মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান এমন ক্ষেপণাস্ত্র (মিসাইল) তৈরির চেষ্টা করছে, যা সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে আঘাত হানতে সক্ষম। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণে ট্রাম্প বলেন, ‘তারা ইতোমধ্যে এমন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে, যা ইউরোপ এবং আমাদের বিদেশের ঘাঁটিগুলোর জন্য হুমকি। এখন তারা এমন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কাজ করছে, যা শিগগিরই আমেরিকায় পৌঁছাতে পারবে।’
এ সময় তেহরান দূরপাল্লার এমন প্রযুক্তি অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করছে, যা বিশ্বের খুব কম দেশের কাছে রয়েছে বলে মন্তব্য করেন ট্রাম্প।
২০২৫ সালে মার্কিন ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি জানিয়েছিল, তেহরান যদি সিদ্ধান্ত নেয়, তবে ২০৩৫ সালের মধ্যে তাদের পক্ষে আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা সম্ভব। তবে ইরান এমন কোনো সিদ্ধান্ত নিয়েছে কি না, তা সংস্থাটি নিশ্চিত করেনি।
মার্কিন কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ইরানের কাছে স্বল্প ও মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। এগুলোর সর্বোচ্চ পাল্লা প্রায় ৩ হাজার কিলোমিটার (১ হাজার ৮৫০ মাইল)। অন্যদিকে, ইরানের পশ্চিম প্রান্ত থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের দূরত্ব ছয় হাজার মাইলেরও বেশি।
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে একটি নতুন চুক্তিতে পৌঁছাতে ওয়াশিংটন ও তেহরান ইতোমধ্যে দুই দফা আলোচনা শেষ করেছে। ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে আগের চুক্তিটি বাতিল করেছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্র বারবার ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শূন্যে নামিয়ে আনার আহ্বান জানিয়ে আসছে। একই সঙ্গে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থনের বিষয়টিও সামনে এনেছে ওয়াশিংটন। তবে ইরান এসব দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।
এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে বিশাল সামরিক শক্তি মোতায়েন করেছেন ট্রাম্প। ওই অঞ্চলে দুটি বিমানবাহী রণতরীসহ এক ডজনের বেশি জাহাজ এবং বিপুল সংখ্যক যুদ্ধবিমান পাঠানো হয়েছে।
এ আলোচনা নতুন কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে তিনি বারবার ইরানে হামলার হুমকি দিয়ে আসছেন। আগামী বৃহস্পতিবার তেহরানের সঙ্গে পরবর্তী ধাপের আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
এ সময় তেহরান দূরপাল্লার এমন প্রযুক্তি অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করছে, যা বিশ্বের খুব কম দেশের কাছে রয়েছে বলে মন্তব্য করেন ট্রাম্প।
২০২৫ সালে মার্কিন ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি জানিয়েছিল, তেহরান যদি সিদ্ধান্ত নেয়, তবে ২০৩৫ সালের মধ্যে তাদের পক্ষে আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা সম্ভব। তবে ইরান এমন কোনো সিদ্ধান্ত নিয়েছে কি না, তা সংস্থাটি নিশ্চিত করেনি।
মার্কিন কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ইরানের কাছে স্বল্প ও মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। এগুলোর সর্বোচ্চ পাল্লা প্রায় ৩ হাজার কিলোমিটার (১ হাজার ৮৫০ মাইল)। অন্যদিকে, ইরানের পশ্চিম প্রান্ত থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের দূরত্ব ছয় হাজার মাইলেরও বেশি।
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে একটি নতুন চুক্তিতে পৌঁছাতে ওয়াশিংটন ও তেহরান ইতোমধ্যে দুই দফা আলোচনা শেষ করেছে। ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে আগের চুক্তিটি বাতিল করেছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্র বারবার ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শূন্যে নামিয়ে আনার আহ্বান জানিয়ে আসছে। একই সঙ্গে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থনের বিষয়টিও সামনে এনেছে ওয়াশিংটন। তবে ইরান এসব দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।
এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে বিশাল সামরিক শক্তি মোতায়েন করেছেন ট্রাম্প। ওই অঞ্চলে দুটি বিমানবাহী রণতরীসহ এক ডজনের বেশি জাহাজ এবং বিপুল সংখ্যক যুদ্ধবিমান পাঠানো হয়েছে।
এ আলোচনা নতুন কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে তিনি বারবার ইরানে হামলার হুমকি দিয়ে আসছেন। আগামী বৃহস্পতিবার তেহরানের সঙ্গে পরবর্তী ধাপের আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে