বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও দেশের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লস।
ঢাকায় অবস্থিত ব্রিটিশ দূতাবাসের মাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় রাজা তৃতীয় চার্লস বাংলাদেশের প্রতি এই শুভেচ্ছা জানান। বার্তায় তিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন।
রাজা চার্লস বলেন, পারস্পরিক সম্মান, অভিন্ন মূল্যবোধ এবং কমনওয়েলথের বন্ধন দুই দেশের সম্পর্ককে বিশেষ উচ্চতায় নিয়ে গেছে। যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জনগোষ্ঠীর অবদানকেও তিনি গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করেন। তাদের পরিশ্রম ও অংশগ্রহণ যুক্তরাজ্যের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে জানান তিনি।
বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সহযোগিতা ও ঐক্যের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানো গেলে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা আরও সহজ হবে।
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও টেকসই উন্নয়নে বাংলাদেশের নেতৃত্বের প্রশংসা করে রাজা চার্লস আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এ ক্ষেত্রে দুই দেশের যৌথ উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
বার্তার শেষাংশে তিনি বাংলাদেশের জনগণের শান্তি, সমৃদ্ধি ও অব্যাহত অগ্রগতি কামনা করেন।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার স্মরণে দিনটি বাংলাদেশে জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয়।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
ঢাকায় অবস্থিত ব্রিটিশ দূতাবাসের মাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় রাজা তৃতীয় চার্লস বাংলাদেশের প্রতি এই শুভেচ্ছা জানান। বার্তায় তিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন।
রাজা চার্লস বলেন, পারস্পরিক সম্মান, অভিন্ন মূল্যবোধ এবং কমনওয়েলথের বন্ধন দুই দেশের সম্পর্ককে বিশেষ উচ্চতায় নিয়ে গেছে। যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জনগোষ্ঠীর অবদানকেও তিনি গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করেন। তাদের পরিশ্রম ও অংশগ্রহণ যুক্তরাজ্যের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে জানান তিনি।
বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সহযোগিতা ও ঐক্যের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানো গেলে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা আরও সহজ হবে।
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও টেকসই উন্নয়নে বাংলাদেশের নেতৃত্বের প্রশংসা করে রাজা চার্লস আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এ ক্ষেত্রে দুই দেশের যৌথ উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
বার্তার শেষাংশে তিনি বাংলাদেশের জনগণের শান্তি, সমৃদ্ধি ও অব্যাহত অগ্রগতি কামনা করেন।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার স্মরণে দিনটি বাংলাদেশে জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয়।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে