন। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল-এর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত এই অভিযানের লক্ষ্য হচ্ছে ইরানের মজুত উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া, যাতে দেশটি ভবিষ্যতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জন করতে না পারে। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হলে মার্কিন বাহিনীকে কয়েক দিন বা তারও বেশি সময় ইরানের অভ্যন্তরে অবস্থান করতে হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশেষ করে ইসফাহান পারমাণবিক কেন্দ্রকে ঘিরেই এই অভিযানের আলোচনা বেশি হচ্ছে। সেখানে মজুত থাকা সংবেদনশীল উপাদান আনার পাশাপাশি ধ্বংসের বিষয়টিও ভাবা হচ্ছে। এছাড়া কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ খারগ দ্বীপ দখল কিংবা হরমুজ প্রণালি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টিও পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ওঠে এসেছে।
একই সঙ্গে জানা গেছে, ইরানের তেল সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার বিষয়েও আগ্রহ দেখিয়েছেন ট্রাম্প। এতে করে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি ইরানের তেল সম্পদ দেশটির প্রধান জ্বালানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপ দখলে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছেন।
তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো সতর্ক করে বলছে, এমন কোনো সামরিক অভিযান অত্যন্ত জটিল এবং উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এর ফলে আঞ্চলিক সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
সূত্র : বিবিসি
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত এই অভিযানের লক্ষ্য হচ্ছে ইরানের মজুত উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া, যাতে দেশটি ভবিষ্যতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জন করতে না পারে। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হলে মার্কিন বাহিনীকে কয়েক দিন বা তারও বেশি সময় ইরানের অভ্যন্তরে অবস্থান করতে হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশেষ করে ইসফাহান পারমাণবিক কেন্দ্রকে ঘিরেই এই অভিযানের আলোচনা বেশি হচ্ছে। সেখানে মজুত থাকা সংবেদনশীল উপাদান আনার পাশাপাশি ধ্বংসের বিষয়টিও ভাবা হচ্ছে। এছাড়া কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ খারগ দ্বীপ দখল কিংবা হরমুজ প্রণালি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টিও পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ওঠে এসেছে।
একই সঙ্গে জানা গেছে, ইরানের তেল সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার বিষয়েও আগ্রহ দেখিয়েছেন ট্রাম্প। এতে করে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি ইরানের তেল সম্পদ দেশটির প্রধান জ্বালানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপ দখলে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছেন।
তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো সতর্ক করে বলছে, এমন কোনো সামরিক অভিযান অত্যন্ত জটিল এবং উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এর ফলে আঞ্চলিক সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
সূত্র : বিবিসি
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে