রাজধানীর বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি তেলের স্বল্পতার কারণে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন চালকরা। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় প্রতিদিনই পাম্পগুলোতে এমন দৃশ্য দেখা যাচ্ছে।
সোমবার (৯ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন পাম্প ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকেই তেল নেওয়ার জন্য দীর্ঘ লাইন। কেউ সেহরি শেষে লাইনে দাঁড়িয়েছেন, আবার কেউ ৬-৭ ঘণ্টা অপেক্ষার পর তেল নিতে সক্ষম হয়েছেন। অনেক চালকের কাছে তেল পাওয়া যেন ‘সোনার হরিণ’ পাওয়ার মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে।
চালকদের অভিযোগ, সীমিত পরিমাণে তেল দেওয়ায় তাদের দৈনন্দিন চাহিদা পূরণ হচ্ছে না। বর্তমানে প্রতি মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ২ লিটার, ব্যক্তিগত কারে ১০ লিটার এবং এসইউভি বা মাইক্রোবাসে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল দেওয়া হচ্ছে। ফলে অনেক চালক এক পাম্প থেকে আরেক পাম্পে ঘুরে তেল খুঁজতে বাধ্য হচ্ছেন। এক মোটরসাইকেল চালক বলেন, সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও প্রয়োজনমতো তেল পাননি তিনি।
অন্যদিকে পাম্প কর্তৃপক্ষ জানায়, তারা রেশনিং পদ্ধতিতে তেল সরবরাহ করছে। তবে ডিপো থেকে সময়মতো তেল না আসায় মাঝে মাঝে সরবরাহ বন্ধ রাখতে হচ্ছে। এ বিষয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ও যুদ্ধের কারণে অনেক শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তাই মজুত থাকা তেল সাশ্রয়ীভাবে ব্যবহারের জন্য রেশনিং চালু রাখতে বলা হয়েছে। তিনি আরও জানান, আপাতত জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। একই সঙ্গে অযথা মজুত না করে সাশ্রয়ী ব্যবহারের জন্যও সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
সোমবার (৯ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন পাম্প ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকেই তেল নেওয়ার জন্য দীর্ঘ লাইন। কেউ সেহরি শেষে লাইনে দাঁড়িয়েছেন, আবার কেউ ৬-৭ ঘণ্টা অপেক্ষার পর তেল নিতে সক্ষম হয়েছেন। অনেক চালকের কাছে তেল পাওয়া যেন ‘সোনার হরিণ’ পাওয়ার মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে।
চালকদের অভিযোগ, সীমিত পরিমাণে তেল দেওয়ায় তাদের দৈনন্দিন চাহিদা পূরণ হচ্ছে না। বর্তমানে প্রতি মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ২ লিটার, ব্যক্তিগত কারে ১০ লিটার এবং এসইউভি বা মাইক্রোবাসে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল দেওয়া হচ্ছে। ফলে অনেক চালক এক পাম্প থেকে আরেক পাম্পে ঘুরে তেল খুঁজতে বাধ্য হচ্ছেন। এক মোটরসাইকেল চালক বলেন, সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও প্রয়োজনমতো তেল পাননি তিনি।
অন্যদিকে পাম্প কর্তৃপক্ষ জানায়, তারা রেশনিং পদ্ধতিতে তেল সরবরাহ করছে। তবে ডিপো থেকে সময়মতো তেল না আসায় মাঝে মাঝে সরবরাহ বন্ধ রাখতে হচ্ছে। এ বিষয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ও যুদ্ধের কারণে অনেক শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তাই মজুত থাকা তেল সাশ্রয়ীভাবে ব্যবহারের জন্য রেশনিং চালু রাখতে বলা হয়েছে। তিনি আরও জানান, আপাতত জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। একই সঙ্গে অযথা মজুত না করে সাশ্রয়ী ব্যবহারের জন্যও সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন