চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে ঝড়ের তাণ্ডবে পল্লী বিদ্যুতের আটটি খুঁটি ভেঙে গেছে। ফলে রবিবার রাত ৯টা থেকে সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর ১টা পর্যন্ত টানা ১৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছেন প্রায় ২৫ হাজার গ্রাহক। এ তথ্য জানিয়েছেন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ভোলাহাট জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. ইব্রাহীম।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রবিবার রাতে উপজেলার উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঝড় শুরু হয়। সঙ্গে ছিল বৃষ্টি। ঝড়ের তীব্রতায় বিভিন্ন স্থানে ঘরবাড়ির পাশাপাশি বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়ে। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা। ভোলাহাটের বাসিন্দা রেজাউল করিম জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় পানির মোটর চালানো যাচ্ছে না, ফলে গৃহস্থালি কাজে তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এছাড়া দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।
ভোলাহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. ইব্রাহীম বলেন, “ঝড়ে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মোট আটটি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে গেছে। এর মধ্যে উপজেলা সদরের ডাকবাংলো সংলগ্ন এলাকায় একই সঙ্গে ৪টি খুঁটি উপড়ে পড়ায় মূল সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি অচল হয়ে পড়ে।” তিনি বলেন, “ঝড়ে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমাদের কারিগরি টিম রাত থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত লাইন ও খুঁটি মেরামতের কাজ শুরু করেছে। জনভোগান্তি লাঘবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার আপ্রাণ চেষ্টা চালানো হচ্ছে।”
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রবিবার রাতে উপজেলার উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঝড় শুরু হয়। সঙ্গে ছিল বৃষ্টি। ঝড়ের তীব্রতায় বিভিন্ন স্থানে ঘরবাড়ির পাশাপাশি বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়ে। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা। ভোলাহাটের বাসিন্দা রেজাউল করিম জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় পানির মোটর চালানো যাচ্ছে না, ফলে গৃহস্থালি কাজে তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এছাড়া দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।
ভোলাহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. ইব্রাহীম বলেন, “ঝড়ে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মোট আটটি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে গেছে। এর মধ্যে উপজেলা সদরের ডাকবাংলো সংলগ্ন এলাকায় একই সঙ্গে ৪টি খুঁটি উপড়ে পড়ায় মূল সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি অচল হয়ে পড়ে।” তিনি বলেন, “ঝড়ে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমাদের কারিগরি টিম রাত থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত লাইন ও খুঁটি মেরামতের কাজ শুরু করেছে। জনভোগান্তি লাঘবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার আপ্রাণ চেষ্টা চালানো হচ্ছে।”
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন