উচ্চ সুদের হার, কমে আসা ট্যাক্স-জিডিপির অনুপাত এবং রপ্তানি বাজারে স্থবিরতার কারণে দেশের অর্থনীতি বাড়তি চাপে রয়েছে বলে মনে করছে ব্যবসায়ী মহল। তারা বলছেন, রপ্তানি বৈচিত্র্য ও নতুন বাজার অনুসন্ধানের পাশাপাশি নীতিগত সংস্কার ছাড়া অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়।
সোমবার (৯ মার্চ) রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত এক সেমিনারে এসব উদ্বেগ তুলে ধরেন সংগঠনটির সভাপতি তাসকীন আহমেদ। ‘বেসরকারি খাতের দৃষ্টিতে অর্থনীতির বিদ্যমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ পর্যালোচনা’ শীর্ষক সেমিনারটির আয়োজন করা হয়।
ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির আলোকে নীতিমালা হালনাগাদ করা জরুরি বলে মনে করছে ব্যবসায়ী মহল। এলডিসি উত্তরণের পর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাজারে প্রবেশাধিকার ধরে রাখা, বাণিজ্য প্রক্রিয়া সহজ করা এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণে জোর দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, এলডিসি থেকে উত্তরণের পর বৈশ্বিক বাণিজ্যে প্রতিযোগিতা আরও কঠিন হবে। এজন্য বাজারে প্রবেশাধিকার বজায় রাখা, বাণিজ্য প্রক্রিয়া সহজ করা এবং রপ্তানিমুখী খাত বহুমুখীকরণে নীতিগত জোর দিতে হবে। একই সঙ্গে এলডিসি উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় স্মুথ ট্রানজিশন স্ট্র্যাটেজি (এসএস) বাস্তবায়ন জরুরি। এর মধ্যে খাতভিত্তিক পরিকল্পনা ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
সোমবার (৯ মার্চ) রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত এক সেমিনারে এসব উদ্বেগ তুলে ধরেন সংগঠনটির সভাপতি তাসকীন আহমেদ। ‘বেসরকারি খাতের দৃষ্টিতে অর্থনীতির বিদ্যমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ পর্যালোচনা’ শীর্ষক সেমিনারটির আয়োজন করা হয়।
ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির আলোকে নীতিমালা হালনাগাদ করা জরুরি বলে মনে করছে ব্যবসায়ী মহল। এলডিসি উত্তরণের পর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাজারে প্রবেশাধিকার ধরে রাখা, বাণিজ্য প্রক্রিয়া সহজ করা এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণে জোর দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, এলডিসি থেকে উত্তরণের পর বৈশ্বিক বাণিজ্যে প্রতিযোগিতা আরও কঠিন হবে। এজন্য বাজারে প্রবেশাধিকার বজায় রাখা, বাণিজ্য প্রক্রিয়া সহজ করা এবং রপ্তানিমুখী খাত বহুমুখীকরণে নীতিগত জোর দিতে হবে। একই সঙ্গে এলডিসি উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় স্মুথ ট্রানজিশন স্ট্র্যাটেজি (এসএস) বাস্তবায়ন জরুরি। এর মধ্যে খাতভিত্তিক পরিকল্পনা ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন