পঞ্চগড়ে টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলছে শৈত্যপ্রবাহ। কখনও মৃদু আবার কখনও মাঝারি। তবে গত ১০ দিন ধরে দিনের বেলায় ঝলমলে রোদের কারণে বেড়েছে তাপমাত্রা। এতে করে জনজীবনে কমেছে ভোগান্তি। দিনের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার ফলে এখন শুধু সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত শীত অনুভূত হচ্ছে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ঠেকেছে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ভোরে পঞ্চগড়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রির ঘরে।
এদিকে, শীতার্থ মানুষ দিনের সূর্যের তাপে সেরে নিচ্ছে তাদের গৃহস্থালী কাজকর্ম। ঘণ কুয়াশা কমে যাওয়ায় এ সময়ের অর্থকরী ফসল আলু, টমেটো, বোরো বীজ তলা ঝুকির মুখ থেকে রক্ষা পেয়েছে। তবে শীত কিছুটা কমে গেলেও শীতজনিত নানা রোগ বালাই বাড়ছে। বিশেষ করে শিশু এবং বয়স্ক মানুষ প্রতিদিন নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হচ্ছে হাসপাতালগুলোতে। জায়গার অভাবে তাদের চিকিৎসা নিতে হচ্ছে হাসপাতালের মেঝে এবং বারান্দায়। ফলে দুর্ভোগ বেড়েছে তাদের। তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের তথ্য মতে, গত ৬ জানুয়ারি তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ১৪ দিন ধরে সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রয়েছে।
আবহাওয়া অফিসের হিসেবে গত ৯ জানুয়ারি থেকে সারাদিন রোদের কারণে বাড়ছে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। গত ৬ জানুয়ারি দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হলেও পরদিন ৭ জানুয়ারি থেকে সূর্যের ঝলমলে রোদের কারণে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বেড়ে হয় ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরপর থেকে গতকাল রোববার পর্যন্ত তা ওঠানামা করে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। দিনে কড়া রোদের কারণে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় শৈত্যপ্রবাহের ভোগান্তি নেই বললেই চলে। এখন শীত শুধু রাতে।
এদিকে, সোমবার আবহাওয়ায়া অধিদপ্তরের বুলেটিনে বলা হয়েছে, সোমবার সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে মঙ্গলবার থেকে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে বুধবার থেকে কিছুটা কমতে পারে এবং তা পরবর্তী পাঁচদিন অব্যাহত থাকতে পারে। জানুয়ারী মাসের শেষ পর্যন্ত এ অবস্থায় থাকবে। রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রহিদুল ইসলাম জানান, বাংলাদেশে মাঘ মাস মানেই শীত শেষের মাস। এই মাসে রোদের কারণে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বেড়ে গেলেও রাতে বেশ শীত অনুভূত হয়। বিশেষ করে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার পূর্ব রেকর্ড অনুযায়ী আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচেই থাকতে পারে। তবে সারাদিন রোদ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে করে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উপরের দিকেই যাবে। এতে করে শীতের ভোগান্তি তেমন একটি হওয়ার আশঙ্কা নেই।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
এদিকে, শীতার্থ মানুষ দিনের সূর্যের তাপে সেরে নিচ্ছে তাদের গৃহস্থালী কাজকর্ম। ঘণ কুয়াশা কমে যাওয়ায় এ সময়ের অর্থকরী ফসল আলু, টমেটো, বোরো বীজ তলা ঝুকির মুখ থেকে রক্ষা পেয়েছে। তবে শীত কিছুটা কমে গেলেও শীতজনিত নানা রোগ বালাই বাড়ছে। বিশেষ করে শিশু এবং বয়স্ক মানুষ প্রতিদিন নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হচ্ছে হাসপাতালগুলোতে। জায়গার অভাবে তাদের চিকিৎসা নিতে হচ্ছে হাসপাতালের মেঝে এবং বারান্দায়। ফলে দুর্ভোগ বেড়েছে তাদের। তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের তথ্য মতে, গত ৬ জানুয়ারি তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ১৪ দিন ধরে সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রয়েছে।
আবহাওয়া অফিসের হিসেবে গত ৯ জানুয়ারি থেকে সারাদিন রোদের কারণে বাড়ছে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। গত ৬ জানুয়ারি দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হলেও পরদিন ৭ জানুয়ারি থেকে সূর্যের ঝলমলে রোদের কারণে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বেড়ে হয় ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরপর থেকে গতকাল রোববার পর্যন্ত তা ওঠানামা করে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। দিনে কড়া রোদের কারণে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় শৈত্যপ্রবাহের ভোগান্তি নেই বললেই চলে। এখন শীত শুধু রাতে।
এদিকে, সোমবার আবহাওয়ায়া অধিদপ্তরের বুলেটিনে বলা হয়েছে, সোমবার সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে মঙ্গলবার থেকে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে বুধবার থেকে কিছুটা কমতে পারে এবং তা পরবর্তী পাঁচদিন অব্যাহত থাকতে পারে। জানুয়ারী মাসের শেষ পর্যন্ত এ অবস্থায় থাকবে। রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রহিদুল ইসলাম জানান, বাংলাদেশে মাঘ মাস মানেই শীত শেষের মাস। এই মাসে রোদের কারণে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বেড়ে গেলেও রাতে বেশ শীত অনুভূত হয়। বিশেষ করে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার পূর্ব রেকর্ড অনুযায়ী আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচেই থাকতে পারে। তবে সারাদিন রোদ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে করে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উপরের দিকেই যাবে। এতে করে শীতের ভোগান্তি তেমন একটি হওয়ার আশঙ্কা নেই।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন