শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে করা মানহানির মামলায় জামিন পেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) এ জামিন মঞ্জুর করেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রৌনক জাহান তাকির আদালত।
ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
আইনজীবী জিয়াউল হক বাদী হয়ে ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট আদালতে এই মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ২০২২ সালের ৩ অক্টোবর একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে অংশ নিয়ে জিয়াউর রহমানকে ‘রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে উল্লেখ করেন। এর আগেও ২০২১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি একটি সেমিনারে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না; তিনি মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রবেশকারী ছিলেন।’
এ ছাড়া ২০১৩ সালের ১৯ জুলাই ভিন্ন ভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে জিয়াউর রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন হাসানুল হক ইনু ও রাশেদ খান মেনন। আসামিরা বিভিন্ন সময়ে জিয়া পরিবার সম্পর্কেও বিরূপ ও মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন, যা মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) এ জামিন মঞ্জুর করেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রৌনক জাহান তাকির আদালত।
ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
আইনজীবী জিয়াউল হক বাদী হয়ে ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট আদালতে এই মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ২০২২ সালের ৩ অক্টোবর একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে অংশ নিয়ে জিয়াউর রহমানকে ‘রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে উল্লেখ করেন। এর আগেও ২০২১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি একটি সেমিনারে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না; তিনি মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রবেশকারী ছিলেন।’
এ ছাড়া ২০১৩ সালের ১৯ জুলাই ভিন্ন ভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে জিয়াউর রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন হাসানুল হক ইনু ও রাশেদ খান মেনন। আসামিরা বিভিন্ন সময়ে জিয়া পরিবার সম্পর্কেও বিরূপ ও মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন, যা মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে