ঈদের লম্বা ছুটিকে কেন্দ্র করে পর্যটন নগরী কুয়াকাটায় প্রায় লক্ষাধিক পর্যটকের আগমন ঘিরে পর্যটক বরণে প্রস্তুত সাগরকন্যা কুয়াকাটা। ইতোমধ্যে হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট, পর্যটন স্পট ও সৈকত এলাকায় নেওয়া হয়েছে নানা প্রস্তুতি। শুধু হোটেলই নয়, নিজেদেরকে সার্বিকভাবে প্রস্তুত করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্ট ১৬টি পেশার ব্যবসায়ীরা।
রোববার (১৫ মার্চ) হোটেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ইতোমধ্যে প্রায় প্রথম শ্রেণির হোটেলগুলোর ৬০-৭০ শতাংশ এবং দ্বিতীয় শ্রেণির হোটেলগুলোর ৩০-৪০ শতাংশ কক্ষ অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে। পর্যটকদের আগমনের কথা মাথায় রেখে হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সেবার মান উন্নয়নে কাজ করছে। পর্যটকদের বিনোদনের জন্য সৈকতে রাখা হয়েছে বিচ বাইক, ঘোড়ার গাড়ি ও স্পিডবোটসহ বিভিন্ন আয়োজন। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদের ছুটিতে ইতোমধ্যে অনেক হোটেল অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে। এতে পর্যটন খাতের ব্যবসায়ীরা ঘুরে দাঁড়ানোর আশা করছেন।
ডি'মোর হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের অপারেশন ম্যানেজার জয়নুল আবেদীন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে ব্যবসার অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। তবে আমরা আশা করতেছি ঈদের এই লম্বা ছুটিকে কেন্দ্র করে কুয়াকাটাতে ব্যাপক পর্যটক আসবে। হোটেলগুলো ধুয়ে মুছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা স্টাফদের প্রশিক্ষণ দেওয়াসহ সব ধরনের প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি। ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি পর্যটকদের সেবা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোও। কুয়াকাটা ট্যুর গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কেএম বাচ্চু জানান, পর্যটকদের আগাম সম্ভাবনাকে ঘিরে আমরাও প্রস্তুতি নিয়েছি যাতে পর্যটকদের পুরোপুরি সেবা ও বিনোদন দিতে পারি। ইতোমধ্যে আমাদের কাছে অনেকগুলো বুকিং এসেছে, প্রতিটি উৎসবের ছুটি ঘিরে আমরা প্রস্তুতি রাখি দেশ-বিদেশের পর্যটকদের জন্য।
পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাওসার হামিদ বলেন, ঈদের ছুটিকে ঘিরে ঘুরতে আসা পর্যটকদের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে সার্বিক প্রস্তুতি সেরেছে বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি। নিয়মিত নিরাপত্তার পাশাপাশি অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট, স্কাউট থেকে বেশ কয়েকটি টিমে ভাগ করে স্বেচ্ছাসেবক ও সৈকতে রেস্কিউ টিমের সদস্য কাজ করবে। যাতে ঘুরতে আসা পর্যটকদের কোনো ধরনের হয়রানির শিকার হতে না হয়।
ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, সৈকতে দীর্ঘদিন পর্যটক কম থাকায় পুরো সৈকতজুড়ে তৈরি হয়েছে ভিন্নতা। শীত মৌসুমের শেষে বর্ষার শুরুতে সৈকতে উঁচু ঢেউ, জেলেদের মাছ ধরার দৃশ্য, বর্ষার একটি আমেজ উপভোগে অনেকেই ছুটে আসবেন কুয়াকাটায়। আর ঘুরতে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাদা পোশাকেও নেওয়া হয়েছে বাড়তি ব্যবস্থা। ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে কুয়াকাটায় পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সেবায় প্রশাসন, হোটেল ব্যবসায়ী এবং পর্যটন সংশ্লিষ্টরা কাজ করছে। সব কিছু ঠিক থাকলে এবারের ঈদে পর্যটকদের পদচারণায় মুখর থাকবে সাগরকন্যা কুয়াকাটা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
রোববার (১৫ মার্চ) হোটেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ইতোমধ্যে প্রায় প্রথম শ্রেণির হোটেলগুলোর ৬০-৭০ শতাংশ এবং দ্বিতীয় শ্রেণির হোটেলগুলোর ৩০-৪০ শতাংশ কক্ষ অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে। পর্যটকদের আগমনের কথা মাথায় রেখে হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সেবার মান উন্নয়নে কাজ করছে। পর্যটকদের বিনোদনের জন্য সৈকতে রাখা হয়েছে বিচ বাইক, ঘোড়ার গাড়ি ও স্পিডবোটসহ বিভিন্ন আয়োজন। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদের ছুটিতে ইতোমধ্যে অনেক হোটেল অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে। এতে পর্যটন খাতের ব্যবসায়ীরা ঘুরে দাঁড়ানোর আশা করছেন।
ডি'মোর হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের অপারেশন ম্যানেজার জয়নুল আবেদীন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে ব্যবসার অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। তবে আমরা আশা করতেছি ঈদের এই লম্বা ছুটিকে কেন্দ্র করে কুয়াকাটাতে ব্যাপক পর্যটক আসবে। হোটেলগুলো ধুয়ে মুছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা স্টাফদের প্রশিক্ষণ দেওয়াসহ সব ধরনের প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি। ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি পর্যটকদের সেবা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোও। কুয়াকাটা ট্যুর গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কেএম বাচ্চু জানান, পর্যটকদের আগাম সম্ভাবনাকে ঘিরে আমরাও প্রস্তুতি নিয়েছি যাতে পর্যটকদের পুরোপুরি সেবা ও বিনোদন দিতে পারি। ইতোমধ্যে আমাদের কাছে অনেকগুলো বুকিং এসেছে, প্রতিটি উৎসবের ছুটি ঘিরে আমরা প্রস্তুতি রাখি দেশ-বিদেশের পর্যটকদের জন্য।
পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাওসার হামিদ বলেন, ঈদের ছুটিকে ঘিরে ঘুরতে আসা পর্যটকদের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে সার্বিক প্রস্তুতি সেরেছে বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি। নিয়মিত নিরাপত্তার পাশাপাশি অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট, স্কাউট থেকে বেশ কয়েকটি টিমে ভাগ করে স্বেচ্ছাসেবক ও সৈকতে রেস্কিউ টিমের সদস্য কাজ করবে। যাতে ঘুরতে আসা পর্যটকদের কোনো ধরনের হয়রানির শিকার হতে না হয়।
ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, সৈকতে দীর্ঘদিন পর্যটক কম থাকায় পুরো সৈকতজুড়ে তৈরি হয়েছে ভিন্নতা। শীত মৌসুমের শেষে বর্ষার শুরুতে সৈকতে উঁচু ঢেউ, জেলেদের মাছ ধরার দৃশ্য, বর্ষার একটি আমেজ উপভোগে অনেকেই ছুটে আসবেন কুয়াকাটায়। আর ঘুরতে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাদা পোশাকেও নেওয়া হয়েছে বাড়তি ব্যবস্থা। ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে কুয়াকাটায় পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সেবায় প্রশাসন, হোটেল ব্যবসায়ী এবং পর্যটন সংশ্লিষ্টরা কাজ করছে। সব কিছু ঠিক থাকলে এবারের ঈদে পর্যটকদের পদচারণায় মুখর থাকবে সাগরকন্যা কুয়াকাটা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন