যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান ইরান বিরোধী সামরিক অভিযানকে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি পুনর্গঠনের এক ‘ঐতিহাসিক সুযোগ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাম্প্রতিক একাধিক ফোনালাপে তিনি ইরানের ওপর হামলা অব্যাহত রাখার জন্য জোরালো তাগিদ দিয়েছেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ইরানের বর্তমান কট্টরপন্থী সরকারকে উৎখাত করার লক্ষ্য নিয়ে অভিযান এগিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, সউদী নেতা যুক্তি দেখিয়েছেন যে, ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদী হুমকি এবং এই সরকারকে সম্পূর্ণ নির্মূল করা ছাড়া এ অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
হোয়াইট হাউসের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো বলছে, সৌদি যুবরাজের এই পরামর্শ সৌদি আরবের সাবেক বাদশাহ আবদুল্লাহর সেই বিখ্যাত উক্তিরই প্রতিধ্বনি, যেখানে তিনি ইরানকে ‘সাপের মাথা’ হিসেবে অভিহিত করে তা কেটে ফেলার জন্য ওয়াশিংটনকে অনুরোধ করেছিলেন।
এদিকে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান এই উত্তেজনার ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বিঘ্নিত হওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতিতেও এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।
তবে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় সূত্রগুলো এই প্রতিবেদনের তথ্য অস্বীকার করেছে। আল আরাবিয়া নিউজের এক সংবাদে দাবি করা হয়েছে, নিউইয়র্ক টাইমসের এই খবরটি ভিত্তিহীন এবং সৌদি আরব এই অঞ্চলে সামরিক সংঘাত এড়াতে সবসময়ই শান্তিকামী ভূমিকা পালন করে আসছে।
বর্তমানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানকে পারমাণবিক কর্মসূচি এবং ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন বন্ধের জন্য আগামী ২৭ মার্চ পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। এই সময়সীমার মধ্যে কোনো সমঝোতায় না পৌঁছালে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ইরানের বর্তমান কট্টরপন্থী সরকারকে উৎখাত করার লক্ষ্য নিয়ে অভিযান এগিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, সউদী নেতা যুক্তি দেখিয়েছেন যে, ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদী হুমকি এবং এই সরকারকে সম্পূর্ণ নির্মূল করা ছাড়া এ অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
হোয়াইট হাউসের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো বলছে, সৌদি যুবরাজের এই পরামর্শ সৌদি আরবের সাবেক বাদশাহ আবদুল্লাহর সেই বিখ্যাত উক্তিরই প্রতিধ্বনি, যেখানে তিনি ইরানকে ‘সাপের মাথা’ হিসেবে অভিহিত করে তা কেটে ফেলার জন্য ওয়াশিংটনকে অনুরোধ করেছিলেন।
এদিকে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান এই উত্তেজনার ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বিঘ্নিত হওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতিতেও এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।
তবে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় সূত্রগুলো এই প্রতিবেদনের তথ্য অস্বীকার করেছে। আল আরাবিয়া নিউজের এক সংবাদে দাবি করা হয়েছে, নিউইয়র্ক টাইমসের এই খবরটি ভিত্তিহীন এবং সৌদি আরব এই অঞ্চলে সামরিক সংঘাত এড়াতে সবসময়ই শান্তিকামী ভূমিকা পালন করে আসছে।
বর্তমানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানকে পারমাণবিক কর্মসূচি এবং ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন বন্ধের জন্য আগামী ২৭ মার্চ পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। এই সময়সীমার মধ্যে কোনো সমঝোতায় না পৌঁছালে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে