দেশে আবারও উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে হামের সংক্রমণ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, দেশের অন্তত সাত জেলায় বড় আকারে ছড়িয়ে পড়েছে এই সংক্রামক রোগ। সংস্থাটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ঢাকা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, পাবনা, চট্টগ্রাম, যশোর ও নাটোরে হামে আক্রান্তের হার বেশি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকাদানে ঘাটতি ও নজরদারির দুর্বলতার কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে শিশুদের জন্য ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন তাঁরা।
রোববার (২৯ মার্চ) সরকারি দলের সংসদীয় কমিটির বৈঠকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, সাম্প্রতিক এই রোগে আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় ১০০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৈঠক শেষে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি সাংবাদিকদের জানান, সম্প্রতি হামে আক্রান্ত হয়ে ১০০ শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় দুই মন্ত্রীকে সারা দেশ ঘুরে পরিস্থিতি পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
চিফ হুইপ বলেন, ‘সংসদীয় কমিটির বৈঠকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ব্রিফ করেছে। সেখানে হামে আক্রান্ত হয়ে ১০০ শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে। তিনি দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। দুজন মন্ত্রীকে দায়িত্ব দিয়েছেন সারা দেশ ঘুরে পর্যালোচনা করে পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ব্যবস্থা নিতে।’
চিকিৎসকদের মতে, হাম সাধারণত শিশুদের মধ্যেই বেশি দেখা যায়। প্রথমে জ্বর, পরে শরীরে র্যাশ (লালচে দানা)—এভাবেই শুরু হয় এই রোগের লক্ষণ। ধীরে ধীরে তা সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় শিশুদের মধ্যে নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ার মতো জটিলতাও দেখা দিতে পারে, যা প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। তাই শিশুর জ্বর, র্যাশ বা শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের সব সরকারি মেডিকেল কলেজ ও জেলা হাসপাতালকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। তবে বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা—দ্রুত টিকাদান কার্যক্রম জোরদার না করলে এবং টিকার ঘাটতি পূরণ না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকাদানে ঘাটতি ও নজরদারির দুর্বলতার কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে শিশুদের জন্য ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন তাঁরা।
রোববার (২৯ মার্চ) সরকারি দলের সংসদীয় কমিটির বৈঠকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, সাম্প্রতিক এই রোগে আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় ১০০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৈঠক শেষে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি সাংবাদিকদের জানান, সম্প্রতি হামে আক্রান্ত হয়ে ১০০ শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় দুই মন্ত্রীকে সারা দেশ ঘুরে পরিস্থিতি পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
চিফ হুইপ বলেন, ‘সংসদীয় কমিটির বৈঠকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ব্রিফ করেছে। সেখানে হামে আক্রান্ত হয়ে ১০০ শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে। তিনি দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। দুজন মন্ত্রীকে দায়িত্ব দিয়েছেন সারা দেশ ঘুরে পর্যালোচনা করে পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ব্যবস্থা নিতে।’
চিকিৎসকদের মতে, হাম সাধারণত শিশুদের মধ্যেই বেশি দেখা যায়। প্রথমে জ্বর, পরে শরীরে র্যাশ (লালচে দানা)—এভাবেই শুরু হয় এই রোগের লক্ষণ। ধীরে ধীরে তা সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় শিশুদের মধ্যে নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ার মতো জটিলতাও দেখা দিতে পারে, যা প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। তাই শিশুর জ্বর, র্যাশ বা শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের সব সরকারি মেডিকেল কলেজ ও জেলা হাসপাতালকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। তবে বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা—দ্রুত টিকাদান কার্যক্রম জোরদার না করলে এবং টিকার ঘাটতি পূরণ না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে