‘সুপারম্যান’ খ্যাত হলিউড অভিনেত্রী ভ্যালেরি পেরিন আর নেই। সোমবার (২৩ মার্চ) লস অ্যাঞ্জেলেসের বেভারলি হিলসে ৮২ বছর বয়সে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মার্কিন সাময়িকী ‘ভ্যারাইটি’ তার মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছে। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে তিনি পারকিনসন রোগের সঙ্গে লড়াই করছিলেন।
১৯৪৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর টেক্সাসে জন্ম নেওয়া ভ্যালেরি পেরিন ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন লাস ভেগাসের শোগার্ল হিসেবে। এরপর মডেলিং ও অভিনয়ে নিয়মিত হন তিনি। ১৯৭৪ সালে বব ফসের ‘লেনি’ সিনেমায় লেনি ব্রুসের স্ত্রী ‘হানি’ চরিত্রে তার অনবদ্য অভিনয় বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হয়। এই সিনেমাটি তাকে অস্কারে সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়ন এনে দেয়।
তবে সাধারণ দর্শকদের কাছে তিনি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ‘সুপারম্যান’ সিরিজের জন্য। রিচার্ড ডোনারের এই চলচ্চিত্রগুলোতে লেক্স লুথারের প্রেমিকা ‘মিস টেশমেকার’ চরিত্রে অভিনয় করে তিনি রাতারাতি তারকাখ্যাতি পান। এছাড়া ‘দ্য লাস্ট আমেরিকান হিরো’, ‘হোয়াট ওমেন ওয়ান্ট’, ‘ইআর’ ও ‘দ্য প্র্যাকটিস’-এর মতো কাজগুলো তার ক্যারিয়ারের অন্যতম মাইলফলক।
২০১৫ সালে ভ্যালেরি পেরিনের শরীরে পারকিনসন রোগ ধরা পড়ে। দীর্ঘ এই অসুস্থতার কারণে ধীরে ধীরে তার চলাফেরা, খাওয়া-দাওয়া এবং কথা বলার ক্ষমতা কমতে শুরু করে। তার বন্ধু স্ট্যাসি সাউদার ফেসবুকে এক শোকবার্তায় জানান, তিনি অত্যন্ত সাহসিকতা ও সহমর্মিতার সাথে এই কঠিন রোগের মোকাবিলা করেছেন। তিনি ছিলেন এক সত্যিকারের অনুপ্রেরণা।
দীর্ঘ দেড় দশক ধরে রোগের সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে ভ্যালেরি পেরিনের আর্থিক অবস্থা শোচনীয় হয়ে পড়েছিল। তার বন্ধু সাউদার জানান, অভিনেত্রীর শেষ ইচ্ছা ছিল ক্যালিফোর্নিয়ার ফরেস্ট লন সিমেট্রিতে চিরনিদ্রায় শায়িত হওয়া। কিন্তু চিকিৎসার পেছনে সমস্ত সঞ্চয় ব্যয় হয়ে যাওয়ায় তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার খরচ মেটাতে ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের কাছে ‘গো-ফান্ড-মি’ লিংকের মাধ্যমে সাহায্যের আবেদন জানানো হয়েছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
১৯৪৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর টেক্সাসে জন্ম নেওয়া ভ্যালেরি পেরিন ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন লাস ভেগাসের শোগার্ল হিসেবে। এরপর মডেলিং ও অভিনয়ে নিয়মিত হন তিনি। ১৯৭৪ সালে বব ফসের ‘লেনি’ সিনেমায় লেনি ব্রুসের স্ত্রী ‘হানি’ চরিত্রে তার অনবদ্য অভিনয় বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হয়। এই সিনেমাটি তাকে অস্কারে সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়ন এনে দেয়।
তবে সাধারণ দর্শকদের কাছে তিনি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ‘সুপারম্যান’ সিরিজের জন্য। রিচার্ড ডোনারের এই চলচ্চিত্রগুলোতে লেক্স লুথারের প্রেমিকা ‘মিস টেশমেকার’ চরিত্রে অভিনয় করে তিনি রাতারাতি তারকাখ্যাতি পান। এছাড়া ‘দ্য লাস্ট আমেরিকান হিরো’, ‘হোয়াট ওমেন ওয়ান্ট’, ‘ইআর’ ও ‘দ্য প্র্যাকটিস’-এর মতো কাজগুলো তার ক্যারিয়ারের অন্যতম মাইলফলক।
২০১৫ সালে ভ্যালেরি পেরিনের শরীরে পারকিনসন রোগ ধরা পড়ে। দীর্ঘ এই অসুস্থতার কারণে ধীরে ধীরে তার চলাফেরা, খাওয়া-দাওয়া এবং কথা বলার ক্ষমতা কমতে শুরু করে। তার বন্ধু স্ট্যাসি সাউদার ফেসবুকে এক শোকবার্তায় জানান, তিনি অত্যন্ত সাহসিকতা ও সহমর্মিতার সাথে এই কঠিন রোগের মোকাবিলা করেছেন। তিনি ছিলেন এক সত্যিকারের অনুপ্রেরণা।
দীর্ঘ দেড় দশক ধরে রোগের সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে ভ্যালেরি পেরিনের আর্থিক অবস্থা শোচনীয় হয়ে পড়েছিল। তার বন্ধু সাউদার জানান, অভিনেত্রীর শেষ ইচ্ছা ছিল ক্যালিফোর্নিয়ার ফরেস্ট লন সিমেট্রিতে চিরনিদ্রায় শায়িত হওয়া। কিন্তু চিকিৎসার পেছনে সমস্ত সঞ্চয় ব্যয় হয়ে যাওয়ায় তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার খরচ মেটাতে ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের কাছে ‘গো-ফান্ড-মি’ লিংকের মাধ্যমে সাহায্যের আবেদন জানানো হয়েছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে