ভারতের রাজধানী দিল্লিতে এক ব্যক্তির অসাবধানতাজনিত গুলিতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তিনি একটি পিস্তল ‘লোড’ করে ট্রিগারে আলতো চাপ দেন। এ সময় সামনে দাঁড়িয়ে এই ঘটনার ভিডিও করা তার বন্ধু তাকে গুলি না চালানোর জন্য সতর্ক করে বলে ওঠেন, ‘ভাই, গুলি চালিয়ে দিও না..।’
সতর্কবার্তায় তিনি হাসেন এবং পিস্তলটি নিজের বুকে ঠেকান। বন্ধুটি আবারও তাকে বিরত থাকতে বলে ওঠেন, ‘আরে, না’। কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরই গুলির শব্দ শোনা যায় এবং তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
ঘটনাটি পুরোপুরি ভিডিওতে ধারণ করা হয়েছিল। নিজের বুকে হাসতে হাসতে গুলি চালানো ওই ব্যক্তির নাম পবন বলে জানা গেছে। এ সময় তার এক বন্ধু মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করছিলেন।
গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরপরই বন্ধুটি পবনকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে তাকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি; চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে তিনি মারা যান।
পুলিশ জানায়, ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব দিল্লির দল্লুপুরায়। যে পিস্তল নিয়ে এত কাণ্ড, সেটি একটি বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র। সেটির মালিক পবনের ওই বন্ধু, যিনি ভিডিও করছিলেন।
ভিডিওতে শোনা যায়, পিস্তলের মালিক পবনকে কীভাবে পিস্তল ‘লোড’ করতে হয়, তা শেখাচ্ছিলেন। তবে একই সঙ্গে তিনি বারবার বন্ধুকে গুলি না চালানোর জন্য সতর্ক করে যাচ্ছিলেন।
পুলিশ জানায়, পবন পিস্তল হাতে রিল তৈরি করছিলেন।
সূত্র: এনডিটিভি
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
সতর্কবার্তায় তিনি হাসেন এবং পিস্তলটি নিজের বুকে ঠেকান। বন্ধুটি আবারও তাকে বিরত থাকতে বলে ওঠেন, ‘আরে, না’। কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরই গুলির শব্দ শোনা যায় এবং তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
ঘটনাটি পুরোপুরি ভিডিওতে ধারণ করা হয়েছিল। নিজের বুকে হাসতে হাসতে গুলি চালানো ওই ব্যক্তির নাম পবন বলে জানা গেছে। এ সময় তার এক বন্ধু মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করছিলেন।
গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরপরই বন্ধুটি পবনকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে তাকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি; চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে তিনি মারা যান।
পুলিশ জানায়, ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব দিল্লির দল্লুপুরায়। যে পিস্তল নিয়ে এত কাণ্ড, সেটি একটি বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র। সেটির মালিক পবনের ওই বন্ধু, যিনি ভিডিও করছিলেন।
ভিডিওতে শোনা যায়, পিস্তলের মালিক পবনকে কীভাবে পিস্তল ‘লোড’ করতে হয়, তা শেখাচ্ছিলেন। তবে একই সঙ্গে তিনি বারবার বন্ধুকে গুলি না চালানোর জন্য সতর্ক করে যাচ্ছিলেন।
পুলিশ জানায়, পবন পিস্তল হাতে রিল তৈরি করছিলেন।
সূত্র: এনডিটিভি
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে