সোশ্যাল মিডিয়ায় ফের ভাইরাল হয়েছে বাবা ভাঙ্গার পুরনো ভবিষ্যদ্বাণী। ‘২০২৬ সালে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ’ এবং অন্যান্য বড় ঘটনা নিয়ে চলছে এর আলোচনা। সম্প্রতি হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদন এ বিষয়ে উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে ঘনীভূত হওয়া অশান্তি, ইসরায়েল-ইরান সংঘাত এবং পাকিস্তান-আফগানিস্তানের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা বিশ্ববাসীকে ফের মনে করিয়ে দিচ্ছে বাবা ভাঙ্গার সেই সতর্কবার্তার কথা।
তার ভবিষ্যদ্বাণীর মধ্যে ২০২৬ সালও উল্লেখ রয়েছে।
সবচেয়ে আলোচিত একটি হলো, ২০২৬ সালে একটি বিশাল আন্তর্জাতিক সংঘাত বা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হতে পারে। যেখানে বিভিন্ন অঞ্চলের রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং বড় শক্তির সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া কিছু সংবাদে বলা হয়, তিনি ২০২৬ সালে ভিনগ্রহের প্রাণীর সঙ্গে মানবজাতির প্রথম যোগাযোগ এবং বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত উন্নয়নও ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। এইসব ভবিষ্যদ্বাণীর ইঙ্গিত বর্তমান বৈশ্বিক সংকট ও আলোচনার সঙ্গে মিলিয়ে দেখছেন অনেকেই।
অনেকে বর্তমান আন্তর্জাতিক সংঘাতকে বাবা ভাঙ্গার ‘তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ’ প্রেডিকশনের সঙ্গে যুক্ত করে দেখছেন এবং আশঙ্কা করছেন এটি সত্যিই ঘটতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণী পরীক্ষিত নয়। অনেক বাণীতে সময়, স্থান ও পরিস্থিতি অস্পষ্ট, তাই পরে তা বিভিন্নভাবে ব্যাখ্যা বা মিথ্যে সংযুক্তি করা হয়।
বাবা ভাঙ্গার আসল নাম পান্দেভা দিমিত্রোভা। তিনি ১৯১১ সালের ৩ অক্টোবর বুলগেরিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র ১২ বছর বয়সে ঝড়ের সময় চোখে বালি ঢুকে তার দৃষ্টিশক্তি চলে যায়। এরপর থেকেই ভবিষ্যৎ দেখার ক্ষমতা অর্জন করেছেন বলে দাবি করা হয়। আশেপাশের মানুষ তার কাছে এসে নিজের ভবিষ্যৎ ও পৃথিবীর বড় ঘটনার পূর্বাভাস জানতে শুরু করেন। প্রায় ৫০ বছর ধরে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন তিনি এবং ১৯৯৬ সালের ১১ আগস্ট মারা যান।
বুলগেরিয়ান ভাষায় ‘বাবা’ শব্দটির অর্থ ‘বয়স্ক নারী’ বা ‘দাদু’ বুঝানো হয়। এটি স্নেহ ও সম্মানের সঙ্গে বয়স্ক নারীর সম্বোধনে ব্যবহার হয়।
বাবা ভাঙ্গা বিভিন্ন বড় ঘটনার জন্য খ্যাতি পেয়েছেন। বলা হয়, তিনি চেরনোবিল পরমাণু বিপর্যয়, যুক্তরাষ্ট্রে ৯/১১ হামলা, প্রিন্সেস ডায়ানার মৃত্যু এবং বিশ্বক্ষমতা হিসাবে চীনের উত্থানের মতো ঘটনা আগে থেকেই জানতেন। এই দাবিগুলোই তার জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে ঘনীভূত হওয়া অশান্তি, ইসরায়েল-ইরান সংঘাত এবং পাকিস্তান-আফগানিস্তানের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা বিশ্ববাসীকে ফের মনে করিয়ে দিচ্ছে বাবা ভাঙ্গার সেই সতর্কবার্তার কথা।
তার ভবিষ্যদ্বাণীর মধ্যে ২০২৬ সালও উল্লেখ রয়েছে।
সবচেয়ে আলোচিত একটি হলো, ২০২৬ সালে একটি বিশাল আন্তর্জাতিক সংঘাত বা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হতে পারে। যেখানে বিভিন্ন অঞ্চলের রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং বড় শক্তির সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া কিছু সংবাদে বলা হয়, তিনি ২০২৬ সালে ভিনগ্রহের প্রাণীর সঙ্গে মানবজাতির প্রথম যোগাযোগ এবং বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত উন্নয়নও ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। এইসব ভবিষ্যদ্বাণীর ইঙ্গিত বর্তমান বৈশ্বিক সংকট ও আলোচনার সঙ্গে মিলিয়ে দেখছেন অনেকেই।
অনেকে বর্তমান আন্তর্জাতিক সংঘাতকে বাবা ভাঙ্গার ‘তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ’ প্রেডিকশনের সঙ্গে যুক্ত করে দেখছেন এবং আশঙ্কা করছেন এটি সত্যিই ঘটতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণী পরীক্ষিত নয়। অনেক বাণীতে সময়, স্থান ও পরিস্থিতি অস্পষ্ট, তাই পরে তা বিভিন্নভাবে ব্যাখ্যা বা মিথ্যে সংযুক্তি করা হয়।
বাবা ভাঙ্গার আসল নাম পান্দেভা দিমিত্রোভা। তিনি ১৯১১ সালের ৩ অক্টোবর বুলগেরিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র ১২ বছর বয়সে ঝড়ের সময় চোখে বালি ঢুকে তার দৃষ্টিশক্তি চলে যায়। এরপর থেকেই ভবিষ্যৎ দেখার ক্ষমতা অর্জন করেছেন বলে দাবি করা হয়। আশেপাশের মানুষ তার কাছে এসে নিজের ভবিষ্যৎ ও পৃথিবীর বড় ঘটনার পূর্বাভাস জানতে শুরু করেন। প্রায় ৫০ বছর ধরে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন তিনি এবং ১৯৯৬ সালের ১১ আগস্ট মারা যান।
বুলগেরিয়ান ভাষায় ‘বাবা’ শব্দটির অর্থ ‘বয়স্ক নারী’ বা ‘দাদু’ বুঝানো হয়। এটি স্নেহ ও সম্মানের সঙ্গে বয়স্ক নারীর সম্বোধনে ব্যবহার হয়।
বাবা ভাঙ্গা বিভিন্ন বড় ঘটনার জন্য খ্যাতি পেয়েছেন। বলা হয়, তিনি চেরনোবিল পরমাণু বিপর্যয়, যুক্তরাষ্ট্রে ৯/১১ হামলা, প্রিন্সেস ডায়ানার মৃত্যু এবং বিশ্বক্ষমতা হিসাবে চীনের উত্থানের মতো ঘটনা আগে থেকেই জানতেন। এই দাবিগুলোই তার জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে