যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর খবরে ‘গভীর শোক’ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।
রোববার (১ মার্চ) এক এক্স পোস্টে তিনি খামেনির মৃত্যুকে ‘শাহাদৎ বরণ’ হিসেবে বর্ণনা করে ইরানি জনগণের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
শফিকুর রহমান লিখেছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শহীদ হওয়ার খবর আমাকে গভীরভাবে শোকাহত করেছে। এই কঠিন সময়ে ইরানি জনগণের প্রতি আমার অন্তরের সমবেদনা রইল। আল্লাহ তাদের দুঃখ সহ্য করার ধৈর্য ও শক্তি দান করুন।
ইরানি রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, শনিবার তেহরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন ৮৬ বছর বয়সী খামেনি।
তিনি ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন। তার মৃত্যুতে ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করেছে ইরান। দেশটির প্রেসিডেন্ট এই হত্যাকাণ্ডের সমুচিত জবাব দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন।
জামায়াত আমির শফিকুর সতর্ক করে বলেছেন, উত্তেজনা বৃদ্ধির ফলে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা বিপন্ন হতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিরতা ইতিমধ্যে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে গুরুতর ঝুঁকিতে ফেলেছে। কোনো অতিরিক্ত সামরিক উত্তেজনা শুধু একটি দেশকেই বিপন্ন করবে না, পুরো অঞ্চলকে ধ্বংসাত্মক সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে।
মুসলমানদের কাছে রমজানের পবিত্রতার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, এ ধরনের হামলা ‘মুসলিম বিশ্বের সাধারণ মানুষকে গভীরভাবে আহত করবে এবং ক্ষিপ্ত করবে’ এবং বৈশ্বিক শান্তির জন্য আরও হুমকি সৃষ্টি করবে।
যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল, ইরান এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধ করার এবং সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির।
তিনি লিখেছেন, আন্তর্জাতিক আইন, জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা এবং সাধারণ জনগণের সুরক্ষার ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে।
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় আরো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে জাতিসংঘ ও বিশ্ব নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন শফিকুর রহমান।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে
রোববার (১ মার্চ) এক এক্স পোস্টে তিনি খামেনির মৃত্যুকে ‘শাহাদৎ বরণ’ হিসেবে বর্ণনা করে ইরানি জনগণের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
শফিকুর রহমান লিখেছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শহীদ হওয়ার খবর আমাকে গভীরভাবে শোকাহত করেছে। এই কঠিন সময়ে ইরানি জনগণের প্রতি আমার অন্তরের সমবেদনা রইল। আল্লাহ তাদের দুঃখ সহ্য করার ধৈর্য ও শক্তি দান করুন।
ইরানি রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, শনিবার তেহরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন ৮৬ বছর বয়সী খামেনি।
তিনি ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন। তার মৃত্যুতে ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করেছে ইরান। দেশটির প্রেসিডেন্ট এই হত্যাকাণ্ডের সমুচিত জবাব দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন।
জামায়াত আমির শফিকুর সতর্ক করে বলেছেন, উত্তেজনা বৃদ্ধির ফলে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা বিপন্ন হতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিরতা ইতিমধ্যে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে গুরুতর ঝুঁকিতে ফেলেছে। কোনো অতিরিক্ত সামরিক উত্তেজনা শুধু একটি দেশকেই বিপন্ন করবে না, পুরো অঞ্চলকে ধ্বংসাত্মক সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে।
মুসলমানদের কাছে রমজানের পবিত্রতার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, এ ধরনের হামলা ‘মুসলিম বিশ্বের সাধারণ মানুষকে গভীরভাবে আহত করবে এবং ক্ষিপ্ত করবে’ এবং বৈশ্বিক শান্তির জন্য আরও হুমকি সৃষ্টি করবে।
যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল, ইরান এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধ করার এবং সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির।
তিনি লিখেছেন, আন্তর্জাতিক আইন, জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা এবং সাধারণ জনগণের সুরক্ষার ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে।
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় আরো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে জাতিসংঘ ও বিশ্ব নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন শফিকুর রহমান।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে