পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সৈকতের লেম্বুরবন এলাকায় সোমবার (১৬ মার্চ) রাতের কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে অন্তত ৩৫ দোকান। উড়ে গেছে দোকানঘরের টিনের চাল। তছনছ হয়ে গেছে মালামাল। অন্তত ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানিরা দাবি করেছেন।
জানা গেছে, মাঝ রাতে হঠাৎ শুরু হওয়া ঝড়ে মুহূর্তেই পুরো এলাকা লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। অনেক ব্যবসায়ী ঘুম থেকে উঠে কিছু বুঝে ওঠার আগেই দেখেন, তাদের দোকানপাট ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। লেম্বুরবন এলাকার শুটকি, আচার, মাছ ফ্রাই দোকান ও জেলের বাসাসহ অন্তত ৩৫টি ঘর লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী নাসির জোমাদ্দার জানান, রাতে হঠাৎ ঝড় শুরু হয়। কিছু বোঝার আগেই দোকানের টিন উড়ে যায়। সকালে দেখেন সব শেষ। মালামাল নষ্ট হয়ে গেছে, দোকান ভেঙে গেছে। প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে তার।
দোকানি জহিরুল ইসলাম জানান, তাদের জীবন-জীবিকার একমাত্র অবলম্বন এই দোকান। হঠাৎ ঝড়ে সব তছনছ হয়ে গেছে। এখন নিঃস্ব হয়ে গেছেন। সরকারের সহায়তা ছাড়া ব্যবসা দাঁড় করাতে পারবেন না।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউছার হামিদ বলেন, ঘটনাটি আমরা জেনেছি। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে সরকারি সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়রা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে
জানা গেছে, মাঝ রাতে হঠাৎ শুরু হওয়া ঝড়ে মুহূর্তেই পুরো এলাকা লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। অনেক ব্যবসায়ী ঘুম থেকে উঠে কিছু বুঝে ওঠার আগেই দেখেন, তাদের দোকানপাট ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। লেম্বুরবন এলাকার শুটকি, আচার, মাছ ফ্রাই দোকান ও জেলের বাসাসহ অন্তত ৩৫টি ঘর লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী নাসির জোমাদ্দার জানান, রাতে হঠাৎ ঝড় শুরু হয়। কিছু বোঝার আগেই দোকানের টিন উড়ে যায়। সকালে দেখেন সব শেষ। মালামাল নষ্ট হয়ে গেছে, দোকান ভেঙে গেছে। প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে তার।
দোকানি জহিরুল ইসলাম জানান, তাদের জীবন-জীবিকার একমাত্র অবলম্বন এই দোকান। হঠাৎ ঝড়ে সব তছনছ হয়ে গেছে। এখন নিঃস্ব হয়ে গেছেন। সরকারের সহায়তা ছাড়া ব্যবসা দাঁড় করাতে পারবেন না।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউছার হামিদ বলেন, ঘটনাটি আমরা জেনেছি। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে সরকারি সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়রা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে