নরসিংদীর মাধবদীতে ১৫ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। যে বাবাকে ছায়া মনে করা হয়, সেই সৎবাবার হাতেই প্রাণ হারিয়েছে কিশোরী। মেয়েকে হত্যার দায় স্বীকার করে শনিবার (৭ মার্চ) আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন সৎবারা আশরাফ আলী।
শনিবার দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন নরসিংদীর পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল-ফারুক।
পুলিশ সুপার জানান, গত ১০ ফেব্রুয়ারি নূর মোহাম্মদ নূরাসহ কয়েকজন কিশোরীকে গণধর্ষণ করেন। এ নিয়ে স্থানীয় সাবেক মেম্বারের বিচার-সালিসি এবং পারিবারিক অপমানের জেরে সৎমেয়ের ওপর ক্ষিপ্ত ছিলেন আশরাফ আলী।
পুলিশ সুপারের ভাষ্যমতে, পারিবারিক অপমান থেকে মুক্তি পেতে এবং অভিযুক্ত নূরাসহ অন্যদের ফাঁসাতে আশরাফ আলী কিশোরীকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি কিশোরীকে তাঁর আত্মীয়ের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে সরিষাখেতে নিয়ে যান আশরাফ। সেখানে তিনি একাই কিশোরীকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে মৃত্যু নিশ্চিত করেন এবং কৌশলে দায় চাপানোর চেষ্টা করেন পূর্ববর্তী ধর্ষকদের ওপর।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে
শনিবার দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন নরসিংদীর পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল-ফারুক।
পুলিশ সুপার জানান, গত ১০ ফেব্রুয়ারি নূর মোহাম্মদ নূরাসহ কয়েকজন কিশোরীকে গণধর্ষণ করেন। এ নিয়ে স্থানীয় সাবেক মেম্বারের বিচার-সালিসি এবং পারিবারিক অপমানের জেরে সৎমেয়ের ওপর ক্ষিপ্ত ছিলেন আশরাফ আলী।
পুলিশ সুপারের ভাষ্যমতে, পারিবারিক অপমান থেকে মুক্তি পেতে এবং অভিযুক্ত নূরাসহ অন্যদের ফাঁসাতে আশরাফ আলী কিশোরীকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি কিশোরীকে তাঁর আত্মীয়ের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে সরিষাখেতে নিয়ে যান আশরাফ। সেখানে তিনি একাই কিশোরীকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে মৃত্যু নিশ্চিত করেন এবং কৌশলে দায় চাপানোর চেষ্টা করেন পূর্ববর্তী ধর্ষকদের ওপর।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে