মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নাহিদ রানা ও মেহেদী হাসান মিরাজের বোলিং তোপে মাত্র ১১৪ রানে অলআউট হয়েছে পাকিস্তান।
বুধবার (১১ মার্চ) সিরিজের প্রথম ম্যাচে টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা অবশ্য মন্দ ছিল না পাকিস্তানের। ওপেনিংয়ে নেমে শাহেবজাদা ফারহান ও মাজ সাদাকাত প্রথম ৯ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়েই সংগ্রহ করেন ৩৫ রান।
তবে ইনিংসের দশম ওভারে বল হাতে এসেই দৃশ্যপট বদলে দেন নাহিদ রানা। নিজের প্রথম ওভারের প্রথম চার বলে ৬ রান দিলেও পঞ্চম বলটি ডট দেন এবং শেষ বলে উইকেট তুলে নেন।
ব্যক্তিগত ২৭ রানে (৩৮ বল) আফিফ হোসেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন শাহেবজাদা ফারহান। ১০ ওভার শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১ উইকেটে ৪১ রান।
প্রথম পাওয়ার প্লে শেষ হতেই আরও বিধ্বংসী হয়ে ওঠেন নাহিদ। টানা চার ওভারে আরও ৪টি উইকেট তুলে নিয়ে পাকিস্তানের টপ ও মিডল অর্ডার একাই ধসিয়ে দেন এই পেসার।
একে একে তার শিকারে পরিণত হন শাহেবজাদা ফারহান, মাজ সাদাকাত, শামাইল হুসাইন, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলী আঘা।
নাহিদ রানার পর বল হাতে ঘূর্ণি দেখান টাইগার অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। একে একে তুলে নেন তিন উইকেট। মেহেদী হাসান মিরাজের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন হুসাইন তালাত, আবদুল সামাদ ও শাহীন শাহ আফ্রিদি।
খেলার শুরুর দিকে পাকিস্তানের স্কোরবোর্ডে কোনো উইকেট না হারিয়ে রান ছিল ৪১, সেখান থেকে আরও ৪১ রান যোগ হতেই ৯টি উইকেট হারিয়ে ফেলে পাকিস্তান।
এমন পরিস্থিতিতে ১০০ রানের আগেই অলআউটের শঙ্কা জেগেছিল পাকিস্তানের। ১০ম উইকেটে ফাহিম আশরাফের ব্যাটে ভর করে সে শঙ্কা কাটিয়ে ১০০ রান পার করে পাকিস্তান। শেষ পর্যন্ত ৩০.৪ ওভার ব্যাট করে ১০ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১৪ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান।
ব্যাট হাতে পাকিস্তানের হয়ে ৩৮ বলে ২৭ রান করেন শাহেবজাদা ফারহান, ২৮ বলে ১৮ রান করেন মাজ সাদাকাত, এবং ৪৭ বলে ৩৭ রান করেন ফাহিম আশরাফ।
বল হাতে বাংলাদেশের হয়ে ৫টি উইকেট নেন নাহিদ রানা, ৩ উইকেট নেন মেহেদী হাসান মিরাজ এবং ১ উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
বুধবার (১১ মার্চ) সিরিজের প্রথম ম্যাচে টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা অবশ্য মন্দ ছিল না পাকিস্তানের। ওপেনিংয়ে নেমে শাহেবজাদা ফারহান ও মাজ সাদাকাত প্রথম ৯ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়েই সংগ্রহ করেন ৩৫ রান।
তবে ইনিংসের দশম ওভারে বল হাতে এসেই দৃশ্যপট বদলে দেন নাহিদ রানা। নিজের প্রথম ওভারের প্রথম চার বলে ৬ রান দিলেও পঞ্চম বলটি ডট দেন এবং শেষ বলে উইকেট তুলে নেন।
ব্যক্তিগত ২৭ রানে (৩৮ বল) আফিফ হোসেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন শাহেবজাদা ফারহান। ১০ ওভার শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১ উইকেটে ৪১ রান।
প্রথম পাওয়ার প্লে শেষ হতেই আরও বিধ্বংসী হয়ে ওঠেন নাহিদ। টানা চার ওভারে আরও ৪টি উইকেট তুলে নিয়ে পাকিস্তানের টপ ও মিডল অর্ডার একাই ধসিয়ে দেন এই পেসার।
একে একে তার শিকারে পরিণত হন শাহেবজাদা ফারহান, মাজ সাদাকাত, শামাইল হুসাইন, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলী আঘা।
নাহিদ রানার পর বল হাতে ঘূর্ণি দেখান টাইগার অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। একে একে তুলে নেন তিন উইকেট। মেহেদী হাসান মিরাজের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন হুসাইন তালাত, আবদুল সামাদ ও শাহীন শাহ আফ্রিদি।
খেলার শুরুর দিকে পাকিস্তানের স্কোরবোর্ডে কোনো উইকেট না হারিয়ে রান ছিল ৪১, সেখান থেকে আরও ৪১ রান যোগ হতেই ৯টি উইকেট হারিয়ে ফেলে পাকিস্তান।
এমন পরিস্থিতিতে ১০০ রানের আগেই অলআউটের শঙ্কা জেগেছিল পাকিস্তানের। ১০ম উইকেটে ফাহিম আশরাফের ব্যাটে ভর করে সে শঙ্কা কাটিয়ে ১০০ রান পার করে পাকিস্তান। শেষ পর্যন্ত ৩০.৪ ওভার ব্যাট করে ১০ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১৪ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান।
ব্যাট হাতে পাকিস্তানের হয়ে ৩৮ বলে ২৭ রান করেন শাহেবজাদা ফারহান, ২৮ বলে ১৮ রান করেন মাজ সাদাকাত, এবং ৪৭ বলে ৩৭ রান করেন ফাহিম আশরাফ।
বল হাতে বাংলাদেশের হয়ে ৫টি উইকেট নেন নাহিদ রানা, ৩ উইকেট নেন মেহেদী হাসান মিরাজ এবং ১ উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে