চট্টগ্রাম জেলার পতেঙ্গা এলাকায় পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে অবৈধভাবে মজুদকৃত আনুমানিক ৬ হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার করেছে জেলা প্রশাসন।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুক্রবার সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কমিশনার ঘাটায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানটি পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সুব্রত হালদার।
অভিযানে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) ও বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা যৌথভাবে অংশগ্রহণ করেন। অভিযান চলাকালে ঘটনাস্থল থেকে ৩০টি ড্রামে সংরক্ষিত অবৈধ ডিজেল উদ্ধার করা হয়। তবে এ সময় কোনো আসামিকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
উদ্ধারকৃত ডিজেল বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, সমুদ্রগামী জাহাজ ও তেল ডিপো থেকে জ্বালানি পরিবহনের সময় একটি অসাধু চক্র অবৈধভাবে তেল অপসারণ করে তা স্থানীয় বিক্রেতাদের কাছে সরবরাহ করে আসছিল।
জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে জেলা প্রশাসন কঠোর নজরদারি জোরদার করেছে। পাশাপাশি সকল তেল ডিপো, পেট্রোল পাম্প ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের প্রশাসনিক তত্ত্বাবধানে আনা হয়েছে।
প্রশাসন জানিয়েছে, এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুক্রবার সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কমিশনার ঘাটায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানটি পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সুব্রত হালদার।
অভিযানে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) ও বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা যৌথভাবে অংশগ্রহণ করেন। অভিযান চলাকালে ঘটনাস্থল থেকে ৩০টি ড্রামে সংরক্ষিত অবৈধ ডিজেল উদ্ধার করা হয়। তবে এ সময় কোনো আসামিকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
উদ্ধারকৃত ডিজেল বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, সমুদ্রগামী জাহাজ ও তেল ডিপো থেকে জ্বালানি পরিবহনের সময় একটি অসাধু চক্র অবৈধভাবে তেল অপসারণ করে তা স্থানীয় বিক্রেতাদের কাছে সরবরাহ করে আসছিল।
জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে জেলা প্রশাসন কঠোর নজরদারি জোরদার করেছে। পাশাপাশি সকল তেল ডিপো, পেট্রোল পাম্প ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের প্রশাসনিক তত্ত্বাবধানে আনা হয়েছে।
প্রশাসন জানিয়েছে, এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে