মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের জেরে জ্বালানি সংকটে বিপর্যস্ত ফিলিপাইনে তেলের আকাশছোঁয়া দামের প্রতিবাদে রাজধানী ম্যানিলায় শত শত মানুষ বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নিয়েছেন। দেশটির পরিবহন ইউনিয়নগুলোর ডাকা দুই দিনের দেশব্যাপী ধর্মঘটের অংশ হিসেবে শুক্রবার (২৭ মার্চ) এই প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ফিলিপাইনে ডিজেল ও পেট্রলের দাম দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে পড়েছে। বিক্ষোভকারীরা ম্যানিলা শহর প্রদক্ষিণ করে প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসের দিকে অগ্রসর হওয়ার পরিকল্পনা করেছেন, যেখানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা ও ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছে।
জ্বালানি ঘাটতির কারণে চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে ফিলিপাইন বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে রাষ্ট্রীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র সতর্ক করে বলেছেন যে, দেশের জ্বালানি সরবরাহের স্থিতিশীলতা ও প্রাপ্যতা বর্তমানে ‘আসন্ন বিপদের’ মুখে রয়েছে।
ফিলিপাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিয়া তেরেসা লাজারো সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে মাত্র ৪০ থেকে ৪৫ দিনের পেট্রোলিয়াম মজুত অবশিষ্ট রয়েছে। জ্বালানির এই উচ্চমূল্য দেশটির অর্থনীতিতে একটি ‘ক্যাসকেডিং এফেক্ট’ বা ধারাবাহিক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফিলিপাইন সরকার জ্বালানি সাশ্রয়ী কঠোর পদক্ষেপ কার্যকর করার পাশাপাশি পরিবহন খরচ কমাতে জ্বালানি ভর্তুকি এবং অন্যান্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এ ছাড়া বাজারে পেট্রোলিয়াম পণ্যের মজুতদারি, মুনাফাখোরি এবং কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সরবরাহব্যবস্থায় কারসাজি রোধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সংকট উত্তরণে আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ সম্পদ ব্যবহারের ওপর জোর দিচ্ছে দেশটি।
সূত্র: সিএনএন
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ফিলিপাইনে ডিজেল ও পেট্রলের দাম দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে পড়েছে। বিক্ষোভকারীরা ম্যানিলা শহর প্রদক্ষিণ করে প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসের দিকে অগ্রসর হওয়ার পরিকল্পনা করেছেন, যেখানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা ও ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছে।
জ্বালানি ঘাটতির কারণে চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে ফিলিপাইন বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে রাষ্ট্রীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র সতর্ক করে বলেছেন যে, দেশের জ্বালানি সরবরাহের স্থিতিশীলতা ও প্রাপ্যতা বর্তমানে ‘আসন্ন বিপদের’ মুখে রয়েছে।
ফিলিপাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিয়া তেরেসা লাজারো সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে মাত্র ৪০ থেকে ৪৫ দিনের পেট্রোলিয়াম মজুত অবশিষ্ট রয়েছে। জ্বালানির এই উচ্চমূল্য দেশটির অর্থনীতিতে একটি ‘ক্যাসকেডিং এফেক্ট’ বা ধারাবাহিক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফিলিপাইন সরকার জ্বালানি সাশ্রয়ী কঠোর পদক্ষেপ কার্যকর করার পাশাপাশি পরিবহন খরচ কমাতে জ্বালানি ভর্তুকি এবং অন্যান্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এ ছাড়া বাজারে পেট্রোলিয়াম পণ্যের মজুতদারি, মুনাফাখোরি এবং কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সরবরাহব্যবস্থায় কারসাজি রোধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সংকট উত্তরণে আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ সম্পদ ব্যবহারের ওপর জোর দিচ্ছে দেশটি।
সূত্র: সিএনএন
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে