ইরানের সঙ্গে আমেরিকা ও ইসরায়েলের সংঘাতে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে। প্রতিদিনই খবর আসছে হামলা ও প্রাণহানির। এ পরিস্থিতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে খোলা ময়দানে ঈদের নামাজ না পড়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৮ মার্চ) এই তথ্য জানিয়েছে দুবাইভিত্তিক গণমাধ্যম গালফ নিউজ। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমগ্র আমিরাতে এই সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য হবে। ঐতিহ্যবাহী খোলা জায়গায় নামাজ অনুষ্ঠিত হবে না।
প্রতিবেদন বলছে, ইসলামিক বিষয়াবলী, ওয়াকফ ও যাকাত বিষয়ক সাধারণ কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেছে, এ বছর দেশের বিভিন্ন মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে এবং খোলা জায়গায় নামাজ আদায় করা হবে না।
কর্মকর্তারা বলেছেন, নামাজের সুষ্ঠু আয়োজন নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তা বজায় রাখার উদ্দেশে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মুসল্লিরা আমিরাতজুড়ে মসজিদে উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সমস্ত মসজিদ ঈদের নামাজের প্রস্তুত হয়েছে। জনসাধারণকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জারি করা সরকারি নির্দেশনা ও নির্দেশাবলী অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। প্রতিবাদে ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালাচ্ছে ইরান। খামেনি হত্যার প্রতিবাদে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা।
এ ছাড়া ইরানে হামলার প্রতিবাদে ইরান-সমর্থিত লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে হামলা করছে, আর লেবাননের রাজধানী বৈরুতে হিজবুল্লাহকে লক্ষ্য করে হামলা করছে ইসরায়েল।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
বুধবার (১৮ মার্চ) এই তথ্য জানিয়েছে দুবাইভিত্তিক গণমাধ্যম গালফ নিউজ। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমগ্র আমিরাতে এই সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য হবে। ঐতিহ্যবাহী খোলা জায়গায় নামাজ অনুষ্ঠিত হবে না।
প্রতিবেদন বলছে, ইসলামিক বিষয়াবলী, ওয়াকফ ও যাকাত বিষয়ক সাধারণ কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেছে, এ বছর দেশের বিভিন্ন মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে এবং খোলা জায়গায় নামাজ আদায় করা হবে না।
কর্মকর্তারা বলেছেন, নামাজের সুষ্ঠু আয়োজন নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তা বজায় রাখার উদ্দেশে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মুসল্লিরা আমিরাতজুড়ে মসজিদে উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সমস্ত মসজিদ ঈদের নামাজের প্রস্তুত হয়েছে। জনসাধারণকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জারি করা সরকারি নির্দেশনা ও নির্দেশাবলী অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। প্রতিবাদে ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালাচ্ছে ইরান। খামেনি হত্যার প্রতিবাদে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা।
এ ছাড়া ইরানে হামলার প্রতিবাদে ইরান-সমর্থিত লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে হামলা করছে, আর লেবাননের রাজধানী বৈরুতে হিজবুল্লাহকে লক্ষ্য করে হামলা করছে ইসরায়েল।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে