নারীদের প্রতি জামায়াতে ইসলামীর মনোভাব নিয়ে নানা নেতিবাচক প্রচারণা আমলে নিতে রাজি নন দলটির কুড়িগ্রামের সমর্থক নারীরা। নেতিবাচক প্রচারণাকে ‘অপপ্রচার ও ভুয়া’ দাবি করে তারা বলছেন, সবাইকে দেখছি। এবার জামায়াতকে ভোট দিয়ে দেখতে চাই।’ সম্প্রতি বিভিন্ন জনসভায় আসানারীদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। বিশেষ কর বুধবার কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠে জেলা জামায়াত আয়োজিত জনসভায় আসা নারীরাই জামায়াতে ভোট দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার নুড়িকা বলেন, ‘আগে তো সবাইকে দেখছি। ইসলামী দল হিসেবে এবার জামায়াতকে ভোট দিয়ে দেখতে চাই। আল্লাহ যদি চান তাহলে জামায়াত ক্ষমতায় আসবে।’ জামায়াতে আস্থা রাখার প্রশ্নে এই গৃহবধূ বলেন, ‘এই দলেই এবার আস্থা রাখতে চাই।’ জামায়াতের আমিরের নামে ছড়ানো নারী বিদ্বেষী পোস্ট সম্পর্কে জানতে চাইলে সভায় আসা কুড়িগ্রাম সদরের নারী শিক্ষার্থী জ্যোতি বলেন, ‘ওসব ভুয়া। আমরা বিশ্বাস করি না। জামায়াত ওসব কাজ করে না। অন্য দল ওসব ছড়িয়ে জামায়াতকে দোষারোপ করছে। আমরা এসব বুঝি।
জ্যোতির কথার সূত্র ধরে রাজারহাট উপজেলা থেকে আসা আরেক গৃহবধূ খাদিজা আক্তার বলেন, ‘ওসব গুজব ছড়িয়ে লাভ নেই। আমরা এবার জামায়াতকে দেখতে চাই। তাদের ওপর আস্থা রাখতে চাই। তারা যদি অন্য দলের মতো হয় তাহলে তাদের আমরা প্রত্যাখ্যান করতেও পারবো। আমাদের হাতেই সব।’ উপস্থিত একাধিক নারীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জামায়াত সম্পর্কে তাদের বিশ্বাস ও আস্থা দৃঢ়। প্রতিপক্ষের বিরোধিতা এবং নানা নেতিবাচক প্রচারণা দলের প্রতি এই নারীদের আস্থায় চিড় ধরাতে পারেনি। জামায়াত নারীদের জন্য যে নিরাপত্তা ও মর্যাদার রাষ্ট্র গঠনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে তার প্রতি আস্থা রাখতে চান সমাবেশে আসা নারীরা।
ফুলবাড়ী উপজেলা থেকে সমাবেশে আসা গৃহবধূ উম্মে কুলসুম বলেন, ‘নিভু নিভু আগুন অল্প বাতাসে নিভে যায়। জ্বলন্ত কুণ্ডলি তীব্র বাতাসেও নিভে না। বরং আরও তীব্রভাবে জ্বলে উঠে। জামায়াত সেই জ্বলন্ত কুণ্ডলি। এটা নিভবে না। আমরা জেনে বুঝে জামায়াতকে সমর্থন দিচ্ছি।’দলের প্রতি নারীদের ক্রমবর্ধমান সমর্থনকে উৎসাহ দিয়েছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি জুলাই আন্দোলনে দেশের নারীদের অংশগ্রহণকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। জামায়াত আমির বলেন, ‘মা তোমাকে সালাম। মায়েদের যে অবদান তা ভোলার নয়। পুলিশের গুলির সামনে দাঁড়িয়ে তারা বলেছেন, “পেছনে পুলিশ, সামনে স্বাধীনতা।” তারা স্বাধীনতা বেছে নিয়েছেন।’ ডা. শফিকুর রহমান নারীদের উদ্দেশে বলেন, ‘মায়েরা ভয় পাবেন না। আমি জানি আপনারা ভয় পান না। তারপরও আপনাদের সন্তান হিসেবে আমাদের দায়িত্ব আপনাদের শক্তি সাহস জোগানো। আপনারা লড়ে যাবেন, চোখ চোখ রেখে কথা বলবেন। এটা আমার বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশে আর কোনও জমিদার মেনে নেবো না। আমরা কথা দিচ্ছি। আপনাদের আবাসস্থলে, রাস্তাঘাটে চলাচলে, কর্মস্থলে-সব জায়গায় আপনাদের শতভাগ নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা হবে।’ সভা শেষে পৃথক পথ দিয়ে সুশৃঙ্খলভাবে সভাস্থল ত্যাগ করেন নারীরা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার নুড়িকা বলেন, ‘আগে তো সবাইকে দেখছি। ইসলামী দল হিসেবে এবার জামায়াতকে ভোট দিয়ে দেখতে চাই। আল্লাহ যদি চান তাহলে জামায়াত ক্ষমতায় আসবে।’ জামায়াতে আস্থা রাখার প্রশ্নে এই গৃহবধূ বলেন, ‘এই দলেই এবার আস্থা রাখতে চাই।’ জামায়াতের আমিরের নামে ছড়ানো নারী বিদ্বেষী পোস্ট সম্পর্কে জানতে চাইলে সভায় আসা কুড়িগ্রাম সদরের নারী শিক্ষার্থী জ্যোতি বলেন, ‘ওসব ভুয়া। আমরা বিশ্বাস করি না। জামায়াত ওসব কাজ করে না। অন্য দল ওসব ছড়িয়ে জামায়াতকে দোষারোপ করছে। আমরা এসব বুঝি।
জ্যোতির কথার সূত্র ধরে রাজারহাট উপজেলা থেকে আসা আরেক গৃহবধূ খাদিজা আক্তার বলেন, ‘ওসব গুজব ছড়িয়ে লাভ নেই। আমরা এবার জামায়াতকে দেখতে চাই। তাদের ওপর আস্থা রাখতে চাই। তারা যদি অন্য দলের মতো হয় তাহলে তাদের আমরা প্রত্যাখ্যান করতেও পারবো। আমাদের হাতেই সব।’ উপস্থিত একাধিক নারীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জামায়াত সম্পর্কে তাদের বিশ্বাস ও আস্থা দৃঢ়। প্রতিপক্ষের বিরোধিতা এবং নানা নেতিবাচক প্রচারণা দলের প্রতি এই নারীদের আস্থায় চিড় ধরাতে পারেনি। জামায়াত নারীদের জন্য যে নিরাপত্তা ও মর্যাদার রাষ্ট্র গঠনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে তার প্রতি আস্থা রাখতে চান সমাবেশে আসা নারীরা।
ফুলবাড়ী উপজেলা থেকে সমাবেশে আসা গৃহবধূ উম্মে কুলসুম বলেন, ‘নিভু নিভু আগুন অল্প বাতাসে নিভে যায়। জ্বলন্ত কুণ্ডলি তীব্র বাতাসেও নিভে না। বরং আরও তীব্রভাবে জ্বলে উঠে। জামায়াত সেই জ্বলন্ত কুণ্ডলি। এটা নিভবে না। আমরা জেনে বুঝে জামায়াতকে সমর্থন দিচ্ছি।’দলের প্রতি নারীদের ক্রমবর্ধমান সমর্থনকে উৎসাহ দিয়েছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি জুলাই আন্দোলনে দেশের নারীদের অংশগ্রহণকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। জামায়াত আমির বলেন, ‘মা তোমাকে সালাম। মায়েদের যে অবদান তা ভোলার নয়। পুলিশের গুলির সামনে দাঁড়িয়ে তারা বলেছেন, “পেছনে পুলিশ, সামনে স্বাধীনতা।” তারা স্বাধীনতা বেছে নিয়েছেন।’ ডা. শফিকুর রহমান নারীদের উদ্দেশে বলেন, ‘মায়েরা ভয় পাবেন না। আমি জানি আপনারা ভয় পান না। তারপরও আপনাদের সন্তান হিসেবে আমাদের দায়িত্ব আপনাদের শক্তি সাহস জোগানো। আপনারা লড়ে যাবেন, চোখ চোখ রেখে কথা বলবেন। এটা আমার বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশে আর কোনও জমিদার মেনে নেবো না। আমরা কথা দিচ্ছি। আপনাদের আবাসস্থলে, রাস্তাঘাটে চলাচলে, কর্মস্থলে-সব জায়গায় আপনাদের শতভাগ নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা হবে।’ সভা শেষে পৃথক পথ দিয়ে সুশৃঙ্খলভাবে সভাস্থল ত্যাগ করেন নারীরা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন