ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি হত্যার একদিনের মাথায় আবারও তেহরানে উচ্চপর্যায়ের লক্ষ্যবস্তুতে হামলার দাবি উঠেছে। এবার দেশটির গোয়েন্দা বিষয়ক মন্ত্রী ইসমাইল খতিবকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল এমন তথ্য জানিয়েছে ইসরায়েলি গণমাধ্যম ‘চ্যানেল ১২’।
ইসরায়েলের এক কর্মকর্তার বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাতের এ হামলায় ইসমাইল খতিবকে লক্ষ্য করা হয়। তবে তিনি নিহত হয়েছেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
এর আগে সোমবার (১৬ মার্চ) ইসরায়েলি হামলায় নিহত হন ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান আলী লারিজানি। তাঁর মৃত্যুতে দেশটির নীতিনির্ধারণী অঙ্গনে বড় শূন্যতা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
প্রবীণ এই রাজনীতিককে ইরানের অন্যতম প্রভাবশালী নীতিনির্ধারক হিসেবে বিবেচনা করা হতো। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ও অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতেন।
ইরানের আইন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান নতুন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা নিয়োগ দেবেন। এ পদে সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন সাঈদ জালিলি।
জালিলি এর আগেও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও প্রধান পরমাণু আলোচনাকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি দেশটির প্রভাবশালী নীতি নির্ধারণী প্রতিষ্ঠান ‘এক্সপেডিয়েন্সি ডিসার্নমেন্ট কাউন্সিল’-এর সদস্য।
বিশ্লেষকদের মতে, সাধারণত সর্বোচ্চ নেতার ঘনিষ্ঠ মহল থেকেই এই গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। সে হিসেবে সাঈদ জালিলি এখন সবচেয়ে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
ইরান–বিশেষজ্ঞ ও ইতিহাসবিদ আরশ আজিজি বলেন, জালিলি কট্টরপন্থী রাজনৈতিক ধারার একজন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধি এবং পশ্চিমবিরোধী অবস্থানের জন্য পরিচিত।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
ইসরায়েলের এক কর্মকর্তার বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাতের এ হামলায় ইসমাইল খতিবকে লক্ষ্য করা হয়। তবে তিনি নিহত হয়েছেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
এর আগে সোমবার (১৬ মার্চ) ইসরায়েলি হামলায় নিহত হন ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান আলী লারিজানি। তাঁর মৃত্যুতে দেশটির নীতিনির্ধারণী অঙ্গনে বড় শূন্যতা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
প্রবীণ এই রাজনীতিককে ইরানের অন্যতম প্রভাবশালী নীতিনির্ধারক হিসেবে বিবেচনা করা হতো। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ও অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতেন।
ইরানের আইন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান নতুন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা নিয়োগ দেবেন। এ পদে সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন সাঈদ জালিলি।
জালিলি এর আগেও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও প্রধান পরমাণু আলোচনাকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি দেশটির প্রভাবশালী নীতি নির্ধারণী প্রতিষ্ঠান ‘এক্সপেডিয়েন্সি ডিসার্নমেন্ট কাউন্সিল’-এর সদস্য।
বিশ্লেষকদের মতে, সাধারণত সর্বোচ্চ নেতার ঘনিষ্ঠ মহল থেকেই এই গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। সে হিসেবে সাঈদ জালিলি এখন সবচেয়ে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
ইরান–বিশেষজ্ঞ ও ইতিহাসবিদ আরশ আজিজি বলেন, জালিলি কট্টরপন্থী রাজনৈতিক ধারার একজন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধি এবং পশ্চিমবিরোধী অবস্থানের জন্য পরিচিত।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে