সৌদিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত বাংলাদেশি মোশাররফ হোসেনের মরদেহ শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে দেশে পৌঁছেছে।
সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে মরদেহ বহনকারী সৌদি এয়ারলাইনসের ফ্লাইট (SV 806) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দরে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী মরদেহ গ্রহণ করেন। এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।
মোশাররফ হোসেনের বাড়ি টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কীর্ত্তনখোলা গ্রামে। তিনি মো. সুরজত আলীর ছেলে। গত ৮ মার্চ সৌদি আরবের আল-খারিজ শহরের আল-তোয়াইক এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তিনি নিহত হন। ওই হামলায় মোট তিনজনের মৃত্যু হয়।
মোশাররফের পরিবার জানায়, তিনি জীবিকার সন্ধানে আট বছর আগে সৌদি আরব গিয়েছিলেন। মৃত্যুর ঠিক আধা ঘণ্টা আগে তিনি বড় ছেলে মাহিমের সঙ্গে ভিডিওকলে কথা বলেছিলেন। সেটিই ছিল পরিবারের সঙ্গে তার শেষ আলাপ।
এর আগে সৌদি আরবের রিয়াদ থেকে মরদেহ ঢাকার উদ্দেশে ফ্লাইটে রওনা হয়।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে মরদেহ বহনকারী সৌদি এয়ারলাইনসের ফ্লাইট (SV 806) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দরে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী মরদেহ গ্রহণ করেন। এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।
মোশাররফ হোসেনের বাড়ি টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কীর্ত্তনখোলা গ্রামে। তিনি মো. সুরজত আলীর ছেলে। গত ৮ মার্চ সৌদি আরবের আল-খারিজ শহরের আল-তোয়াইক এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তিনি নিহত হন। ওই হামলায় মোট তিনজনের মৃত্যু হয়।
মোশাররফের পরিবার জানায়, তিনি জীবিকার সন্ধানে আট বছর আগে সৌদি আরব গিয়েছিলেন। মৃত্যুর ঠিক আধা ঘণ্টা আগে তিনি বড় ছেলে মাহিমের সঙ্গে ভিডিওকলে কথা বলেছিলেন। সেটিই ছিল পরিবারের সঙ্গে তার শেষ আলাপ।
এর আগে সৌদি আরবের রিয়াদ থেকে মরদেহ ঢাকার উদ্দেশে ফ্লাইটে রওনা হয়।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে