আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন–২০২৬ উপলক্ষে গণভোট ও ভোটার সচেতনতা কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশনা থাকলেও নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলায় এখন পর্যন্ত প্রশাসনের দৃশ্যমান কার্যক্রম সীমিত রয়েছে। ফলে ভোটারদের মধ্যে গণভোট সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণার অভাব দেখা দিয়েছে এবং এতে অংশগ্রহণ কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, নলডাঙ্গা উপজেলায় মোট ভোটারের সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৬৫ হাজার। এর মধ্যে নতুন ভোটার প্রায় ৭ হাজার এবং নারী ভোটার প্রায় ৮২ হাজার, যা মোট ভোটারের প্রায় ৫০ শতাংশের কাছাকাছি। তবে এত বড় ভোটার জনগোষ্ঠীর মধ্যে গণভোট বিষয়ে ব্যাপক প্রচার ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম এখনো চোখে পড়েনি।
নতুন ভোটারদের একাংশ জানান, ভোটার তালিকায় নাম থাকলেও গণভোটের উদ্দেশ্য ও ভোট প্রদানের প্রক্রিয়া সম্পর্কে তারা পরিষ্কার নন। একজন নতুন ভোটার মারুফ হোসেন বলেন, “আমাদের কোনো প্রশিক্ষণ বা সভায় ডাকা হয়নি। গণভোটে কীভাবে ভোট দিতে হবে, সেটাই জানি না।” সাধারণ ভোটারদের অভিযোগ, সাধারণ ভোটারদের অভিযোগ, নির্বাচন ঘনিয়ে এলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং, লিফলেট বিতরণ বা উঠান বৈঠকের মতো কার্যক্রম দেখা যাচ্ছে না। একজন ভোটার বলেন,“ভোটার সচেতনতা ছাড়া সুষ্ঠু অংশগ্রহণ সম্ভব নয়। এখনো যদি উদ্যোগ না নেওয়া হয়, তাহলে অনেকেই ভোটকেন্দ্রে যাবেন না।” নারী ভোটার বলেন,নারী ভোটারদের ভাষ্য, গণভোট নিয়ে আলাদা কোনো নারী-কেন্দ্রিক সচেতনতা কার্যক্রম না থাকায় তারা অনিশ্চয়তায় রয়েছেন। এক নারী ভোটার জাহেদ বেগম রুহি বলেন,“নারীদের জন্য কী সুবিধা থাকবে বা সহায়তা কোথায় পাব—এ বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।” নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, গণভোট সফল করতে মাঠপর্যায়ে ব্যাপক প্রচার চালানোর কথা বলা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এক নির্দেশনায় বলা হয়, “ভোটারদের মধ্যে গণভোটের উদ্দেশ্য, গুরুত্ব ও ভোট প্রদানের পদ্ধতি স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে উপজেলা প্রশাসন ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে সমন্বিতভাবে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।”
এ বিষয়ে নলডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, “নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী গণভোট ও ভোটার সচেতনতা কার্যক্রম বাস্তবায়নের চলছে। মাইকিং, সভা ও প্রচার কার্যক্রম চলমান হ্যান্ড বিল প্রচারণা আর জোরদার করা হবে। নারী ভোটারদের প্রচারণার জন্য মহিলা অধিদপ্তর ও তথ্য আপারা কাজ করছে।” তবে স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের মতে, ভোটের সময় ঘনিয়ে আসায় দ্রুত মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম শুরু না হলে গণভোটে প্রত্যাশিত ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে। তারা মনে করছেন, বিশেষ করে নতুন ও নারী ভোটারদের লক্ষ্য করে আলাদা উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
নতুন ভোটারদের একাংশ জানান, ভোটার তালিকায় নাম থাকলেও গণভোটের উদ্দেশ্য ও ভোট প্রদানের প্রক্রিয়া সম্পর্কে তারা পরিষ্কার নন। একজন নতুন ভোটার মারুফ হোসেন বলেন, “আমাদের কোনো প্রশিক্ষণ বা সভায় ডাকা হয়নি। গণভোটে কীভাবে ভোট দিতে হবে, সেটাই জানি না।” সাধারণ ভোটারদের অভিযোগ, সাধারণ ভোটারদের অভিযোগ, নির্বাচন ঘনিয়ে এলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং, লিফলেট বিতরণ বা উঠান বৈঠকের মতো কার্যক্রম দেখা যাচ্ছে না। একজন ভোটার বলেন,“ভোটার সচেতনতা ছাড়া সুষ্ঠু অংশগ্রহণ সম্ভব নয়। এখনো যদি উদ্যোগ না নেওয়া হয়, তাহলে অনেকেই ভোটকেন্দ্রে যাবেন না।” নারী ভোটার বলেন,নারী ভোটারদের ভাষ্য, গণভোট নিয়ে আলাদা কোনো নারী-কেন্দ্রিক সচেতনতা কার্যক্রম না থাকায় তারা অনিশ্চয়তায় রয়েছেন। এক নারী ভোটার জাহেদ বেগম রুহি বলেন,“নারীদের জন্য কী সুবিধা থাকবে বা সহায়তা কোথায় পাব—এ বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।” নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, গণভোট সফল করতে মাঠপর্যায়ে ব্যাপক প্রচার চালানোর কথা বলা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এক নির্দেশনায় বলা হয়, “ভোটারদের মধ্যে গণভোটের উদ্দেশ্য, গুরুত্ব ও ভোট প্রদানের পদ্ধতি স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে উপজেলা প্রশাসন ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে সমন্বিতভাবে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।”
এ বিষয়ে নলডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, “নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী গণভোট ও ভোটার সচেতনতা কার্যক্রম বাস্তবায়নের চলছে। মাইকিং, সভা ও প্রচার কার্যক্রম চলমান হ্যান্ড বিল প্রচারণা আর জোরদার করা হবে। নারী ভোটারদের প্রচারণার জন্য মহিলা অধিদপ্তর ও তথ্য আপারা কাজ করছে।” তবে স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের মতে, ভোটের সময় ঘনিয়ে আসায় দ্রুত মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম শুরু না হলে গণভোটে প্রত্যাশিত ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে। তারা মনে করছেন, বিশেষ করে নতুন ও নারী ভোটারদের লক্ষ্য করে আলাদা উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন