মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে প্রথমে ব্যাট করে ৪৭.৩ ওভারে ২৭৪ রানে অলআউট হয়েছে পাকিস্তান। উড়ন্ত সূচনার পর মাঝের ওভারগুলোতে উইকেট হারালেও শেষ পর্যন্ত লড়াই করার মতো সংগ্রহ গড়েছে সফরকারীরা।
ইনিংসের শুরুতেই বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চড়াও হন ওপেনার মাআজ সাদাকাত। মাত্র ৩১ বলে ফিফটি তুলে নিয়ে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে দলের রান দ্রুত বাড়ান তিনি। শেষ পর্যন্ত ৪৬ বলে ৭৫ রান করে আউট হন এই ব্যাটার। তার সঙ্গে ওপেনিং জুটিতে সাহিবজাদা ফারহান ৪৬ বলে ৩১ রান করেন। দুজনের জুটিতে পাকিস্তান ১২.৬ ওভারে ১০৩ রান তুলে ফেলে। তবে এরপরই ম্যাচে ফেরে বাংলাদেশ। দ্রুত উইকেট তুলে পাকিস্তানের রান তোলার গতি কিছুটা কমিয়ে দেয় স্বাগতিকরা।
মাঝের দিকে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আগা মিলে ইনিংস সামলানোর চেষ্টা করেন। রিজওয়ান ৫৯ বলে ৪৪ রান করেন, আর সালমান খেলেন ৬২ বলে ৬৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস।
শেষ দিকে দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান অলআউট হয়ে যায় ৪৭.৩ ওভারে।
বাংলাদেশের হয়ে বোলিংয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন রিশাদ হোসেন, তিনি ৩টি উইকেট নেন। এছাড়া মেহেদী হাসান মিরাজ নেন ২ উইকেট। তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান ও নাহিদ রানা একটি করে উইকেট পান।
শুরুতে বিনা উইকেটে ১০৩ রান তুলে বড় স্কোরের ইঙ্গিত দিলেও মাঝের ও শেষের দিকে উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান কিছুটা গতি হারায়। তবু শেষ পর্যন্ত তারা বাংলাদেশের সামনে ২৭৫ রানের লক্ষ্য দাঁড় করিয়েছে।
এখন এই লক্ষ্য তাড়া করে সিরিজ নিশ্চিত করার সুযোগ বাংলাদেশের সামনে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
ইনিংসের শুরুতেই বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চড়াও হন ওপেনার মাআজ সাদাকাত। মাত্র ৩১ বলে ফিফটি তুলে নিয়ে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে দলের রান দ্রুত বাড়ান তিনি। শেষ পর্যন্ত ৪৬ বলে ৭৫ রান করে আউট হন এই ব্যাটার। তার সঙ্গে ওপেনিং জুটিতে সাহিবজাদা ফারহান ৪৬ বলে ৩১ রান করেন। দুজনের জুটিতে পাকিস্তান ১২.৬ ওভারে ১০৩ রান তুলে ফেলে। তবে এরপরই ম্যাচে ফেরে বাংলাদেশ। দ্রুত উইকেট তুলে পাকিস্তানের রান তোলার গতি কিছুটা কমিয়ে দেয় স্বাগতিকরা।
মাঝের দিকে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আগা মিলে ইনিংস সামলানোর চেষ্টা করেন। রিজওয়ান ৫৯ বলে ৪৪ রান করেন, আর সালমান খেলেন ৬২ বলে ৬৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস।
শেষ দিকে দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান অলআউট হয়ে যায় ৪৭.৩ ওভারে।
বাংলাদেশের হয়ে বোলিংয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন রিশাদ হোসেন, তিনি ৩টি উইকেট নেন। এছাড়া মেহেদী হাসান মিরাজ নেন ২ উইকেট। তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান ও নাহিদ রানা একটি করে উইকেট পান।
শুরুতে বিনা উইকেটে ১০৩ রান তুলে বড় স্কোরের ইঙ্গিত দিলেও মাঝের ও শেষের দিকে উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান কিছুটা গতি হারায়। তবু শেষ পর্যন্ত তারা বাংলাদেশের সামনে ২৭৫ রানের লক্ষ্য দাঁড় করিয়েছে।
এখন এই লক্ষ্য তাড়া করে সিরিজ নিশ্চিত করার সুযোগ বাংলাদেশের সামনে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে