রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় ৪ পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদ আলম গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
ডিসি মাসুদ আলম বলেন, শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা কাটাকাটির জেরে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার সময় ডিউটিতে থাকা পুলিশের চার সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে দুই সাংবাদিক, শিক্ষার্থী নাঈম উদ্দীনসহ কয়েকজন দর্শনার্থী পুলিশের মারধরের শিকার হন। ভুক্তভোগী দুই সাংবাদিক হলেন—বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের তোফায়েল আহমেদ (২৫) এবং আজকের পত্রিকার কাউসার আহমেদ রিপন (২৭)।
পরে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, একদল পুলিশ সদস্য তোফায়েলকে লাঠি দিয়ে নির্বিচারে পেটাচ্ছেন। পরে অন্য পুলিশ সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদ আলম গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
ডিসি মাসুদ আলম বলেন, শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা কাটাকাটির জেরে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার সময় ডিউটিতে থাকা পুলিশের চার সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে দুই সাংবাদিক, শিক্ষার্থী নাঈম উদ্দীনসহ কয়েকজন দর্শনার্থী পুলিশের মারধরের শিকার হন। ভুক্তভোগী দুই সাংবাদিক হলেন—বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের তোফায়েল আহমেদ (২৫) এবং আজকের পত্রিকার কাউসার আহমেদ রিপন (২৭)।
পরে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, একদল পুলিশ সদস্য তোফায়েলকে লাঠি দিয়ে নির্বিচারে পেটাচ্ছেন। পরে অন্য পুলিশ সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে