ছোট্ট একটি গ্রাম। একসময় বাড়ির আঙিনায় শখের বসে চাষ হতো লিচু। আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় এখন সেই গ্রামেই বাণিজ্যিক ভিত্তিতে লিচু চাষ করে ভাগ্য বদলেছেন শতাধিক মানুষ। পুরো গ্রাম এখন পরিচিত ‘লিচুর গ্রাম’ হিসেবে। ঐতিহ্য, পরিশ্রম আর প্রকৃতির আশীর্বাদ মিলিয়ে মঙ্গলবাড়িয়ার লিচু এখন শুধু একটি ফল নয়, পুরো গ্রামের অর্থনীতির প্রাণ।
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলা সদরের প্রায় দেড় কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত মঙ্গলবাড়িয়া গ্রামজুড়ে এখন সারি সারি লিচু গাছ। সবুজ পাতার ফাঁকে থোকায় থোকায় ঝুলছে সোনালি মুকুল। ফুলের মিষ্টি ঘ্রাণ আর মৌমাছির গুঞ্জনে মুখর পুরো গ্রাম। সরেজমিনে দেখা যায়, বাড়ির আঙিনা, জমির আইল ও সড়কের দুই পাশে সারি সারি লিচু গাছ। বাগান মালিকরা গাছের গোড়ায় পানি সেচ দিচ্ছেন, পোকা-মাকড়ের আক্রমণ ঠেকাতে স্প্রে করছেন নিয়মিত। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবারও ভালো ফলনের আশা করছেন কৃষকরা।
উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২০০ বছরের ঐতিহ্য রয়েছে এ গ্রামের লিচু চাষে। প্রথমে শখের চাষ হলেও এখন তা বাণিজ্যিক রূপ নিয়েছে। বর্তমানে গ্রামে প্রায় আট হাজার লিচু গাছ রয়েছে। অনুকূল আবহাওয়ায় এ বছর ৮ থেকে ১০ কোটি টাকার লিচু বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে।
লিচু চাষি মুখলেছুর রহমান বলেন, ‘আমার ৪০টি গাছ রয়েছে। এবার গাছে প্রচুর মুকুল এসেছে। ভালো ফলনের আশায় পরিচর্যা করছি।’ আরেক চাষি মো. জয়নাল আবেদীন জানান, ‘প্রতিটি গাছে পর্যাপ্ত মুকুল এসেছে। নিয়মিত সেচ ও স্প্রে দিচ্ছি, বাম্পার ফলনের আশা করছি।’ পাকুন্দিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নূর ই আলম বলেন, ‘মঙ্গলবাড়িয়ার মাটি লিচু চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। কৃষি অফিসের পরামর্শে চাষিরা নিয়মিত কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক ব্যবহার করছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবারও ভালো ফলন হবে।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলা সদরের প্রায় দেড় কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত মঙ্গলবাড়িয়া গ্রামজুড়ে এখন সারি সারি লিচু গাছ। সবুজ পাতার ফাঁকে থোকায় থোকায় ঝুলছে সোনালি মুকুল। ফুলের মিষ্টি ঘ্রাণ আর মৌমাছির গুঞ্জনে মুখর পুরো গ্রাম। সরেজমিনে দেখা যায়, বাড়ির আঙিনা, জমির আইল ও সড়কের দুই পাশে সারি সারি লিচু গাছ। বাগান মালিকরা গাছের গোড়ায় পানি সেচ দিচ্ছেন, পোকা-মাকড়ের আক্রমণ ঠেকাতে স্প্রে করছেন নিয়মিত। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবারও ভালো ফলনের আশা করছেন কৃষকরা।
উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২০০ বছরের ঐতিহ্য রয়েছে এ গ্রামের লিচু চাষে। প্রথমে শখের চাষ হলেও এখন তা বাণিজ্যিক রূপ নিয়েছে। বর্তমানে গ্রামে প্রায় আট হাজার লিচু গাছ রয়েছে। অনুকূল আবহাওয়ায় এ বছর ৮ থেকে ১০ কোটি টাকার লিচু বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে।
লিচু চাষি মুখলেছুর রহমান বলেন, ‘আমার ৪০টি গাছ রয়েছে। এবার গাছে প্রচুর মুকুল এসেছে। ভালো ফলনের আশায় পরিচর্যা করছি।’ আরেক চাষি মো. জয়নাল আবেদীন জানান, ‘প্রতিটি গাছে পর্যাপ্ত মুকুল এসেছে। নিয়মিত সেচ ও স্প্রে দিচ্ছি, বাম্পার ফলনের আশা করছি।’ পাকুন্দিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নূর ই আলম বলেন, ‘মঙ্গলবাড়িয়ার মাটি লিচু চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। কৃষি অফিসের পরামর্শে চাষিরা নিয়মিত কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক ব্যবহার করছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবারও ভালো ফলন হবে।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন