ঢাকা ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো)-এর সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাউসার আমীর আলী (৬৫) ও প্রতিষ্ঠানটির প্রধান প্রকৌশলী শামীম আহসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে প্রায় ৭৪ কোটি ৮৩ লাখ টাকা রাষ্ট্রীয় ক্ষতিসাধনের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদকের অনুমোদনক্রমে গত ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ঢাকা মহানগরের সংশ্লিষ্ট থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলাটি দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারা ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় রুজু করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তরা পরস্পর যোগসাজশে দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। সরকার কর্তৃক জারি করা একাধিক প্রজ্ঞাপন ও নির্দেশনা অমান্য করে তারা নিজস্ব ডাটা সেন্টার নির্মাণের উদ্যোগ নেন। এতে রাষ্ট্রীয় অর্থ সাশ্রয়ের সুযোগ নষ্ট হয় এবং সরকারের আর্থিক ক্ষতি সাধিত হয়।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে আলাদা ডাটা সেন্টার নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় এবং সব সরকারি তথ্য সরকারের সেন্ট্রাল ডাটা সেন্টারে সংরক্ষণের নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ লক্ষ্যে ২০২০ সালে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ‘বাংলাদেশ ডাটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেড’ (BDCCL) চালু করা হয়।
দুদকের তদন্তে উঠে আসে, ২০২১ সালের জানুয়ারিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ থেকে স্পষ্ট নির্দেশনা জারি করা হলেও ডেসকো তা অনুসরণ করেনি। বরং সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ২০২১ সালের এপ্রিলে প্রায় ৭১ কোটি টাকার আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয় নিজস্ব ডাটা সেন্টার নির্মাণের জন্য।
দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্ত ছিল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং এতে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে রাষ্ট্রের ৭৪ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯২ টাকা ক্ষতি হয়েছে।
দুদক জানায়, অভিযুক্তরা সরকারি আদেশ অমান্য করে আর্থিক অসদাচরণ করেছেন এবং অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষতি সাধন করেছেন। প্রাপ্ত রেকর্ডপত্র, সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ও তদন্ত বিশ্লেষণের ভিত্তিতেই মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
দুদকের অনুমোদনক্রমে গত ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ঢাকা মহানগরের সংশ্লিষ্ট থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলাটি দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারা ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় রুজু করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তরা পরস্পর যোগসাজশে দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। সরকার কর্তৃক জারি করা একাধিক প্রজ্ঞাপন ও নির্দেশনা অমান্য করে তারা নিজস্ব ডাটা সেন্টার নির্মাণের উদ্যোগ নেন। এতে রাষ্ট্রীয় অর্থ সাশ্রয়ের সুযোগ নষ্ট হয় এবং সরকারের আর্থিক ক্ষতি সাধিত হয়।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে আলাদা ডাটা সেন্টার নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় এবং সব সরকারি তথ্য সরকারের সেন্ট্রাল ডাটা সেন্টারে সংরক্ষণের নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ লক্ষ্যে ২০২০ সালে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ‘বাংলাদেশ ডাটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেড’ (BDCCL) চালু করা হয়।
দুদকের তদন্তে উঠে আসে, ২০২১ সালের জানুয়ারিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ থেকে স্পষ্ট নির্দেশনা জারি করা হলেও ডেসকো তা অনুসরণ করেনি। বরং সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ২০২১ সালের এপ্রিলে প্রায় ৭১ কোটি টাকার আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয় নিজস্ব ডাটা সেন্টার নির্মাণের জন্য।
দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্ত ছিল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং এতে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে রাষ্ট্রের ৭৪ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯২ টাকা ক্ষতি হয়েছে।
দুদক জানায়, অভিযুক্তরা সরকারি আদেশ অমান্য করে আর্থিক অসদাচরণ করেছেন এবং অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষতি সাধন করেছেন। প্রাপ্ত রেকর্ডপত্র, সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ও তদন্ত বিশ্লেষণের ভিত্তিতেই মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন