মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ প্রীতি ফুটবল ম্যাচ উপভোগ করতে জাতীয় স্টেডিয়ামে গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তিনি স্টেডিয়ামে প্রবেশ করেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত রয়েছেন তার কন্যা জাইমা রহমান। স্টেডিয়ামে পৌঁছালে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বাফুফে প্রতিনিধিরা তাদের স্বাগত জানান।
প্রধানমন্ত্রী কোথাও যাবেন, তার পূর্ব নির্ধারিত সূচি থাকবে না, তেমন ঘটনা সচরাচর ঘটেই না। এমনকি তিনি কোথাও গেলে, সেখানে আগে থেকেই সাজ সাজ রব পড়ে যায়। নিরাপত্তার কড়াকড়ি, কর্মকর্তাদের আনাগোনা- সব মিলিয়ে একটা মহা হুলুস্থুল কর্মকাণ্ড তৈরি হয়। সেটা যে প্রধামন্ত্রীই হোন না কেন।
তবে, বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এমন কিছু কাজ করেছেন; যা খুবই প্রশংসা কুড়িয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ হঠাৎ করেই বিকেলে ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে এসে হাজির হন বাংলাদেশ সরকারের প্রধান।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আজ বিকাল সাড়ে ৩টায় ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হওয়ার কথা সাবেক ফুটবলাররা। লাল দল ও সবুজ দল- এই দুই ভাগে ভাগ হয়ে তারা মাঠে পরস্পরের বিপক্ষে লড়াই করবেন। দুই দল মাঠে হাজির হয়ে গিয়েছিল আগেই। ডাগআউটে প্রস্তুতি নিচ্ছিল খেলা শুরুর জন্য।
এমন সময়ই হঠাৎ মাঠে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মাঠে আসার জন্য তার কোনো সূচি নির্ধারিত ছিল না। এমনকি তিনি যে মাঠে আসতেছেন, এমন কথাও আগে থেকে কেউ জানায়নি। তার সঙ্গে ছিলেন কন্যা জাইমা রহমান এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
হঠাৎ করেই ভিআিইপি গেট দিয়ে সরাসরি মাঠে ঢুকে তিনি চলে যান ডাগআউটে। সেখানে গিয়ে খেলোয়াড়দের সঙ্গে পরিচিত হন। হ্যান্ডশেক করেন। এরপর স্টেডিয়ামে স্থাপিত অ্যাথলেটিক ট্র্যাকের ওপর দিয়ে পুরো মাঠ প্রদক্ষিণ করেন তিনি। পরে গিয়ে অবস্থান নেন ভিআইপি লাউঞ্জে।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্ব নেওযার পর তারেক রহমান এই প্রথম ক্রীড়াঙ্গনের কোনো অনুষ্ঠানে আগমন করলেন এবং সেটা হঠাৎ করেই।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
প্রধানমন্ত্রী কোথাও যাবেন, তার পূর্ব নির্ধারিত সূচি থাকবে না, তেমন ঘটনা সচরাচর ঘটেই না। এমনকি তিনি কোথাও গেলে, সেখানে আগে থেকেই সাজ সাজ রব পড়ে যায়। নিরাপত্তার কড়াকড়ি, কর্মকর্তাদের আনাগোনা- সব মিলিয়ে একটা মহা হুলুস্থুল কর্মকাণ্ড তৈরি হয়। সেটা যে প্রধামন্ত্রীই হোন না কেন।
তবে, বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এমন কিছু কাজ করেছেন; যা খুবই প্রশংসা কুড়িয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ হঠাৎ করেই বিকেলে ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে এসে হাজির হন বাংলাদেশ সরকারের প্রধান।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আজ বিকাল সাড়ে ৩টায় ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হওয়ার কথা সাবেক ফুটবলাররা। লাল দল ও সবুজ দল- এই দুই ভাগে ভাগ হয়ে তারা মাঠে পরস্পরের বিপক্ষে লড়াই করবেন। দুই দল মাঠে হাজির হয়ে গিয়েছিল আগেই। ডাগআউটে প্রস্তুতি নিচ্ছিল খেলা শুরুর জন্য।
এমন সময়ই হঠাৎ মাঠে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মাঠে আসার জন্য তার কোনো সূচি নির্ধারিত ছিল না। এমনকি তিনি যে মাঠে আসতেছেন, এমন কথাও আগে থেকে কেউ জানায়নি। তার সঙ্গে ছিলেন কন্যা জাইমা রহমান এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
হঠাৎ করেই ভিআিইপি গেট দিয়ে সরাসরি মাঠে ঢুকে তিনি চলে যান ডাগআউটে। সেখানে গিয়ে খেলোয়াড়দের সঙ্গে পরিচিত হন। হ্যান্ডশেক করেন। এরপর স্টেডিয়ামে স্থাপিত অ্যাথলেটিক ট্র্যাকের ওপর দিয়ে পুরো মাঠ প্রদক্ষিণ করেন তিনি। পরে গিয়ে অবস্থান নেন ভিআইপি লাউঞ্জে।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্ব নেওযার পর তারেক রহমান এই প্রথম ক্রীড়াঙ্গনের কোনো অনুষ্ঠানে আগমন করলেন এবং সেটা হঠাৎ করেই।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে