ভারতের সঙ্গে করা সব চুক্তি পর্যালোচনা হচ্ছে, ক্ষতিগ্রস্ত হলে বাদ বলে মন্তব্য করেছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মোংলা বন্দর পরিদর্শনে এসে এ মন্তব্য করেন তিনি।
নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, বিদেশের সঙ্গে আমরা চুক্তি করে থাকি। সেই চুক্তি যদি আমাদের দেশের স্বার্থ রক্ষা হয় তাহলে করা যাবে। সব কিছুর আগে আমাদের বাণিজ্য,অর্থনীতি, স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব প্রাধান্য পাবে।
তিনি বলেন, চুক্তি রাখা না গেলেও নিয়ম মেনে বাতিল করতে হবে। সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং তা স্বচ্ছতার, জবাব দিহিতার ও দেশের স্বার্থে করব।
তিনি আরও বলেন, মোংলা বন্দরের অনেক সক্ষমতা রয়েছে। যা কাজে লাগানো হয়নি। আমরা তা পুরোপুরি কাজে লাগাতে চাই।
মন্ত্রী বলেন, অল্প কিছু সুযোগ-সুবিধা যদি নিশ্চিত করতে পারি তাহলে মোংলা বন্দরকেও চিটাগাং বন্দরের মত সফল এবং সক্ষম বন্দর হিসেবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব হবে। সরকারের ১৮০ দিনের মধ্যে অগ্রাধিকার চিহ্নিত করে বাস্তবায়ন করার অঙ্গিকার আছে। সেই ৬ মাসের অগ্রাধিকার প্লানে মোংলা বন্দরকে চিহ্নিত করা হয়েছে। সুতরাং ৬ মাসের মধ্যে মোংলা বন্দরের আমূল পরিবর্তন দেখতে পাবেন।
এসময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নুরুন্নাহার চৌধুরী, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল শাহীন রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে তিনি বন্দরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, বিদেশের সঙ্গে আমরা চুক্তি করে থাকি। সেই চুক্তি যদি আমাদের দেশের স্বার্থ রক্ষা হয় তাহলে করা যাবে। সব কিছুর আগে আমাদের বাণিজ্য,অর্থনীতি, স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব প্রাধান্য পাবে।
তিনি বলেন, চুক্তি রাখা না গেলেও নিয়ম মেনে বাতিল করতে হবে। সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং তা স্বচ্ছতার, জবাব দিহিতার ও দেশের স্বার্থে করব।
তিনি আরও বলেন, মোংলা বন্দরের অনেক সক্ষমতা রয়েছে। যা কাজে লাগানো হয়নি। আমরা তা পুরোপুরি কাজে লাগাতে চাই।
মন্ত্রী বলেন, অল্প কিছু সুযোগ-সুবিধা যদি নিশ্চিত করতে পারি তাহলে মোংলা বন্দরকেও চিটাগাং বন্দরের মত সফল এবং সক্ষম বন্দর হিসেবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব হবে। সরকারের ১৮০ দিনের মধ্যে অগ্রাধিকার চিহ্নিত করে বাস্তবায়ন করার অঙ্গিকার আছে। সেই ৬ মাসের অগ্রাধিকার প্লানে মোংলা বন্দরকে চিহ্নিত করা হয়েছে। সুতরাং ৬ মাসের মধ্যে মোংলা বন্দরের আমূল পরিবর্তন দেখতে পাবেন।
এসময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নুরুন্নাহার চৌধুরী, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল শাহীন রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে তিনি বন্দরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে