আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-৯ আসনের সার্বিক উন্নয়ন ও নাগরিক বঞ্চনা দূর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিব। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো ও নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে একটি আধুনিক ও বাসযোগ্য ঢাকা-৯ গড়ে তোলার কথা জানান তিনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে হাবিব বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেবল সংসদ সদস্য বাছাইয়ের প্রক্রিয়া নয়; এটি জনগণের দীর্ঘদিনের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের লড়াই। তাঁর ভাষায়, জুলাই–আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে অর্জিত এই অধিকার প্রয়োগ করা এখন নাগরিক দায়িত্বের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় ও নৈতিক কর্তব্য।
ঢাকা-৯ এলাকাকে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে অবহেলিত উল্লেখ করে হাবিব বলেন, এই সময়কালে এখানকার মানুষ শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও আধুনিক নগর সুবিধা থেকে বঞ্চিত থেকেছেন। নির্বাচিত হলে তিনি পিছিয়ে থাকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও চিকিৎসা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন এবং ব্যবস্থাপনায় আধুনিকতা আনতে কাজ করবেন বলে জানান। অবকাঠামো উন্নয়ন প্রসঙ্গে বিএনপি প্রার্থী বলেন, বিগত বছরগুলোতে পরিকল্পিত নগরায়নের অভাবে এলাকাজুড়ে ভাঙাচোরা রাস্তা, গ্যাস সংকট ও জলাবদ্ধতা স্থায়ী সমস্যায় রূপ নিয়েছে। তাঁর অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে—গ্যাস সংকট নিরসন, সড়ক সংস্কার, ব্রিজ ও কালভার্ট মেরামত এবং ভরাট হয়ে যাওয়া খাল পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা দূর করা। তিনি আরও জানান, জরাজীর্ণ বাঁশের সাঁকোর পরিবর্তে টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ, টিনশেড স্কুল আধুনিকায়ন এবং বিজ্ঞানভিত্তিক মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে হাবিব বলেন, মাদক ও সন্ত্রাস এই এলাকার বড় চ্যালেঞ্জ। নির্বাচিত হলে ঢাকা-৯ কে সহিংসতা ও অপরাধমুক্ত করতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে দলীয় পরিচয়ের কোনো ছাড় থাকবে না বলেও তিনি স্পষ্ট করেন। অপরাধে জড়িত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হবে। বর্তমান নির্বাচনী পরিবেশ সম্পর্কে তিনি বলেন, ঢাকা-৯ এ প্রার্থীদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রয়েছে এবং তাঁর কর্মীরা নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করছেন। তিনি একটি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর ভোটের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
রাষ্ট্র সংস্কার প্রসঙ্গে হাবিব জানান, বিএনপি গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সংস্কার প্রক্রিয়ার পক্ষে রয়েছে। জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে জনগণের মতামতের প্রতিফলনের মাধ্যমে এ সংস্কার বাস্তবায়িত হলে দেশে গুণগত রাজনৈতিক পরিবর্তন আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তরুণদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপির ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাবের কেন্দ্রে রয়েছে তরুণ সমাজ। ঢাকা-৯ এলাকার তরুণদের জন্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, খেলাধুলার সুযোগ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি তাঁর নির্বাচনী অঙ্গীকারের অন্যতম অংশ। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রসঙ্গে হাবিব বলেন, তিনি কাউকে প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখেন না; সবাইকে সহযোদ্ধা মনে করেন। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি উন্নত ঢাকা-৯ এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলাই তাঁর লক্ষ্য। খিলগাঁও, সবুজবাগ ও মুগদা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৯ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৬৯ হাজার ৩৬০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩৭ হাজার ৬৭৩ জন এবং নারী ভোটার ২ লাখ ৩১ হাজার ৬৮২ জন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/ নিরব/এনআইএন
ঢাকা-৯ এলাকাকে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে অবহেলিত উল্লেখ করে হাবিব বলেন, এই সময়কালে এখানকার মানুষ শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও আধুনিক নগর সুবিধা থেকে বঞ্চিত থেকেছেন। নির্বাচিত হলে তিনি পিছিয়ে থাকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও চিকিৎসা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন এবং ব্যবস্থাপনায় আধুনিকতা আনতে কাজ করবেন বলে জানান। অবকাঠামো উন্নয়ন প্রসঙ্গে বিএনপি প্রার্থী বলেন, বিগত বছরগুলোতে পরিকল্পিত নগরায়নের অভাবে এলাকাজুড়ে ভাঙাচোরা রাস্তা, গ্যাস সংকট ও জলাবদ্ধতা স্থায়ী সমস্যায় রূপ নিয়েছে। তাঁর অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে—গ্যাস সংকট নিরসন, সড়ক সংস্কার, ব্রিজ ও কালভার্ট মেরামত এবং ভরাট হয়ে যাওয়া খাল পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা দূর করা। তিনি আরও জানান, জরাজীর্ণ বাঁশের সাঁকোর পরিবর্তে টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ, টিনশেড স্কুল আধুনিকায়ন এবং বিজ্ঞানভিত্তিক মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে হাবিব বলেন, মাদক ও সন্ত্রাস এই এলাকার বড় চ্যালেঞ্জ। নির্বাচিত হলে ঢাকা-৯ কে সহিংসতা ও অপরাধমুক্ত করতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে দলীয় পরিচয়ের কোনো ছাড় থাকবে না বলেও তিনি স্পষ্ট করেন। অপরাধে জড়িত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হবে। বর্তমান নির্বাচনী পরিবেশ সম্পর্কে তিনি বলেন, ঢাকা-৯ এ প্রার্থীদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রয়েছে এবং তাঁর কর্মীরা নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করছেন। তিনি একটি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর ভোটের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
রাষ্ট্র সংস্কার প্রসঙ্গে হাবিব জানান, বিএনপি গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সংস্কার প্রক্রিয়ার পক্ষে রয়েছে। জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে জনগণের মতামতের প্রতিফলনের মাধ্যমে এ সংস্কার বাস্তবায়িত হলে দেশে গুণগত রাজনৈতিক পরিবর্তন আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তরুণদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপির ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাবের কেন্দ্রে রয়েছে তরুণ সমাজ। ঢাকা-৯ এলাকার তরুণদের জন্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, খেলাধুলার সুযোগ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি তাঁর নির্বাচনী অঙ্গীকারের অন্যতম অংশ। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রসঙ্গে হাবিব বলেন, তিনি কাউকে প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখেন না; সবাইকে সহযোদ্ধা মনে করেন। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি উন্নত ঢাকা-৯ এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলাই তাঁর লক্ষ্য। খিলগাঁও, সবুজবাগ ও মুগদা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৯ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৬৯ হাজার ৩৬০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩৭ হাজার ৬৭৩ জন এবং নারী ভোটার ২ লাখ ৩১ হাজার ৬৮২ জন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/ নিরব/এনআইএন